বাংলা সাহিত্যে ‘কালকূট’ নামে পরিচিত কোন লেখক?
বাংলা সাহিত্যের কয়েকজন লেখক ও তাদের ছদ্মনামঃ
- সমরেশ বসু = কালকূট
- সমরেশ বসু = ভ্রমর
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় = অনিলা দেবী
- সতীনাথ ভাদুড়ী = চিত্রগুপ্ত
- বিমল মিত্র = জাবালি
- কালিকানন্দ = অবধূত
- বিমল ঘোষ = মৌমাছি
- প্রিয়দর্শী - সৈয়দ মুজতবা আলী
- বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় = যাযাবর
Related Questions
কাগমারী সাংস্কৃতিক সম্মেলন ১৯৫৭ সালে অনুষ্ঠিত একটি বিশেষ তাৎপর্যবাহী জাতীয় সম্মেলন যা পরবর্তীতে পাকিস্তানের বিভক্তি এবং স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যূদয়ে বিশেষ ইঙ্গিতবহ ভূমিকা রেখেছিল। ১৯৫৭ সালের ৭ই ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টাঙ্গাইল জেলার কাগমারী নামক স্থানে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ৭ই ফেব্রুয়ারি মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি আরম্ভ হয়।ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলন ১৯৫৭ সালের ৬ থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইল জেলার কাগমারী ও সন্তোষ এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়। এটি ছিল তৎকালীন কাগমারী সাংস্কৃতিক সম্মেলন ও আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশন।
ক্যালসিয়াম কার্বনেট পানিতে দ্রবীভূত হয় না।
মৃৎক্ষার ধাতুর লবণ হওয়ায় এমনটি ঘটে।
ক্ষারধাতুর কার্বনেটসমূহ পানিতে দ্রবীভূত হয়।
কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন এই ৪টি মৌলের সমন্বয়ে আমিষ বা প্রোটিন তৈরি হয়। শরীরে আমিয পরিপাক হওয়ার পর সেগুলো অ্যামিনো এসিডে পরিণত হয়। অর্থাৎ বলা যায় একটি নির্দিষ্ট আমিষের পরিচয় হয় কিছু অ্যামিনো এসিড দিয়ে।
- হার্ট থেকে রক্ত বাইরে নিয়ে যায় আর্টারি বা ধমনি।
- করোনারি আর্টারি বাইপাস গ্রাফ্টিং (CABG) হল এমন এক সার্জারি যা করালে করোনারি আর্টারির মধ্য দিয়ে হৃদযন্ত্রে রক্তপ্রবাহকে বাড়ানো যায়।
- যাঁরা গুরুতর করোনারি হার্ট ডিজিজে (CHD), (যাকে করোনারি আর্টারি ডিজিজও বলা হয়) ভোগেন, তাঁদের জন্যই এই চিকিৎসা।
নদীর পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি। আর পানির লবণাক্ততা বৃদ্ধি পেলে অক্সিজেন দ্রবীভূত হওয়ার হার কমে যায়।
- কাঁদুনে গ্যাসের অপর নাম ক্লোরোপিক্রিন।
- অশ্রু উৎপাদক বলে একে কাঁদুনে গ্যাস বলা হয়।
- এর রাসায়নিক নাম হলো নাইট্রোক্লোরোফরম।
- ক্লোরোফর্মের সাথে গাঢ় নাইট্রিক এসিডের বিক্রিয়ায় ক্লোরোপিক্রিন উৎপন্ন হয়।
জব সলুশন