বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সেক্টরগুলাের মধ্যে কোন খাতে বেশী কর্মসংস্থান হয়?
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে কৃষি খাতই সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে থাকে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০২৪ সালের তৃতীয় প্রান্তিকের শ্রমশক্তি জরিপ (জানুয়ারি ২০২৫ এ প্রকাশিত) অনুসারে, কৃষি খাতে ২ কোটি ৯৬ লাখ ৪০ হাজার মানুষ নিয়োজিত ছিল। জাতিসংঘের ২০২৫ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের মোট শ্রমশক্তির ৫০% এর বেশি এখনও কৃষি খাতে নিয়োজিত রয়েছে।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২৫ (সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে):
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ৯১১ জন (জনশুমারি ২০২৪ অনুসারে)।
- মোট কর্মক্ষম জনশক্তি/শ্রমশক্তি (১৫ বছর+): ৭ কোটি ৭৩ লাখ ৫৫ হাজার ১৬৮ জন (২০২৪, বিশ্বব্যাংক)।
- বেকারত্বের হার: ৪.৪৯% (২০২৪ সালের তৃতীয় প্রান্তিক, বিবিএস)। বেকারের সংখ্যা ২৬ লাখ ৬০ হাজার (২০২৪ সালের তৃতীয় প্রান্তিক, বিবিএস)।
- জিডিপিতে প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৬৯% (২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাব)। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ৫.৫% প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- মাথাপিছু আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার (অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২৪)।
- মুদ্রাস্ফীতির হার: ৮.৫% (২০২৫ সালের পূর্বাভাস)।
- মোট প্রবাসী/রেমিট্যান্স আয়: এপ্রিলের প্রথম ১১ দিনে প্রায় ১২২ কোটি মার্কিন ডলার (২০২৬)।
- জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান: ৩৭% এর বেশি (২০২৪, জাতীয় এসএমই নীতি-২০২৫ এর খসড়া অনুসারে)।
- নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ (সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে):
- কৃষি খাত: মোট শ্রমশক্তির ৫০% এর বেশি (২০২৫, জাতিসংঘ)। ২০২৪ সালের তৃতীয় প্রান্তিকের জরিপ অনুযায়ী, কৃষি খাতে প্রায় ৪৩.৯% জনশক্তি নিয়োজিত ছিল।
- শিল্প খাত: মোট শ্রমশক্তির ১৮.০৩% (ডিসেম্বর ২০২৫, আইএলও মডেলড অনুমান)। ২০২৪ সালের তৃতীয় প্রান্তিকের জরিপ অনুযায়ী, শিল্প খাতে প্রায় ১৬.৮% জনশক্তি নিয়োজিত ছিল।
- সেবা খাত: ২০২৪ সালের তৃতীয় প্রান্তিকের জরিপ অনুযায়ী, সেবা খাতে প্রায় ৩৯.৩% জনশক্তি নিয়োজিত ছিল।
Related Questions
Hazard বা আপদ বলতে বোঝায় কোনো এক আকস্মিক ও চরম প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট ঘটনা। এ ঘটনা জীবন, সম্পদ ইত্যাদির উপর আঘাত হানে। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, কাল বৈশাখী, খরা, বন্যা ও ভূমিকম্প খুব অল্প সময়ের জন্য হয়ে থাকে। যা মানবসৃষ্ট আপদ নয়। যেহেতু কালবৈশাখীর বেলায় পূর্বাভাস ও সতর্কবাণী প্রচার করা সম্ভব হয় না, তাই এক্ষেত্রে আগাম প্রস্তুতি নেয়া যায় না। তাই দুর্গত এলাকায় জরুরী ভিত্তিতে দ্রুত ত্রাণ সরবরাহ ও পুনর্বাসন কাজ করাই হলো একমাত্র সমাধান।
