একুশে ফেব্রুয়ারীর বিখ্যাত গানটির সুরকার কে?
Related Questions
ইয়ংবেঙ্গল গোষ্ঠী ও মাইকেল মধুসূদন দত্ত
মাইকেল মধুসূদন দত্তের সংযোগ:
১৮৩৩ সালে মাইকেল মধুসূদন দত্ত হিন্দু কলেজে ভর্তি হন। কলেজে অধ্যয়নকালে তিনি 'ইয়ংবেঙ্গল' নামের একটি ছাত্রগোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হন। এই গোষ্ঠীর প্রভাবক ছিলেন হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও, যিনি আধুনিক চিন্তা ও স্বদেশপ্রেমের দ্বারা তরুণদের অনুপ্রাণিত করতেন। ডিরোজিওর প্রভাবেই মধুসূদন দত্ত গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হন এবং তাদের আদর্শ থেকে অনুপ্রেরণা পান।
ইয়ংবেঙ্গল গোষ্ঠী:
উৎপত্তি: হিন্দু কলেজের ডিরোজিওর প্রভাবিত ছাত্রদের দ্বারা গঠিত।
প্রধান সদস্য: কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়, রসিককৃষ্ণ মল্লিক, রামগোপাল ঘোষ, রামতনু লাহিড়ী, দক্ষিণারঞ্জন মুখোপাধ্যায়, প্যারীচাঁদ মিত্র, এবং তারাচাঁদ চক্রবর্তী।
বৈশিষ্ট্য: অত্যন্ত প্রতিভাবান, ইংরেজি শিক্ষার প্রতি আগ্রহী। তারা হিন্দুধর্মের প্রচলিত প্রথা ও ঐতিহ্যকে সমালোচনা করতেন।
সংঘের আদর্শ: হিন্দুধর্মের প্রচলিত বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ এবং আধুনিকতার প্রতি বিশ্বাস। তাঁরা ঊনবিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্য, ধর্ম ও নীতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
মাইকেল মধুসূদন
ডিরোজিওর আদর্শ দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে, মধুসূদন দত্ত ইয়ংবেঙ্গল গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হন এবং বাংলা সাহিত্যে আধুনিক চিন্তাধারা ও সংস্কৃতির বিকাশে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন।
জসীম উদ্দীনের আত্নকথা: যাদের দেখেছি ((১৯৫১) ঠাকুর বাড়ির আঙ্গিনায় (১৯৬১) জীবন কথা ( ১৯৬৪) স্মৃতিপট (১৯৬৪) স্মরণের সরণী বাহি (১৯৭৮)
জব সলুশন