কাচ তৈরির প্রধান কাঁচামাল হলো ----
কাঁচের প্রধান উপাদান হচ্ছে বালি বা সিলিকা। আজকের দিনে আমাদের যে কাঁচ তৈরি পদ্ধতি রয়েছে, তাতে যে মূল তিনটি উপাদান প্রয়োজন হয় সেগুলি হল কোয়ার্টজ(সিলিকা), সোডা, এবং চুন। যখন এগুলির মিশ্রণকে ১২০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে উত্তপ্ত করা হয়, তখন এগুলি গলতে শুরু করে এবং তৎক্ষণাৎ যদি ঠাণ্ডা করা যায় তাহলে কাঁচের জন্ম হয়। ঢাকার আশে পাশে ২ - ৩ টি (ফ্লোট/শীট) গ্লাস কোম্পানি আছে। এর মধ্যে গাজীপুরের শ্রীপুরে ১০০ বিঘা জমির উপর প্রতিষ্ঠিত 'নাসির গ্লাস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড (NGIL)' বাংলাদেশের এখন পর্যন্ত সর্ববৃহৎ ফ্লোট এন্ড শীট গ্লাস কোম্পানি। দেশের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি এই কোম্পানি বিদেশেও উন্নতমানের ফ্লোট, শীট ও কালার গ্লাস বিদেশে রপ্তানি করছে।
Related Questions
ভূপৃষ্ঠে (ভূত্বকে) সবচেয়ে বেশি পরিমাণে প্রাপ্ত ধাতু হলো অ্যালুমিনিয়াম। ভূত্বকে এর উপস্থিতি প্রায় ৮.১%।
কালো রঙের বস্তুর তাপ শোষণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি。সাদা বা হালকা রঙের বস্তু সব ধরনের আলো ও তাপ প্রতিফলিত করে, কিন্তু কালো রঙের বস্তু দৃশ্যমান আলোর সমস্ত তরঙ্গদৈর্ঘ্য শোষণ করে নেয়। এর ফলে সমস্ত আলোক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় এবং বস্তুটি দ্রুত গরম হয়ে যায়। অন্য রঙের মধ্যে গাঢ় নীল বা বেগুনি রঙও বেশ কিছুটা তাপ শোষণ করে থাকে。
আলো কোনো পদার্থ নয়। পদার্থ হতে হলে তার নির্দিষ্ট ভর থাকতে হবে এবং স্থান দখল করতে হবে। আলোর কোনো ভর (Mass) বা আয়তন নেই এবং এটি কোনো স্থান দখল করে না। বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে, আলো হলো এক ধরনের তড়িৎ-চুম্বকীয় বিকিরণ বা শক্তি।
এক বিষয়ে যার চিত্ত নিবিষ্ট'—এর সঠিক এককথায় প্রকাশ হলো 'একাগ্রচিত্ত'
"আপনাকে পণ্ডিত মনে করে যে" --- এর এক কথায় প্রকাশ হলো পণ্ডিতম্মন্য।
'চক্ষুদান করা' বাগধারাটির অর্থ চুরি বা চুরি করা । যেমন - পকেটমার আমার মানিব্যাগটি চক্ষুদান করে নিয়ে গেল।
জব সলুশন