যে সমস্ত উদ্ভিদ পানিতে বা পানি যুক্ত স্থানে জন্মে তাদেরকে জলজ উদ্ভিদ বলে। এসব জলজ উদ্ভিদ নদী-নালা, খাল-বিল, ডোবা-পুকুর, হ্রদ-জলাশয় ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে জন্মে। যেমন- করচ, হিজল, ডুমুর, জলকলমি, কচুরিপানা ইত্যাদি। গজারি মূলত বৃক্ষ জাতীয় উদ্ভিদ।এর অপর নাম শাল। গাছ কাটার পর গোড়া থেকে চারা গজানোর কারণে এর নাম গজারি হয়েছে মনে করা হয়। বাংলাদেশের ভাওয়াল ও মধুপুরের গাজারি বনই দেশের বৃহত্ পত্রঝরা বনাঞ্চল। লাল মাটির পাহাড়, ছোট ছোট টিলা জমিতে গজারি ভালো জন্মে।
১) সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র (নয়া দিল্লী),
২) সার্ক আবহাওয়া কেন্দ্র (ঢাকা),
১৯৭৪ সালে ময়মনসিংহের প্রায় ১০,৩৬০ বর্গ কিলোমিটার অঞ্চল বন্যা কবলিত হয়। ১৯৮৮ সালের আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসের বন্যায় ভয়ংকর বিপর্যয় দেখা দেয়। প্রায় ৮২,০০০ বর্গ কিমি এলাকা (সমগ্র দেশের ৬০% এরও অধিক এলাকা) ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ধরনের বন্যা ৫০-১০০ বছরে একবার ঘটে। বৃষ্টিপাত এবং একই সময়ে (তিন দিনের মধ্যে) দেশের তিনটি প্রধান নদীর প্রবাহ একই সময় ঘটার (synchronize) ফলে বন্যার আরও ব্যাপ্তি ঘটে। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহরও প্লাবিত হয়। বন্যা স্থায়িত্ব ছিল ১৫ থেকে ২০ দিন। ১৯৯৮ সালের বন্যায় সমগ্র দেশের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি এলাকা দুই মাসের অধিক সময় বন্যা কবলিত হয়। বন্যার ব্যাপ্তি অনুযায়ী এটি ১৯৮৮ সালের বন্যার সাথে তুলনীয়। ব্যাপক বৃষ্টিপাত, একই সময়ে দেশের তিনটি প্রধান নদীর প্রবাহ ঘটার ফলে ও ব্যাক ওয়াটার এ্যাফেক্টের কারণে এই বন্যা ঘটে। ২০০৭ সালের বন্যাকে “মহাবন্যা” বলা হয়। ২০০৭ সালের বন্যা হয় সেপ্টেম্বর মাসে। এতে দেশের ৪২ শতাংশ এলাকার ৬২ হাজার ৩০০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা প্লাবিত হয়।
বাংলাদেশের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান হলো একটি ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও আধা-চিরহরিৎ (Tropical Evergreen and Semi-Evergreen) প্রকৃতির মিশ্র বনভূমি। এটি মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল।
আইসোথার্ম: আইসো অর্থ একই বা সমান এবং থার্ম অর্থ তামমাত্রা ।
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে বা কোন একটি নির্দিষ্ট সময়ে গড়ে মানচিত্রে একই তাপমাত্রার বিন্দুসমূহকে সংযোগকারী রেখাকে আইথার্ম বলে।
আইসোবার: আইসো অর্থ একই বা সমান এবং বার অর্থ ভর।
- যে সকল মৌলের ভরসংখ্যা একই কিন্তু পারমানবিক সংখ্যা আলাদা তাদেরকে একে ওপরের আইসোবার বলে।
- যেমন K আর Ar এদের পারমানবিক সংখ্যা যথাক্রমে ১৮ ও ১৯ এবং ভরসংখ্যা উভয়েরই ৩৯. তাই এরা একে অপরের আইসোবার।
আইসোহাইট: সমবৃষ্টিপাত সম্পন্ন স্থানসমূহকে সংযোগকারী রেখাকে আইসোহাইট বলে।
আইসোহেলাইন: আইসো অর্থ একই বা সমান এবং হেলাইন অর্থ লবণাক্ততা।
- কোন জলীয় সিস্টেমে সমলবণাক্ততা বিশিষ্ট বিন্দুসমূহকে সংযোগকারী রেখাকে আইসোহেলাইন বলে।
জব সলুশন