কত সালে 'দুর্গেশনন্দিনী' উপন্যাস প্রথম প্রকাশিত হয়?
- দুর্গেশনন্দিনী সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম উপন্যাস।
- এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস।
- ১৮৬৫ সালের মার্চ মাসে এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়।
- ষোড়শ শতাব্দীর শেষভাগে উড়িষ্যার অধিকারকে কেন্দ্র করে মোঘল ও পাঠানের সংঘর্ষের পটভূমিতে এই উপন্যাস রচিত হয়।
- বঙ্কিমচন্দ্রের জীবদ্দশায় এই উপন্যাসের তেরোটি সংস্করণ প্রকাশিত হয় এবং ইংরেজি ও অন্যান্য ভারতীয় ভাষাতেও এটি অনূদিত হয়।
- দুর্গেশনন্দিনী, কপালকুন্ডুলা, চন্দ্রষেখর ও রাজসিংহ বঙ্কিমের চারটি ইতিহাস আশ্রয়ী রোমান্সধর্মী উপন্যাস। তার মধ্যে রাজসিংহ খাঁটি ঐতিহাসিক উপন্যাস।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস:
- যুগলাঙ্গুরীয়
- দুর্গেশনন্দিনী
- কপালকুন্ডলা
- চন্দ্রশেখর
- মৃণালিনী
- কৃষ্ণকান্তের উইল
- সীতারাম
- রজনী ইত্যাদি।
Related Questions
প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদের মহিলা কবি কুকুরীপা কর্তৃক রচিত ২ নং পদ “দুলি দুহি পিটা ধরণ ন জাই। রুখের তেগুলি কুম্ভীরে খাঅ॥" এর বাংলা অর্থ হলো: কচ্ছপকে দোহন করা দুগ্ধ পাত্রে ধরে না। গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়৷ পদটির গূঢ়ার্থ হলো: অপরিশুদ্ধ চিত্তে বোধি বা পরমজ্ঞানকে ধারণ করা যায় না। দেহের ইন্দ্রিয়াদি সকল কামনা - বাসনা, আশা আকাঙ্ক্ষাকে বিনাশ করে দেয়।
- বাংলায় সম্প্রদান কারকের প্রয়োজন নেই, এ কথা রবীন্দ্রনাথ অনেক আগেই বলেছিলেন।
- নতুন ব্যাকরণে সম্প্রদান কারক বাদ দেওয়া হয়েছে।
- আবার সম্বন্ধ কারক বলে নতুন কারক যুক্ত করা হয়েছে।
- তাই আগের মতোই কারক ছয় প্রকারই আছে।
ধ্বনি উচ্চারণ করতে যেমন প্রত্যঙ্গ কাজে লাগে, সেগুলোকে একত্রে বাগ্যন্ত্র বলে। মানবদেহের উপরিভাগে অবস্থিত ফুসফুস থেকে শুরু করে ঠোট পর্যন্ত ধ্বনি উৎপাদনে ব্যবহৃত প্রতিটি প্রত্যঙ্গই রাগযন্ত্রের বাগ্যসমূহ হলো। মূল অন্তর্ভুক্ত। আলভিত, অধিজিহ্বা, কোমল তালু, শক্ত তালু, ৬ষ্ঠ, নাসারন্ধ, নাসিকা শহর, মুখ, নিচের চোয়াল, গলবিনীয় হার, যন্ত্র, খাদ্যনালী, শ্বাসনালী, ফুসফুস ।বাগ্যন্ত্রের প্রধান প্রত্যঙ্গটি হলো ফুসফুস।
”নীল লোহিত” সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ছদ্মনাম।
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (৭ সেপ্টেম্বর ১৯৩৪ - ২৩ অক্টোবর ২০১২) বিশ শতকের শেষভাগে সক্রিয় একজন প্রথিতযশা বাঙালি সাহিত্যিক। বাংলাভাষী এই ভারতীয় সাহিত্যিক একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটোগল্পকার, সম্পাদক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট হিসাবে অজস্র স্মরণীয় রচনা উপহার দিয়েছেন। তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার জীবনানন্দ - পরবর্তী পর্যায়ের অন্যতম প্রধান কবি। একই সঙ্গে তিনি আধুনিক ও রোমান্টিক। তার কবিতার বহু পঙ্ক্তি সাধারণ মানুষের মুখস্থ। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় "নীললোহিত", "সনাতন পাঠক", "নীল উপাধ্যায়" ইত্যাদি ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন।
- কর্ণফুলী আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত একটি উপন্যাস।
- এটি ১৯৬২ সালে প্রকাশিত হয়।
- ষাটের দশকে আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত তেইশ নম্বর তৈলচিত্র (১৯৬০) ও কর্ণফুলী উপন্যাসটি ব্যাপক সাড়া জাগায়।
- আলাউদ্দিন আল আজাদের লেখা এ উপন্যাসটিতে প্রাধান্য পেয়েছে আদিবাসী মানুষের জীবনচিত্র।
জব সলুশন