ইউসুফ জোলেখা- প্রণয়কাব্য অনুবাদ করেছেন-

ক) দৌলত উজির বাহরাম খান
খ) মাগন ঠাকুর
গ) আলাওল
ঘ) শাহ মুহম্মদ সগীর
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

শাহ মুহাম্মদ সগীর আনুমানিক ১৩ - ১৪ শতকের কবি।  বাঙালি মুসলিম কবিদের মধ্যে তিনিই প্রাচীনতম।  তিনি গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ এর রাজত্বকালে (১৩৮৯ - ১৪১১ খ্রিষ্টাব্দে) ইউসুফ - জোলেখা কাব্য রচনা করেন।  কবি ছিলেন গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজকর্মচারী।

Related Questions

ক) চণ্ডীমঙ্গল
খ) মনসামঙ্গল
গ) ধর্মমঙ্গল
ঘ) অন্নদামঙ্গল
Note :

'চাঁদ সওদাগর' বাংলা মনসামঙ্গল কাব্যধারার চরিত্র।

মনসামঙ্গল বা পদ্মাপু্রাণ মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্য ধারার অন্যতম প্রধান কাব্য। এই ধারার অপর দুই প্রধান কাব্য চণ্ডীমঙ্গল ও ধর্মমঙ্গল কাব্যের তুলনায় মনসামঙ্গল প্রাচীনতর।

মনসামঙ্গল একটি আখ্যানকাব্য। এই কাব্যের প্রধান আখ্যানটিও আবর্তিত হয়েছে মর্ত্যলোকে মনসার নিজ পূজা প্রচারের প্রয়াসকে কেন্দ্র করে। কাব্যের মূল উপজীব্য চাঁদ সদাগরের উপর দেবী মনসার অত্যাচার, চাঁদের পুত্র লখিন্দরের সর্পাঘাতে মৃত্যু ও পুত্রবধূ বেহুলার আত্মত্যাগের উপাখ্যান।

এই কাব্যে সেযুগের হিন্দু বাঙালি সমাজের সমাজব্যবস্থা, অর্থনীতি, আচার - অনুষ্ঠান ইত্যাদি সম্পর্কে নানা অনুপূঙ্খ বর্ণনা পাওয়া যায়। চাঁদ সদাগর শুধুমাত্র এই কাব্যেরই নয়, বরং সমগ্র বাংলা সাহিত্যের অন্যতম বলিষ্ঠ চরিত্র; বেহুলা - লখিন্দরের করুণ উপাখ্যানটিও তার মানবিক আবেদনের কারণে আজও বাঙালি সমাজে জনপ্রিয়।

ক) বিষবৃক্ষ-চতুরঙ্গ-চরিত্রহীন
খ) কৃষ্ণকান্তের উইল-যোগাযোগ-পথের দাবী
গ) দুর্গেশনন্দিনী-চোখের বালি-গৃহদাহ
ঘ) কৃষ্ণকান্তের উইল-চোখের বালি-চরিত্রহীন
Note :

- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’-এর প্রধান চরিত্রগুলো হলো ভ্রমর, রোহিণী, হরলাল ও গোবিন্দলাল।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘চোখের বালি’র প্রধান চরিত্রগুলো হলো মহেন্দ্র ও বিনোদিনী।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ‘চরিত্রহীন’- এর প্রধান চরিত্রগুলো হলো সতীশ, সাবেত্রী, কিরণময়ী ও দিবাকর।

ক) দিল্লী
খ) ডারবান
গ) জাকার্তা
ঘ) উজবেকিস্তানে
Note :

জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (NAM) ২০তম শীর্ষ সম্মেলন ২০২৭ সালে উজবেকিস্তানে অনুষ্ঠিত হবে। 

ক) নীলফামারী
খ) লালমনির হাট
গ) কুড়িগ্রাম
ঘ) দিনাজপুর
Note :

দহগ্রাম ছিটমহল লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলায় অবস্থিত । ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার অভ্যন্তরে অবস্থিত এই ছিটমহলটি বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের সাথে তিন বিঘা করিডোরের মাধ্যমে যুক্ত । 

 

ক) ১১০
খ) ১১৪
গ) ১১৮
ঘ) 120
Note :

জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (NAM) হলো একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন, যা স্নায়ুযুদ্ধের সময় গঠিত হয়েছিল।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল উন্নয়নশীল দেশগুলোর স্বাধীনতা রক্ষা করা, নিরপেক্ষতা বজায় রাখা এবং বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।
- ১৯৫৫ সালে ইন্দোনেশিয়ার বান্দুং সম্মেলনে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের ধারণা তৈরি হয়।
- ১৯৬১ সালের ১ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর তৎকালীন যুগোস্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডে প্রথম সম্মেলনের মাধ্যমে এই আন্দোলন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে ছিলেন যুগোস্লাভিয়ার প্রেসিডেন্ট জোসিপ ব্রজ টিটো, ভারতের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু, মিশরের প্রেসিডেন্ট গামাল আবদেল নাসের, ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট সুকর্ণ এবং ঘানার প্রেসিডেন্ট কোয়ামে নক্রুমা
- বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালের ৫ই সেপ্টেম্বর NAM এর সদস্যপদ লাভ করে।
- ২০২৬ সালের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, NAM এর ১২০টি সদস্য রাষ্ট্র এবং ১৭টি পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র রয়েছে।
- জাতিসংঘের পর এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্রগোষ্ঠী।
- NAM এর কোনো স্থায়ী সদর দপ্তর নেই; যে দেশে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, সেই দেশেই দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালিত হয় এবং সভাপতিত্ব আবর্তিত হয়।
- ২০২৪ সালে উগান্ডার কাম্পালায় ১৯তম ন্যাম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় এবং উগান্ডা ২০২৭ সাল পর্যন্ত এর সভাপতিত্ব করবে।

ক) বাংলাদেশ
খ) সোমালিয়া
গ) নাইজেরিয়া
ঘ) সুইডেন
Note :

সোমালিয়া ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের (টিআই) দুর্নীতির ধারণা সূচক (সিপিআই) অনুযায়ী বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ। 

জব সলুশন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- অফিস সহায়ক 28-08-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- কম্পিউটার অপারেটর 28-08-2026

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন