অবিভূক্ত বাংলার সর্বপ্রথম রাজা কাকে বলা হয়?

ক) অশোক
খ) শশাঙ্ক
গ) মেগদা
ঘ) ধর্মপাল
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

রাজা শশাঙ্ক ৫৯৪ খ্রিষ্টাব্দের শুরুর দিকে গৌড় অঞ্চলের ক্ষমতা দখল করে স্বাধীন গৌড় রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে 'কর্ণসুবর্ণে 'রাজধানী স্থাপন করেন । প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে শশাঙ্কই প্রথম সার্বভৌম শাসক যিনি পুরো বাংলাকে একত্রিত করতে পেরেছিলেন।


 

- উত্তর বাংলা থেকে উড়িষ্যা পর্যন্ত স্বাধীন গৌড়রাজ্যের বিস্তৃতি ছিলো।
 

- ৫৯৪ খ্রি. থেকে ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত শশাঙ্ক গৌড়রাজ্য শাসন করেন।
 

- মৌর্য বংশের তৃতীয় শাসক অশোক,যাকে বৌদ্ধ ধর্মের কনস্টেনটাইন বলা হয় ।

 

- পাল বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা ধর্মপাল ।

Related Questions

ক) বিশ্ব ব্যাংকের Budgetary Support- এর মাধ্যমে
খ) IMFএর Bailout package-এর মাধ্যমে
গ) প্রবাসীদের পাঠানো Remittance এর মাধ্যমে
ঘ) IDA credit-এর মাধ্যমে
Note :

- আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ এর প্রধান কাজ হচ্ছে বিভিন্ন দেশের মুদ্রামানের হ্রাস-বৃদ্ধি করে বাণিজ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে।
- এছাড়া আন্তর্জাতিক আর্থিক সহযোগিতা ও বাণিজ্য প্রচার করা, সদস্য দেশগুলোর আর্থিক ও আর্থিক নীতিসমূহের সমন্বয় সাধন করা।
- তাদেরকে ঋণ প্রদানের ভারসাম্য নিষ্পিত্তির জন্য exchange সরবরাহ করা এবং বিনিময় হার প্রদান করা।
- IMF এর bailout package এর মাধ্যমে বাংলাদেশের বাণিজ্য ভারসাম্য রক্ষা করে।

ক) সাঁওতাল
খ) গারো
গ) খাসিয়া
ঘ) মুরং
Note :

- গারো উপজাতিদের আবাসস্থল মূলত ময়মনসিংহ, শেরপুর, নেত্রকোণা, টাঙ্গাইল, জামালপুর, সুনামগঞ্জ ও সিলেট।
- বিরিশিরি নেত্রকোণা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী একটি গ্রাম।
- স্থানীয় অধিবাসীদের ৬০ ভাগ গারো আদিবাসী ৩০ ভাগ মুসলিম, বাকি ১০ ভাগ হিন্দু ও অন্যান্য জনগোষ্ঠী।
- সোমেশ্বরী নদীই দুর্গাপুর ও বিরিশিরিকে আলাদা করেছে।

ক) ৪র্থ তফসিল
খ) ৫ম তফসিল
গ) ৬ষ্ঠ তফসিল
ঘ) ৭ম তফসিল
Note :

বাংলাদেশ সংবিধানে মোট সাতটি তফসিল রয়েছে।
• প্রথম তফসিল : অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন
• দ্বিতীয় তফসিল : রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বিলুপ্ত)
• তৃতীয় তফসিল : শপথ ও ঘোষণা
• চতুর্থ তফসিল : ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী
• পঞ্চম তফসিল : বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ
• ষষ্ঠ তফসিল : বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা
• সপ্তম তফসিল : মুজিবনগর সরকার জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

