বাংলা একাডেমি সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান- এর সম্পাদক কে?
- বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আহমদ শরীফ (১৯২১-১৯৯৯) 'বাংলা একাডেমী সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান' সম্পাদনা করেন, যা ১৯৯২ সালের সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হয়।
- অন্যদিকে ভাষাবিদ, ভাষাবিজ্ঞানী, গবেষক ও শিক্ষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (১৮৮৫-১৯৬৯ খ্রি.) সম্পাদনা করেন 'আঞ্চলিক ভাষার অভিধান' (দুই খণ্ড) ।
Related Questions
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি, যিনি বৈষ্ণব পদাবলির ধারায় প্রভাবিত হয়ে ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’ নামে একটি বিশেষ কাব্যগ্রন্থ রচনা করেন। তিনি এই কাব্যে ভানুসিংহ ঠাকুর নামে ছদ্মনাম গ্রহণ করেন এবং ব্রজবুলি ভাষা ব্যবহার করেন, যা মূলত বৈষ্ণব পদাবলির প্রচলিত ভাষা।
এই কাব্যগ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১২৯১ বঙ্গাব্দের আষাঢ় মাসে। এতে ২০টি পদ রয়েছে, যেগুলোর বেশিরভাগই রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলাভিত্তিক, গীতিকবিতা ধাঁচে রচিত। প্রকাশের সময় পাঠকদের বোঝানোর জন্য বলা হয়েছিল, এগুলো “পুরাতন কালের খাতা হইতে সন্ধান করিয়া বাহির করিয়াছি।”
এ কাব্যের উল্লেখযোগ্য কবিতা ‘মরণ’, যার বিখ্যাত পঙ্ক্তি—
“মরণ রে, তুই মম শ্যামসমান।”
এই কবিতা মৃত্যুকে প্রেমিক রূপে কল্পনা করে, যা রবীন্দ্রনাথের কবিত্বশক্তির নিদর্শন।
মরুভাস্কর কাব্যগ্রন্থ কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৫১ খ্রিষ্টাব্দে। হযরত মুহম্মদ (স)-এর জীবনী নিয়ে মরুভাস্কর কাব্যগ্রন্থটি লেখা। মরুভাস্কর' গদ্য গ্রন্থের রচয়িতা -ক. এস ওয়াজেদ আলী
'পথের দাবী' একটি বিখ্যাত বাংলা উপন্যাস। অমর কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এটি রচনা করেন। ১৯২৬ সালের আগস্ট মাসে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত এই উপন্যাসের মূল পটভূমি ছিল তৎকালীন ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন এবং পরাধীন ভারতের মুক্তি সংগ্রাম।
শিক্ষাবিদ, ধ্বনিতাত্ত্বিক ও সাহিত্যিক মুহম্মদ আব্দুল হাই (১৯১৯ - ১৯৬৯ খ্রি.) এবং শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক সৈয়দ আলী আহসান (১৯২২ - ২০০২ খ্রি.) যুগ্মভাবে 'বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত' (আধুনিক )গবেষণা গ্রন্থটি রচনা করেন।
সওগাত পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন।
১৯১৮ সালের নভেম্বর/ডিসেম্বরে (১৩২৫ বঙ্গাব্দ, অগ্রহায়নে) মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীনের সম্পাদনায় কলকাতা থেকে সওগাত প্রথম প্রকাশিত হয়। ১৯২১ সালের মার্চ - এপ্রিল (১৩২৭ বঙ্গাব্দ) পর্যন্ত পত্রিকা চালু ছিল।
এরপর ১৯২৬ সালে (১৩৩৩ বঙ্গাব্দ) সওগাত - নবপর্যায় নামে পুনরায় প্রকাশ হয়। ১৯৩০ সাল (১৩৩৭ বঙ্গাব্দ) পর্যন্ত পত্রিকা নিয়মিতভাবে প্রকাশিত হয়েছিল।
১৯৫০ এর পর থেকে তিন বছর পত্রিকার কোনো সংখ্যা প্রকাশিত হয় নি। এরপর ১৯৫২ - এর নভেম্বর/ডিসেম্বর (অগ্রহায়ণ ১৩৫৯ বঙ্গাব্দ, অগ্রহায়ণে) থেকে ঢাকা থেকে পত্রিকা প্রকাশিত হতে থাকে।
* 'দোভাষী পুঁথি' শুধু দুটি ভাষায় রচিত পুঁথি নয় ।
* বাংলা, হিন্দি, ফারসি, আরবি, তুর্কি ইত্যাদি ভাষার সংমিশ্রণে রচিত পুঁথিই হলো 'দোভাষী পুঁথি' ।
জব সলুশন