সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নাগরিকের কর্তব্য হলো -

ক) সরকার পরিচালনায় সাহায্য করা
খ) নিজের অধিকার ভােগ করা
গ) সৎভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য করা
ঘ) নিয়মিত কর প্রদান করা
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

- সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নাগরিকের দায়িত্ব ও কর্তব্য অনেক ।
- রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া, সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচন, সংবিধান মান্য করা, সততা ও নিষ্ঠার সাথে সরকারি কাজ সম্পাদন, জাতীয় সম্পত্তি ও শৃংখলা রক্ষা করা প্রভৃতি দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে একজন নাগরিক প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সরকার পরিচালনায় সাহায্য করে থাকে, যা যে কোনো দেশের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় জরুরি ।
- নিয়মিত কর প্রদান করার মাধ্যমে একজন নাগরিক সরকার পরিচালনায় সাহায্য করে থাকে ।
- নিজের ভোগ একান্তই নাগরিকের ব্যাপার, যার সাথে সুশাসন প্রতিষ্ঠার কোনো সম্পর্ক নেই ।
- সৎভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ভূমিকা পালন করে । 

Related Questions

ক) দারিদ্র বিমােচন
খ) মৌলিক অধিকার রক্ষা
গ) মৌলিক স্বাধীনতার উন্নয়ন
ঘ) নারীদের উন্নয়ন ও সুরক্ষা
Note :

জাতিসংঘের অভিমত অনুসারে সুশাসনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো মৌলিক স্বাধীনতার উন্নয়ন। 

ক) মানুষের সঙ্গে মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ধারণ
খ) মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ড
গ) সমাজজীবনে মানুষের সুখী হওয়ার প্রয়ােজনীয় উপাদান
ঘ) মানুষের প্রাতিষ্ঠানিক কার্যাবলীর দিক নির্দেশনা
Note :

মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি, মানদণ্ড ও ভালো-মন্দের বিচারবোধ। এটি হলো সততা, ন্যায়পরায়ণতা এবং শৃঙ্খলা যা সমাজ ও মানুষের জীবনকে চালিত করে।

ক) নারীদের ক্ষেত্রে
খ) সংখ্যালঘুদের ক্ষেত্রে
গ) প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে
ঘ) পিছিয়ে পড়া জনগােষ্ঠীর ক্ষেত্রে
Note :

মানুষের মধ্যে নানা বৈশিষ্ট্যগত বিচারে বৈষম্য নির্ণয় করা হয়।
• এ বৈষম্যের কয়েকটি মৌলিক দিক রয়েছে।
• যেমন- নরগোষ্ঠীগত, লিঙ্গগত, আর্থ সামাজিক, ধর্মীয়।
• এখানে মূলত বৈষম্যের শিকার হয়ে থাকে নিম্নবর্ণের মানুষ, নারী জাতি, আর্থ-সামাজিকভাবে দুর্বল জাতিগোষ্ঠী এবং অপ্রধান ধর্ম পালনকারীরা।
• কিন্তু বিপরীত বৈষম্য মূলত বৈষম্যের উল্টা ধারণা, যেখানে সংখ্যাগুরুরা, সংখ্যালঘুদের দ্বারা বৈষম্যের শিকার হয়ে থাকে।
• এর প্রশাখায় পুরুষরা নারীদের দ্বারা, শ্বেতাঙ্গরা কৃষ্ণাঙ্গদের দ্বারা, উচ্চবর্ণ নিম্নবর্ণের দ্বারা এবং সাধারণ মানুষ কোটাধারীদের দ্বারা বিপরীত বৈষম্যের শিকার হয়।

ক) গণতন্ত্র
খ) বিচার ব্যবস্থা
গ) সংবিধান
ঘ) আইনের শাসন
Note :

সভ্য সমাজের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি সমাজে বাস্তবায়িত হয় আইনের শাসনের মাধ্যমে। যথার্থ আইনের শাসন গণতান্ত্রিক সরকারের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে ৷

ক) নৈতিক অনুশাসন
খ) রাজনৈতিক ও সামাজিক অনুশাসন
গ) আইনের শাসন
ঘ) আইনের অধ্যাদেশ
Note :

নৈতিকতা একটি সামাজিক ব্যাপার ।
- যে সমাজের বাইরে বাস করে তার কোনো নৈতিকতার প্রয়োজন নেই ।
- মানুষ সমাজে বাস করলে তাকে যে ভালো মানুষ হিসেবে বাস করতে হবে এ শিক্ষা সে পেয়ে থাকে সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত নৈতিক অনুশাসন থেকে ।
- এ অনুশাসন ব্যক্তিকে শিক্ষা দেয় যে চুরি করা অন্যায়, মিথ্যা বলা ভালো নয় ইত্যাদি ।
- নৈতিক অনুশাসন মূলত স্বতঃসিদ্ধ ও সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত নীতিবাক্য । 

ক) মোহাম্মদ বরকতুল্রা
খ) জি. সি. দেব
গ) আরজ আলী মাতুব্বর
ঘ) আবদুল মতীন
Note :


আনুষ্ঠানিক উচ্চশিক্ষাবিহীন স্বশিক্ষিত একজন মননশীল লেখক ও যুক্তিবাদী দার্শনিক আরজ আলী মাতুব্বর বাংলাদেশের সমাজে জেঁকে বসা ধর্মীয় গোঁড়ামি ও অন্ধ কুসংস্কারের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা নৈতিক আদর্শকে কুঠারাঘাত করে, তার স্হলে বস্তুবাদী দর্শন ও বিজ্ঞানের মাধ্যমে সত্য আবিষ্কার করে সত্য , ন্যায় ও বিজ্ঞানের যথাযথ নীতি পদ্ধতিভিত্তিক নব নৈতিক আদর্শের সমাজের কথা চিন্তা করেছেন ৷

তবে জর্জ সিরিজের বই অনুসারে (পৃষ্ঠা -০৪) নব নৈতিকতার জনক বাঙ্গালী দার্শনিক গোবিন্দ চন্দ্র দেব বা জি.স.দেব। 

জব সলুশন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- অফিস সহায়ক 28-08-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- কম্পিউটার অপারেটর 28-08-2026

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন