UNESCO কত তারিখে ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়?
ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ২১ শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মায়ের ভাষাকে রক্ষার জন্য রাজপথে আন্দোলন হয় এবং পাকিস্তান সরকার বাহিনীর গুলিতে সালাম, বরকত, জব্বার সহ অনেকে শহীদ দেন। মায়ের ভাষার এমন বিরল দৃষ্টান্ত এর জন্য ইউনেস্কো এর ৩০ তম অধিবেশন এ ফ্রান্সের প্যারিসে বাংলাকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার মর্যাদা দিয়েছিল।
Related Questions
মুর্শিদ কুলি খান ছিলেন বাংলার প্রথম নবাব। ১৭০০ সালে সম্রাট আওরঙ্গজেব তাকে কার্তালাব খান নামে ইসলাম ধর্মে স্থানান্তরিত করেন ও বাংলার গভর্নর নিযুক্ত করেন
মুজিবনগর সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী ছিলেন এ. এইচ. এম. কামরুজ্জামান (আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামরুজ্জামান)। তিনি একাধারে স্বরাষ্ট্র, কৃষি এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অসম সাহসিকতা প্রদর্শন ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭৩ সালে মোট ৬৭৬ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে খেতাব প্রদান করা হয়। এর মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠ (৭ জন), বীর উত্তম (৬৮ জন), বীর বিক্রম (১৭৫ জন) ও বীর প্রতীক (৪২৬ জন)।
বর্তমানে খেতাবগুলো হলো:
বীরপ্রতীক- ৪২৪ জন
বীরবিক্রম- ১৭৪ জন
বীরউত্তম- ৬৭ জন মুক্তিযোদ্ধা (মোট ৬৮ জন)
বীরশ্রেষ্ঠ- ০৭ জন
মোট খেতাবধারী- ৬৭২ জন মুক্তিযোদ্ধা (মোট ৬৭৩ জন)
গত ৭ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের নির্মম হত্যাকান্ডের চার আসামীর খেতাব বাতিল করে।
তারা হলেন: লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম), লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম), লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক), নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)
বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদ হলাে পুণ্ড্র। বগুড়া, রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অবস্থানভূমিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠে পুণ্ড্র জনপদ। প্রাচীন পুণ্ড্র রাজ্যের রাজধানী ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর। সম্রাট অশােকের রাজত্বকালে প্রাচীন পুণ্ড্র রাজ্যের স্বাধীনতা বিলুপ্ত হয়।
বাংলাদেশের সংবিধান হলো দেশের সর্বোচ্চ আইন বা মৌলিক আইন। সংবিধান রক্ষার দায়িত্ব বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট এর ওপর ন্যাস্ত। তাই, সংবিধান এর রক্ষক সুপ্রিম কোর্ট। অপর দিকে গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ হলো বিচার বিভাগের স্বাধীনতা।
এনজাইম, অ্যান্টিবডি এবং হরমোন—এ মৌলিক বা প্রধান উপাদান হলো প্রোটিন। এরা সবাই অ্যামিনো অ্যাসিডের সমন্বয়ে গঠিত জৈব অণু যা মানবদেহের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শারীরবৃত্তীয় কাজ পরিচালনা করে।
জব সলুশন