বিশ্বব্যাংক কবে বাংলাদেশকে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে?
বিশ্বব্যাংক ১ জুলাই, ২০১৫ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে তালিকাভুক্ত ও স্বীকৃতি প্রদান করে।
Related Questions
সঠিক উত্তর জন্মভূমির আশ্রয়
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গভীর দেশপ্রেমমূলখ ‘জন্মভূমি’ কবিতার ‘অঙ্গ জুড়ায় তোমার ছায়ায় এসে’ পঙক্তির ‘ছায়া’ বলতে নিজ জন্মভূমিতে আশ্রয় পাওয়ার কথা বোঝাতে চেয়েছেন।
২০২০-২০২১ অর্থবছরে বাংলাদেশের চূড়ান্ত জিডিপি (GDP) প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৬.৯৪ শতাংশ। শুরুতে প্রাক-মূল্যায়ন বা সাময়িক হিসাবে এই হার ৫.৪৩ শতাংশ ধরা হলেও, পরবর্তীতে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)-এর চূড়ান্ত হিসেবে প্রবৃদ্ধির এই নতুন তথ্য প্রকাশিত হয়।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (GDP) সেবা খাতের অবদানই সবচেয়ে বেশি।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে (FY25) জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ছিল প্রায় ৫১.২৪%।
- একই অর্থবছরে শিল্প খাতের অবদান ছিল প্রায় ৩৭.৬৫% এবং কৃষি খাতের অবদান ছিল প্রায় ১১.২%।
- ২০২৫ সালের প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, সেবা খাতের অবদান ৫৫-৬০% পর্যন্ত হতে পারে।
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) সামগ্রিক জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছিল ৪.৫০%। এ সময়ে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধি ছিল ৩.৬৭%, শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি ছিল ৬.৯৭% এবং কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি ছিল ২.৩০%।
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) সামগ্রিক জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে ৩.০৩% হয়। এই প্রান্তিকে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধি ছিল ৪.৪৫%, শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি ছিল ১.২৭% এবং কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি ছিল ৩.৬৮%।
- এই তথ্যগুলো বাংলাদেশের অর্থনীতির কাঠামোগত পরিবর্তনকে নির্দেশ করে, যেখানে সেবা খাতের ভূমিকা ধারাবাহিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে এবং জিডিপিতে এর অবদান শীর্ষে রয়েছে।
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- সর্বশেষ ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুষ্ঠিত হয় ২০২২ সালে।
বিভিন্ন আদমশুমারিতে বাংলাদেশর জনসংখ্যা:
- প্রথম আদমশুমারি ১৯৭৪ সালে : ৭.৬৪ কোটি
- দ্বিতীয় আদমশুমারি ১৯৮১ সালে : ৮.৭১ কোটি
- তৃতীয় আদমশুমারি ১৯৯১ সালে : ১০.৬৩ কোটি
- চতুর্থ আদমশুমারি ২০০১ সালে : ১২.৪৩ কোটি
- পঞ্চম আদমশুমারি ২০১১ সালে : ১৪.৯৭ কোটি
- ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ সালে : ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৪১ নং অনুচ্ছেদে ‘ধর্মীয় স্বাধীনতা’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বাংলাদেশ চা বোর্ডের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বাংলাদেশে মোট ১৭২টি নিবন্ধিত চা বাগান রয়েছে।
- প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্য (জানুয়ারি, ২০২৬) অনুযায়ী, মৌলভীবাজার জেলায় সর্বাধিক ৯১টি চা বাগান রয়েছে।
- এটি দেশের মোট চা বাগানের অর্ধেকেরও বেশি এবং এ কারণে মৌলভীবাজারকে বাংলাদেশের চায়ের রাজধানী বলা হয়।
- জুলাই, ২০২৫ সালের তথ্য অনুযায়ী, অন্যান্য জেলায় চা বাগানের সংখ্যা নিম্নরূপ ছিল:
- হবিগঞ্জে: ২৫টি
- চট্টগ্রামে: ২২টি
- সিলেটে: ১৯টি
- পঞ্চগড়ে: ১০টি
- রাঙামাটিতে: ২টি
- ঠাকুরগাঁওয়ে: ১টি
- এই তথ্য অনুযায়ী, মৌলভীবাজার জেলায় বাংলাদেশের অন্য যেকোনো জেলার চেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে।
জব সলুশন