আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয় কোন তারিখে?
নারীদের প্রতি শ্রদ্ধা, তাদের কাজের স্বীকৃতি এবং নারীর সম-অধিকার প্রতিষ্ঠায় ১৯১৪ সাল থেকে বিভিন্ন দেশে নারী দিবস পালন করে থাকে। ১৯৭৫ সাল থেকে জাতিসংঘ ৮ মার্চকে ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস' হিসেবে পালন করে আসছে।
Related Questions
বাংলাদেশের হয়ে একদিনের ক্রিকেটে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হলেন লিটন দাস। ২০২০ সালের ৬ মার্চ সিলেট স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে তিনি ১৪৩ বলে ১৭৬ রান করেন যা বাংলাদেশের যেকোন ব্যাটসম্যানের পক্ষে সর্বাধিক। এর আগের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস ছিলো তামিম ইকবালের (১৫৮ রান)।
ইয়েমেন দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়াতে আরব উপদ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তে ওমান ও সৌদি আরবের মধ্যখানে অবস্থিত।
নাফিস বিন যাফর (জন্ম: অক্টোবর ৮, ১৯৭৮) একজন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশী সফটওয়্যার প্রকৌশলী এবং অ্যানিমেশন বিশেষজ্ঞ। নাফিস প্রথম বাংলাদেশী ব্যক্তি হিসেবে ২০০৭ সালে অস্কার পুরস্কার জেতেন। হলিউডের পাইরেটস অফ দ্য ক্যারিবিয়ান: অ্যাট ওয়ার্ল্ড’স এন্ড চলচ্চিত্রে ফ্লুইড অ্যানিমেশনের জন্য সায়েন্টিফিক অ্যান্ড টেকনিক্যাল বিভাগে ডিজিটাল ডোমেইন নামে ভিজ্যুয়াল ইফেক্টস ডেভেলপার কোম্পানির হয়ে দুই সহকর্মী ডাগ রোবেল ও রিয়ো সাকাগুচি সাথে নাফিস এ পুরস্কার জেতেন।
-SDG -এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals ।
- এটি সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য বা MDG'র মতো জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত আরেকটি উন্নয়ন পরিক্রমা ।
- যা ২০১৫ সালের পর এমডিজি'র স্থলে প্রতিস্থাপিত হয়ে এর অগ্রগতির ধারা আরও বেগবান করার অভিপ্রায়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭০তম অধিবেশ্নে গৃহীত হয় ১৫ বছর মেয়াদি এ SDG ।
- ১৭টি লক্ষ্যকে সামনে রেখে ২ আগষ্ট ২০১৫ সর্বসম্মতভাবে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (SDG) গৃহীত হয় ।
ব্রিটিশ শাসনামলে মুসলমানেরা চিন্তা-চেতনায়, জ্ঞানে-গরিমায়, সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে হিন্দুদের থেকে পিছিয়ে ছিল।
- এ অবস্থা থেকে মুসলিম সমাজকে জাগিয়ে তোলার জন্য কাজী আবদুল ওদুদ, আবুল হোসেন, কাজী মোতাহের হোসেন, আবুল ফজল, আবদুল কাদির প্রমুখ ব্যক্তিবর্গ "ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজে এর মাধ্যমে যে আন্দোলন শুরু করেন, তাই বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন।
- ১৯২৭ সালে আবুল হোসেনের সম্পাদনায় এ সংগঠনের মুখপত্র "শিখা" পত্রিকা প্রকাশিত হয়।
- শিখা পত্রিকার স্লোগান ছিলো। "জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট মুক্তি সেখানে অসম্ভব'। 'শিখা' পত্রিকার এ স্লোগানই বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের স্লোগান হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বর্তমান শিক্ষানীতি সব দিক দিয়েই সুবিধাজনক অবস্থায় ছিল।
- প্রয়াত জাতীয় অধ্যাপক কবীর চৌধুরীর নেতৃত্বে ২০০৯ সালের ৮ এপ্রিল যখন এই শিক্ষানীতি প্রণয়ন কমিটি হয়, তখন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় ছিল।
- ২০১০ সালের মে মাসে কমিটির সুপারিশ করা শিক্ষানীতি মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়।
জব সলুশন