- ৪র্থ তফসিল ১৫০ (১) অনুচ্ছেদ ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী।
- এই তফসিলের ৩ (৩) ধারা অনুযায়ী এই সংবিধানের যে বিধান সংসদের উপর আইন-প্রণয়নের ক্ষমতা ও দায়িত্ব অর্পণ করিয়াছে, উপরি-উক্ত পদ্ধতিতে সংসদ প্রথমবার মিলিত না হওয়া পর্যন্ত সেই বিধান রাষ্ট্রপতিকে আদেশের দ্বারা আইন-প্রণয়নের ক্ষমতা ও দায়িত্ব অর্পণ করিয়াছে বলিয়া বিবেচিত হইবে এবং এই অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত কোন আদেশ এইরূপ সক্রিয় হইবে, যেন তাহার বিধানাবলী সংসদ কর্তৃক বিধিবদ্ধ হইয়াছে। 
- ১৭(২) অনুযায়ী এই সংবিধান-প্রবর্তনের পূর্বে প্রচলিত অস্থায়ী সাংবিধানিক ব্যবস্থা হইতে এই সংবিধানের বিধানাবলীতে উত্তরণের জন্য উদ্ভূত যে কোন অসুবিধা দূরীকরণের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা নির্দেশ দান করিতে পারিবেন যে, অনুরূপ আদেশে নির্ধারিত মেয়াদের জন্য তাঁহার বিবেচনায় যেরূপ আবশ্যক বা সমীচীন হইবে, সেইরূপ পরিবর্তন, সংযোজন বা পরিবর্জনের মাধ্যমে গৃহীত উপযোগীকরণ- সাপেক্ষে এই সংবিধানের কার্যকর হইবে।

ক) বহুদলীয় ব্যবস্থা
খ) সংসদে মহিলা আসন
গ) তত্ত্বাবধায়ক সরকার
ঘ) বাকশাল প্রতিষ্ঠা
Note :

বাংলাদেশের সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মূল বিষয় ছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকার। উলেখ্য, ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চে সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নিরপেক্ষ - নিদলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী জসিম উদ্দন সরকার এই সংশোধনীটি উত্থাপন করেন। এটি ২৬৮ - ০ ভোটে পাস হয়। রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পায় ২৮ মার্চে। উচ্চ আদালতের আদেশে ২০১১ সালে এই সংশোধনীটি বাতিল হয়।

ক) অনুচ্ছেদ ৭
খ) অনুচ্ছেদ ৭ (ক)
গ) অনুচ্ছেদ ৭ (খ)
ঘ) অনুচ্ছেদ ৮
Note :

বাংলাদেশের সংবিধান এর অনুচ্ছেদ ৭(খ) অনুযায়ী সংবিধানের প্রস্তাবনা, প্রথম ও দ্বিতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, নবম-ক ভাগের বিধানাবলি সাপেক্ষে তৃতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ এবং একাদশ ভাগের ১৫০ অনুচ্ছেদ বাতিল বা সংশোধন করা যাবে না।

ক) এপ্রিল ১০, ১৯৭১
খ) এপ্রিল ১১, ১৯৭১
গ) এপ্রিল ১২, ১৯৭১
ঘ) এপ্রিল ১৩, ১৯৭১
Note :

- বাংলাদেশের ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধকালীন অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের কার্যক্রম পরিচালিত হত কলকাতা থেকে।
- যুদ্ধের সময়ে ভারতের সামরিক বাহিনী অথবা বিদেশ দপ্তরও প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখত পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী শহরের মাধ্যমেই।
- সেই প্রবাসী সরকারকে একটি ভবন দিয়েছিল ভারত সরকার।
- ৮ নম্বর থিয়েটার রোড, যার এখনকার নাম শেক্সপিয়ার সরণী, সেখানে বাড়িটি এখনও রয়েছে।

জব সলুশন

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর- যাচ মোহরার 02-10-2026

নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর-সিনিয়র স্টাফ নার্স 28-09-2026

পরমাণু শক্তি কমিশনের-মেডিকেল অফিসার (বিষয়ভিত্তিক ব্যতীত) 25-09-2026

বন অধিদপ্তর-ডেমনস্ট্রেটর (সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং) ২২-০৯-২০২৬

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর-অফিস সহায়ক 18-09-2026

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর-টিকেট ক্লার্ক/রেকর্ড কিপার 05-09-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন