বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হবার ন্যূনতম বয়স কত?
সংবিধানের ৬৬নং ধারা অনুযায়ী কোনো ব্যাক্তি বাংলাদেশের নাগরিক হলে এবং তার বয়স পঁচিশ বছর পূর্ণ হলে তিনি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় এবং সংসদ সদস্য থাকার যোগ্য হবেন। উল্লেখ্য, সংবিধানে প্রধানমন্ত্রী আলাদা কোনো বয়সের উল্লেখ নেই। তবে সংবিধানের ৫৬(২) ধারায় বলা হয়েছে, ‘প্রধানমন্ত্রী, অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন’ এবং ৫৬(৩) ধারায় বলা হয়েছে, ‘যে সংসদ সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলিয়ে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হইবেন, রাস্ট্রপতি তাহাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করিবেন।‘ সুতরাং সংবিধানের এ ধারাগুলো পর্যালোচনা করে বলতে পারি, যেহেতু যে কোনো সংসদ সদস্যই সংখ্যাগরিষ্ঠ্যের আস্থাভাজন হলেই প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন সুতরাং প্রধানমন্ত্রীর বয়সও হবে সংসদ সদস্য হওয়ার বয়সের সমান অর্থাৎ ২৫ বছর।
Related Questions
১ম পদ = ১ ২য় পদ = ১ + ৩ = ৪ ৩য় পদ = ৪ + ৩ = ৭ ৪র্থ পদ = ৭ + ৩ = ১০ ৫ম পদ = ১০ + ৩ = ১৩ ৬ষ্ঠ পদ = ১৩ + ৩ = ১৬ ৭ম পদ = ১৬ + ৩ = ১৯
- ৫ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে, সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন Newsweek-এর প্রতিবেদনে লোবেন জেঙ্কিন্স বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'রাজনীতির কবি' বা Poet of Politics বলে আখ্যায়িত করেছিলেন।
- সকল শ্রেণী ও আদর্শের অনুসারীদের একতাবদ্ধ করার জন্য বঙ্গবন্ধুর জীবন দর্শন ছিল অতুলনীয়।
- তাঁর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ ছিল এক অনবদ্য কবিতা, যা বাঙালির মুক্তিকামনার অমোঘ প্রকাশ।
- তাঁর অসামান্য বক্তৃতা, আবেগপূর্ণ ভাষা এবং দূরদর্শিতা তাকে একজন 'মহাকবি' হিসেবে বিশেষিত করে।
১০% লাভে বিক্রয়মূল্য ২২০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ১০০% = ২০০ টাকা । ৫০টি কলার ক্রয়মূল্য ২০০ টাকা হলে ১০০ টি কলার ক্রয়মূল্য ৪০০ টাকা ।
- শিশু মৃত্যুহার কমানোর জন্য বাংলাদেশ ২০১০ সালে এমডিজি অ্যাওয়ার্ড লাভ করে ।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের পক্ষে এ পুরষ্কার গ্রহণ করেন ।
- এছাড়া ২০১০ সালে নেপাল, কম্বেডিয়া, সিয়েরা লিওন, লাইবেরিয়া ও রুয়ান্ডা এমডিজির বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফলতার জন্য এ অ্যাওয়ার্ড লাভ করে ।
ক্রয়মূল্য = (৩৮০ + ২০) টাকা = ৪০০ টাকা
৪০০ টাকায় ক্ষতি হয় ২০ টাকা
∴ ১ টাকায় ক্ষতি হয় (২০/৪০০) টাকা
∴ ১০০ টাকায় ক্ষতি হয় (২০/৪০০) × ১০০ টাকা = ৫ টাকা
∴ ক্ষতির শতকরা হার ৫%
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিল বর্তমানে সাতটি। এ তফসিলগুলো সংবিধানের মূল কিছু অনুচ্ছেদের বিবরণ হিসেবে কাজ করে থাকে। সাতটি তফসিলের শিরোনামগুলো নিম্নরুপ : ১. অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন (অনুচ্ছেদ ৪৭) ২. দ্বিতীয় তফসিল বিলুপ্ত ৩. শপথ ও ঘােষণা (১৪৮ অনুচ্ছেদ ১৪৮) ৪. ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী [১৫০ (১) অনুচ্ছেদ] ৫. ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক প্রদত্ত ভাষণ।[১৫০ (২) অনুচ্ছেদ] ৬. ১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চ মধ্যরাতে অর্থাৎ ২৬ শে মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা [১৫০(২) অনুচ্ছেদ) ] ৭. ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিলে মুজিবনগর সরকারের জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণপত্র [১৫০(২) অনুচ্ছেদ]
জব সলুশন