"টাকায়" অসাধ্য সাধন হয় ---বাক্য নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে 'কি দিয়ে' 'কিসের দ্বারা' বা 'কি উপায়ে' প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তাই করণ কারক। সুতরাং নিম্নরেখ শব্দটি করণ কারক। আবার এটির সঙ্গে 'য়' থাকায় এটি সপ্তমী বিভক্তি।
Related Questions
ক্রিয়াপদকে ধরে কোথায় কোন স্থানে কখন কোন সময় কবে, কোন বিষয়ে বা ব্যাপারে এই প্রকার প্রশ্ন করলে তার উত্তরে অধিকরণ কারক পাওয়া যায়। এখানে 'পড়াশোনায় মন দাও' বাক্যে 'কোথায় বা কোন বিষয়ে মন দাও? এর উত্তরে পাওয়া যাবে 'পড়াশোনায়'। সুতরাং এটি অধিকরণ কারক। আবার এটির সাথে 'য়' থাকায় এটি সপ্তমী বিভক্তি।
যেখানে বিশেষণ বা বিশেষণ ভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য ব বিশেষ্য পদে সমাস হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলা হয়। এখানে প্রাণ যাওয়ার ভয় = প্রাণভয়। সুতরাং এটি কর্মধারয় সমাস।
পূর্বপদে অব্যয় যোগে যে সমাস হয় এবং যাতে অব্যয়ের অর্থটিই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। যেমন— মানানোর অভাব = বেমানান, জলের অভাব = নির্জল ইত্যাদি।
অব্যয়ীভাব সমাসে অব্যয় পদটি সমিপ্য, বীপ্সা, অভাব, যোগ্যতা, অতিক্রম, পশ্চাৎ, পর্যন্ত ইত্যাদি অর্থে ব্যবহূত হয়ে থাকে।
কিছু সন্ধি আছে যাদেরকে কোনো নিয়মে ফেলা যায় না। সেসব সন্ধিকে বলা হয় নিপাতনে সিন্ধ সন্ধি। ‘মনীষা’ নিপাতনে সিন্ধ সন্ধি। এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ ‘মনস + ঈষা’। এরূপ আরও কিছু নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি হলো: কুলটা + কুল + অটা, গবাক্ষ = গো + অক্ষ, সীমান্ত = সীমা + - অন্ত।
সন্ধি বিচ্ছেদ এর নিয়ম অনুসারে, ই - কারের পর ই ও ঈ ভিন্ন অন্য স্বর থাকলে ই 'য' হয় এবং য - ফলা লেখার সময় পরবর্তী ব্যঞ্জন এর সাথে লেখা হয় সুতরাং অত্যন্ত = অতি + অন্ত।
শুদ্ধ বানান টি হল রূপায়ণ।
রূপায়ণ শব্দটির অর্থ হলো : রূপ দান, রচনা প্রকাশ, অভিনয়ে ভূমিকা গ্রহণ।
জব সলুশন