প্রথম ও দ্বিতীয় সংখ্যার গুণফল ৪২ এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় সংখ্যার গুণফল ৪৯। দ্বিতীয় সংখ্যাটি কত?
১ম ও ২য় সংখ্যার গুনফল ৪২ এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় সংখ্যার গুনফল ৪৯
:• ২য় সংখ্যাটি ৪২ ও ৪৯ উভয় সংখ্যার গুণনীয়ক
৪২ এর গুণনীয়ক = ১, ২, ৩, ৬, ৭, ১৪, ২১, ৪২
৪৯ " " " = ১, ৭, ৪৯
সুতরাং সংখ্যাটি ৭
Related Questions
বিক্রয় মূল্য 90 টাকা হলে বইটির প্রকৃত মূল্য 100 টাকা
সুতরাং বিক্রয় মূল্য 1 টাকা হলে প্রকৃত মূল্য (100 ÷ 90) টাকা
সুতরাং বিক্রয় মূল্য 72 টাকা হলে প্রকৃত মূল্য = ( 100 ÷ 90 ) × 72 = 80 টাকা ( উত্তর )
১, ৩, ৪, ৭, ১১, ১৮
৪ = ৩ + ১, ৭ = ৪ + ৩, ১১ = ৪ + ৭, ১৮ = ৭ + ১১
এই ধারায় কোন পদ সংখ্যাকে তার পূর্ববর্তী দুইটি পদের সমষ্টি করলে পাওয়া যায়,
পরবর্তী পদ = ১১ + ১৮ = ২৯
পদগুলোর মান পূর্ববর্তী পদের সাথে পদ সংখ্যা যোগ করলে পাওয়া যায়।
২য় পদ = ১ + ২ = ৩
৩য় পদ = ৩ + ৩ = ৬
৪র্থ পদ = ৬ + ৪ = ১০
৫ম পদ = ১০ + ৫ = ১৫
৬ষ্ঠ পদ = ১৫ + ৬ = ২১
দেওয়া আছে,
দুটি রাশির অনুপাত ৪: ৭
মনে করি, রাশি দুইটি ৪ক, ৭ক।
প্রশ্নমতে, ৪ক = ২৪
বা, ক = ২৪/৪
সুতরাং, ক = ৬
উত্তর রাশি = ৭ক
= ৭ × ৬
= ৪২
দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন এবং অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশ সমূহের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও সহযোগিতা করার লক্ষ্যে ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫ সালে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর বর্তমান সদস্য ৮ (ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ভুটান, নেপাল, মালদ্বীপ ও শ্রীলংকা)।
- সংস্থাটির সদর দপ্তর নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অবস্থিত।
- সার্কের শীর্ষ সম্মেলন সাধারণত বাৎসরিক ভিত্তিতে নির্ধারিত এবং পররাষ্ট্র সচিবদের সভা দুই বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালের ৭-৮ ডিসেম্বর সার্কের প্রথম শীর্ষ সম্মেলন বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়।
- এছাড়াও ১০-১১ এপ্রিল, ১৯৯৩ সালে ৭ম এবং ১২-১৩ নভেম্বর, ২০০৫ সালে ১৩তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলন বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়।
এর উদ্দেশ্যগুলো হলো-
ক) দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের কল্যাণ ত্বরান্বিত করা
খ) অঞ্চলে নিরাপত্তার পরিবেশ উন্নত করা
গ) অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং সাংস্কৃতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা
বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টিসেক্টরাল, টেকনিকাল এন্ড ইকনমিক কোঅপারেশন বা সংক্ষেপে বিম্সটেক দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় কয়েকটি দেশকে নিয়ে গঠিত একটি আঞ্চলিক জোট। ১৯৯৭ সালের ৬ জুন, ব্যাংককে - বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলংকা ও থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের একটি বৈঠকে একটি নতুন আন্তঃআঞ্চলিক জোট সৃষ্টি করা হয় এবং সভায় অংশগ্রহণকারী মূল আলোচকদের দেশের নামের অধ্যাক্ষর অন্যযায়ী এই জোটের নাম দেয়া হয় - BIST-EC (Bangladesh, India, Sri Lanka & Thailand Economic Cooperation). প্রসংগত, মায়ানমার এই প্রারম্ভিক সভায় পর্যবেক্ষক হিসেবে অংশ নেয়। পরবর্তীতে, ২২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালের প্রথম মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে মায়ানমার কে পূর্ন সদস্য হিসেব গ্রহন করা হয়। মায়ানমারের সদস্য হিসেবে যোগদানের পর সংগঠনের নামটি কিছুটা পরিবর্তন করে BIMST-EC করা হয়। সদর দপ্তর ঢাকায় এবং সভাপতি নেপাল।
জব সলুশন