ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ কোন সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন?
যুবক নূর মোহাম্মদ শেখ ১৯৫৯-এর ১৪ মার্চ পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলস বা ইপিআর-এ যোগদান করেন।. দীর্ঘদিন দিনাজপুর সীমান্তে চাকরি করে ১৯৭০ সালের ১০ জুলাই নূর মোহাম্মদকে দিনাজপুর থেকে যশোর সেক্টরে বদলি করা হয়। এরপর তিনি ল্যান্স নায়েক পদে পদোন্নতি পান। ১৯৭১ সালে যশোর অঞ্চল নিয়ে গঠিত ৮নং সেক্টরে স্বাধীনতা যুদ্ধে যোগদান করেন।
Related Questions
প্রাচীন বাংলায় ‘সমতট’ বর্তমান কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল। এ জনপদের কেন্দ্রস্থল ছিল কুমিল্লা জেলার বড় কামতায় । হিউয়েন সাঙ-এর বর্ণনা অনুসারে সমতট জনপদের অবস্থান ছিল কামরূপের দক্ষিণে। উল্লেখ্য, বগুড়া ও দিনাজপুর অঞ্চল বরেন্দ্র জনপদের অংশ ছিল। ঢাকা ও ময়মনসিংহ অঞ্চল বঙ্গ জনপদের অংশ ছিল। বৃহত্তর সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চল ছিল হরিকেল জনপদের অংশ।
ছয়দফা কর্মসূচি পাকিস্তানের দু অংশের মধ্যকার বৈষম্য এবং পূর্ব বাংলায় পশ্চিম পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ উপনিবেশিক শাসনের অবসানের লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ ঘোষিত কর্মসূচি।
১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ৬ দফার প্রস্তাবসমূহ -
প্রস্তাব -১: শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি
প্রস্তাব - ২: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
প্রস্তাব -৩: মুদ্রা বা অর্থ সম্বন্ধীয় ক্ষমতা [অর্থনীতি বিষয়ক]
প্রস্তাব -৪ : রাজস্ব ,কর, বা শুল্ক সমন্ধীয় ক্ষমতা [অর্থনীতি বিষয়ক]
প্রস্তাব -৫ : বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা [অর্থনীতি বিষয়ক]
প্রস্তাব - ৬: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা
আর্যদের ধর্মগ্রন্থের নাম ছিল বেদ। বেদকে অপৌরুষের অর্থাৎ ঈশ্বরের বাণী বলে মনে করা হয়। সংস্কৃত ভাষার মহাকাব্য মহাভারতের মূল রচয়িতা কৃষ্ণ দ্বৈপায়ন ব্যাসদেব এবং রামায়ণের রচয়িতা কবি বাল্মীকি । উল্লেখ্য, আর্যজাতি ইরান থেকে এসেছিল। এদের আদি বাসস্থান ছিল ইউরাল পর্বতের দক্ষিণে তৃণভূমি অঞ্চলে। এরা ভারতের উত্তর পশ্চিম সীমান্ত অঞ্চল ও পাঞ্জাবে বসতি স্থাপন করেছিল । আর্য যুগকে বৈদিক যুগ বলা হয়।
বাংলাদেশ ওআইসির সদস্য পদ লাভ করে ১৯৭৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি । ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘেরও সদস্য পদ লাভ করে।
জব সলুশন