'ঐ খেপেছে পাগলী মায়ের দামাল ছেলে' - কে এই দামাল ছেলে?
"ঐ খেপেছে পাগ্লি মায়ের দামাল ছেলে কামাল ভাই,
অসুর-পুরে শোর উঠেছে জোর্সে সামাল সামাল তাই।
কামাল! তু নে কামাল কিয়া ভাই!
হো হো কামাল! তু নে কামাল কিয়া ভাই!"
- কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
- অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থটি সেপ্টেম্বর, ১৯২২ সালে প্রকাশিত।
Related Questions
'আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর' গ্রন্থটি বিখ্যাত রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক ও সাহিত্যিক আবুল মনসুর আহমদ-এর লেখা।
’সপ্তকান্ড রামায়ণ’ বাগধারাটির অর্থ বৃহৎ বিষয়।
১৪শ শতকে মাধব কন্দলী অসমীয়া ভাষায় সম্ভকাও রামায়ণ নামে বাল্মীকি রামায়ণ অনুবাদ করেন। এটি সাতটি খণ্ডে বিভক্ত ছিল এবং আকার ছিল বড় ও বিস্তৃত।
কখনো কখনো জোর দেয়ার জন্য শব্দের অন্তর্গত ব্যঞ্জনের দ্বিত্ব উচ্চারণ হয়, তাকে ব্যঞ্জনদ্বিত্ব বা ব্যঞ্জনদ্বিত্বতা বলে।
- যেমন: বড় > বড্ড, পাকা > পাক্কা, সকাল > সক্কাল।
'নেকড়ে অরণ্য' একটি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস ।
বাংলা ভাষা ও সঙ্গীতের প্রাচীন নিদর্শন চর্যাপদ। ১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজগ্রন্থাগার থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন। বৌদ্ধ সহজিয়াগণের রচিত চর্যাপদ ১৯১৬ সালে কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে আধুনিক লিপিতে প্রকাশিত হয়। চর্যার পুঁথিতে ৫১ টি গান ছিল, যার সাড়ে ৪৬ টি পাওয়া গেছে। চর্যার অর্থ যা আচরণযোগ্য বা আচরণীয়। এই চর্যাপদ আবিষ্কারের ফলে বাংলাভাষার প্রাচীনত্বের প্রমাণ পাওয়া যায়। এই চর্যাপদই বাংলার প্রাচীনতম গ্রন্থ। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদকে সন্ধ্যা ভাষা বলেছেন; কারণ, এর ভাষা বাংলার আলো-আঁধারির মতো আবছা লাগে।
- দৌলত উজির বাহরাম খান (আনু. ১৬শ শতক) মধ্যযুগীয় বাংলা ভাষার কবি। তাঁর আত্মপরিচয় থেকে জানা যায় যে, তিনি চট্টগ্রামের ফতেয়াবাদ অথবা জাফরাবাদের অধিবাসী ছিলেন।
- পীরভক্ত বাহরাম খানের প্রকৃত নাম আসাউদ্দীন।
- তিনি অল্প বয়সে পিতৃহীন হলে চট্টগ্রামের অধিপতি নেজাম শাহ সুর তাঁকে পিতৃপদ (উজির) প্রদান করেন।
- বাহরাম খান দুটি আখ্যানকাব্য রচনা করেন: লায়লী-মজন ও ইমাম-বিজয়।
- উভয় কাব্যের উৎস আরবি সাহিত্য।
- লায়লী-মজনু মূলত আধ্যাত্মিক কাব্য, কিন্তু বাংলা অনুবাদে তা পরিণত হয়েছে মানবিক প্রেমকাব্যে।
- বাহরাম খানই প্রথম লায়লী-মজনুর মতো বিশ্বখ্যাত বিরহমূলক প্রেমকাহিনী নিয়ে বাংলা ভাষায় কাব্য রচনা করেন।
- একই কাহিনী অবলম্বনে মুহম্মদ খাতের ১৮৬৪ সালে দোভাষী পুথি এবং শেখ ফজলুল করিম ১৯০৩ সালে আখ্যানকাব্য রচনা করেন।
সোর্সঃ বাংলাপিডিয়া।
জব সলুশন