বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণে 'TRC' এর পূর্ণরূপ কী?
১ মার্চ ১৯৭১ সালে ইয়াহিয়া খান পূর্ব ঘোষিত ৩ মার্চ ঢাকায় পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের ডাকা অধিবেশন স্থগিত করলে প্রতিবাদে বাঙালি জনতা রাস্তায় নেমে এসে প্রতিবাদ মিছিল শুরু করে। জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিতের প্রেক্ষিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২ মার্চ ঢাকায় এবং ৩ মার্চ সারাদেশে হরতাল এবং ৭ মার্চ রেসকোর্স (সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে) ময়দানে জনসভা আহ্বান করেন। ৭ মার্চ, ১৯৭১ সালে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) লাখো মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সমাবেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে ভাষণ দেন তা ইতিহাসে '৭ মার্চ ভাষণ' নামে পরিচিত। এ ভাষণটির স্থায়ীত্বকাল ছিল প্রায় ১৯ মিনিট (১৮.৩৯ সেকেন্ড)। এ ভাষণের এক পর্যায়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেন, ২৫ তারিখে অ্যাসেম্বলি কল করেছে। রক্তের দাগ শুকায় নাই। আমি ১০ তারিখে সিদ্ধান্ত নিয়েছি ঐ শহীদের রক্তের উপর পাড়া দিয়ে Round Table Conference (RTC) আরটিসিতে মুজিবুর রহমান যোগদান করতে পারে না।
Related Questions
দুই হাজার তের সালে প্রথম ব্রি-৬২ নামে জিংক সমৃদ্ধ একটি নতুন ধানের জাত উদ্ভাবনের ঘোষণা দেন ধান গবেষণা ইন্সটিটিউটের বিজ্ঞানীরা। এরপর একে একে আসে ব্রি-৬৪, ব্রি-৭২, ব্রি-৭৪, ব্রি-৮৪ এবং ব্রি-১০০। দেশে এখন এই মোট ছয় জাতের জিংক সমৃদ্ধ ধানের উৎপাদন হচ্ছে।
জন্মের পরই শিশুর মাতা-পিতার মধ্যে অধিকতর কাছের মানুষ হলেন মা। আর সামাজিকীকরণের প্রথম সূত্রপাত ঘটে মায়ের কাছে। ফলে শিশুর ভাষা শিক্ষার প্রথম মাধ্যম মা। মা শিশুর প্রতি যেসব খাদ্যের ঝোঁক সৃষ্টি করেন, শিশুর খাদ্যাভাস ও আচরণে তার প্রভাব লক্ষ করা যায়। শিশু বর্ণশিক্ষা, শব্দ শিক্ষা, ছড়া শিক্ষা মা-ই প্রথম দিয়ে থাকেন। মা প্রথম শিশুকে পারিবারিক, সামাজিক নিয়ম- শৃঙ্খলা ও নীতিবোধের শিক্ষা দেয়।
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এর হিসাব মতে, ধান উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষ দেশ চীন। দেশটি বিশ্বের মোট উৎপাদনের প্রায় ৩০% ধান উৎপাদন করে, যার পরিমাণ ১৪.৮৫ কোটি টন। তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ভারত। দেশটি মোট ১১.৬৪ কোটি টন ধান উৎপাদন করে। বিশ্বে ধান উৎপাদনে বাংলাদেশ তৃতীয়।
জননী ও গর্বিত বর্ণমালা ভাস্কর্য দেখা যায় একজন মা তার মৃত সন্তানকে কোলে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। তার সামনে একটি সবুজ বৃত্তে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে কয়েকটি বাংলা বর্ণ। পেছনে লাল বৃত্তে রয়েছে ‘২১’ এবং ‘ব ও ‘ক’।ঢাকার পরিবাগে নির্মাণ করা হয়েছে একুশের এ ভাস্কর্যটি। এটির নকশা করেছেন শিল্পী মৃণাল হক
জব সলুশন