. কোন তারিখে ভারত সরকারের অনুমতিক্রমে বাংলাদেশ সরকার কবি কাজী নজ্রুল ইসলামকে স্বপরিবারে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন?
ক) ১৯৭২ সালের ১৪ মে
খ) ১৯৭২ সালের ২৪ মে
গ) ১৯৭৪ সালের ১২ মে
ঘ) ১৯৭৪ সালের ২২ মে
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
বাংলা সাহিত্য এবং সংস্কৃতিতে কাজী নজরুল ইসলামের বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৪ খ্রিষ্টাব্দের ৯ ডিসেম্বর তারিখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধিতে ভূষিত করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সমাবর্তনে তাকে এই উপাধি প্রদান করা হয়। ১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দের জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশ সরকার কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করে। একই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারিতে তাকে একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।
Related Questions
ক) ভানুসিংহের পদাবলী
খ) কবি-কাহিনী
গ) চিত্রাঙ্গদা
ঘ) সোনার তরী
Note : ‘হিং টিং ছট’ কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর সোনার তরী হতে নেয়া হয়েছে। সোনার তরী কাব্যগ্রন্থের প্রকাশকাল ১৮৯৪ খ্রিষ্টাব্দ (১৩০০ বঙ্গাব্দ)। কাব্যগ্রন্থটি কবি দেবেন্দ্রনাথ সেনের প্রতি উৎসর্গিত। এই কাব্যের অনেকগুলি কবিতার সঙ্গে পদ্মাপাড়ের পল্লিপ্রকৃতির গভীর যোগ বিদ্যমান।
ক) অর্ধ-চেতন
খ) চেতনাহীন
গ) অব-চেতন
ঘ) ) চেতনা প্রবাহ
ক) ১০ টি
খ) ৮ টি
গ) ৬ টি
ঘ) ১ টি
Note : ভাষার মূল উপাদান ধ্বনি আর এই ধ্বনি নির্দেশক চিহ্নকে বর্ণ বলে। বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০ টি বর্ণ রয়েছে। তার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১ টি ও ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি। মাত্রার উপর ভিত্তি করে বর্ণ তিন প্রকারঃ ১. মাত্রাহীন বর্ণ ১০ টি (এ,ঐ,ও,ঔ- স্বরবর্ণ ৪ টি) এবং (ঙ,ঞ,ৎ,ং, ঃ, ঁঁ- ব্যঞ্জনবর্ণ ৬ টি)। ২. অর্ধ-মাত্রার বর্ণ ৮ টি (ঋ- স্বরবর্ণ ১ টি) এবং (খ,গ,ণ,থ,ধ,প,শ- ব্যঞ্জনবর্ণ ৭ টি)। ৩. পূর্ণমাত্রার বর্ণ ৩২ টি (স্বরবর্ণ ৬ টি + ব্যঞ্জনবর্ণ ২৬ টি)।
ক) আব্দুল লতিফ
খ) নজরুল ইসলাম বাবু
গ) আলতাফ মাহমুদ
ঘ) গোবিন্দ হালদার
ক) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
গ) কাজী নজ্রুল ইসলাম
ঘ) ফররুখ আহমেদ
Note : মাইকেল মধুসূদন দত্ত ঊনবিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ও নাট্যকার এবং প্রহসন রচয়িতা। তাকে বাংলার নবজাগরণ সাহিত্যের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব গণ্য করা হয়। আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি হিসেবেও তিনি পরিচিত। কাজী নজরুল ইসলামকে ‘বিদ্রোহী’ কবি বলে অভিহিত করা হলেও প্রথম নন।
জব সলুশন