ফটোগ্র্যাফিক প্লেটে আবরণ থাকে-
ফটোগ্রাফিক প্লেটগুলি একটি হালকা-সংবেদনশীল ইমালসন দিয়ে লেপা হয় যাতে সিলভার হ্যালাইড স্ফটিক থাকে। সিলভার হ্যালাইড স্ফটিকগুলি সাধারণত একটি জেলটিন বা কোলোডিয়ন স্তরে স্থগিত থাকে যা একটি গ্লাস বা প্লাস্টিকের প্লেটে লেপা থাকে। যখন ইমালসন আলোর সংস্পর্শে আসে, তখন সিলভার হ্যালাইড স্ফটিক রাসায়নিকভাবে পরিবর্তিত হয়, একটি সুপ্ত চিত্র তৈরি করে। ফটোগ্রাফিক প্লেটে একটি দৃশ্যমান চিত্র তৈরি করতে রাসায়নিক প্রক্রিয়া ব্যবহার করে সুপ্ত চিত্রটি তৈরি করা যেতে পারে। ফটোগ্রাফিক প্লেটের ব্যবহার মূলত ডিজিটাল ফটোগ্রাফির দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়েছে, যা ইলেকট্রনিক ইমেজ সেন্সর ব্যবহার করে ছবি ধারণ ও সংরক্ষণ করে।
Related Questions
৬ মাস থেকে ৫ বছর (৫৯ মাস) বয়সী শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়াতে হয়। এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুকে ১টি নীল রঙের ক্যাপসুল (১ লক্ষ IU) এবং ১২ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুকে ১টি লাল রঙের ক্যাপসুল (২ লক্ষ IU) নিয়মমাফিক খাওয়ানো হয়।
যে কারণে শৈশব-অন্ধত্ব হতে পারে তা হলো হাম। এটি একটি সংক্রামক রোগ যা ঠিকমতো চিকিৎসা বা পুষ্টির অভাব হলে শিশুদের চোখে মারাত্মক কর্নিয়ার ক্ষতি করতে পারে।
ফলিক এসিডের প্রধান অন্য নাম হলো ভিটামিন বি৯ (Vitamin B9)। এছাড়া এটি প্রাকৃতিকভাবে খাবারে ফোলেট (Folate) নামে পরিচিত। এর রাসায়নিক নাম টেরেইল-এল-গ্লুটামিক এসিড বা পেটেরোয়িলগ্লুটামিক এসিড। অতীতে একে ভিটামিন বিসি বা ভিটামিন এম ও বলা হতো।
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যে সকল উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয় সেগুলোকে ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়।
- এরূপ উপাদানের সংখ্যা ১০টি। যথা - নাইট্রোজেন (N), পটাসিয়াম (K), ফসফরাস (P), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O), সালফার (S), কার্বন (C) এবং লৌহ (Fe)।
- ইউরিয়া সার থেকে উদ্ভিদ নাইট্রোজেন সংগ্রহ করে। ইউরিয়া সারে ৪৪-৪৬% নাইট্রোজেন থাকে।
- বায়ুমন্ডলে শতকরা প্রায় ৮০ ভাগ নাইট্রোজেন থাকা সত্ত্বেও উদ্ভিদ সরাসরি বায়ুমন্ডল থেকে নাইট্রোজেন গ্রহণ করতে পারে না।
- বাতাসের নাইট্রোজেন পানিতে মিশে মাটিতে শোষিত হওয়ার পরে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে।
- নাইট্রেট (NO3) হিসাবে উদ্ভিদ সাধারণত মাটি থেকে নাইট্রোজেন সংগ্রহ করে।
- বজ্রবৃষ্টির ফলে মাটিতে উদ্ভিদের খাদ্য উপাদান বৃদ্ধি পায় নাইট্রোজেন।
- কারণঃ আকাশে বিদ্যুক্ষরণের সময় নাইট্রোজেন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে নাইট্রোজেনের অক্সাইডসমূহ উৎপন্ন করে। এরপর এই অক্সাইডসমূহ পানির সাথে মিশে নাইট্রিক এসিড উৎপন্ন করে। নাইট্রিক এসিড বৃষ্টির পানির সাথে মিশে মাটিতে পতিত হয় এবং জমির ক্ষারীয় উপাদানের সাথে বিক্রিয়া করে নাইট্রেট (NO3) লবণ উৎপন্ন করে। এই নাইট্রেট (NO3) লবণ উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
জব সলুশন