বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকে কয়টি তারকা আছে?
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকে ৪টি (চারটি) তারকা আছে। পাটপাতার উভয় পাশে দুটি করে এই তারকাগুলো অবস্থান করে।
Related Questions
- ”ধূমকেতু” পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম ।
- ধূমকেতু কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত একটি দ্বি - সাপ্তাহিক পত্রিকা, যা ১৩২৯ বঙ্গাব্দের ২৬ শ্রাবণ (১৯২২ সালের ১১ আগস্ট) প্রথম প্রকাশিত হয়।
- পত্রিকাটি শুরুতে ফুলস্কেপ কাগজের চার পৃষ্ঠায় মুদ্রিত হতো এবং পরে আট পৃষ্ঠায় মুদ্রিত হতো।
- পত্রিকাটির সর্বশেষ সংস্করণ ১৯২৩ সালের মার্চ মাসে প্রকাশিত হয়েছিল।
- এর প্রথম সংখ্যায় নজরুলের কবিতা ‘ধূমকেতু’ প্রকাশিত হয়।
- এই পত্রিকাকে আশীর্বাদ করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছিলেন, কাজী নজরুল ইসলাম কল্যাণীয়েষু, আয় চলে আয়রে ধূমকেতু।
২৩ মার্চ ২০১৯ প্রকাশিত গেজেট অনুযায়ী ,বর্তমানে দেশে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা ৫০ টি। বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সিংহভাগ পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং ময়মনসিংহ , সিলেট ও রাজশাহী অঞ্চলে বসবাস করে । বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হল চাকমা। এছাড়া রয়েছে গারো, ত্রিপুরা, সাঁওতাল,মনিপুরী ইত্যাদি।
সিয়েরা লিওন ২০০২ সালে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের অবদানের সম্মানার্থে বাংলা ভাষাকে তাদের অন্যতম সম্মানসূচক বা সরকারি ভাষা হিসেবে ঘোষণা করেছিল। তবে পরবর্তীতে বিভিন্ন তথ্যানুসন্ধানে জানা যায় যে, আইনগত বা দাপ্তরিকভাবে বাংলা দেশটির দ্বিতীয় কোনো রাষ্ট্রভাষা বা সরকারি ভাষা নয়, বরং এটি ছিল একটি বিশেষ সম্মান প্রদর্শন।
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটি ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারিতে ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে সাংবাদিক ও লেখক আবদুল গাফফার চৌধুরী রচনা করেন।
তমদ্দুন মজলিসের প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল আবুল কাসেম। ভারত বিভাগের পরপরই ১৯৪৭ সালের ১লা সেপ্টেম্বরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাসেম ঢাকায় তমদ্দুন মজলিস প্রতিষ্ঠা করেন।
- পূর্ববঙ্গ ও আসাম ছিল ব্রিটিশ ভারতের একটি স্বল্পকাল স্থায়ী প্রদেশ। ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর লর্ড কার্জনের সময়ে বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে দুটো প্রদেশ করা হয় যা বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের পর এই প্রদেশ গঠিত হয়। ১৯০৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর বঙ্গভঙ্গের ঘোষণা প্রদান করা হয় এবং ১৬ অক্টোবর থেকে তা কার্যকর হয়।
- ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগ এবং আসাম নিয়ে গঠিত হয় 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম' প্রদেশ। এ প্রদেশের রাজধানী স্থাপিত হয় ঢাকায়। পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত হয় পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ। এ প্রদেশের রাজধানী হয় কলকাতা।
জব সলুশন