জুম চাষ হয়—
জুম বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে সর্বাধিক প্রচলিত চাষাবাদ পদ্ধতি। এর প্রকৃত অর্থ হলো স্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে চাষাবাদ করা। জুম বা স্থানান্তর চাষাবাদ সাধারণভাবে 'সুইডেন চাষাবাদ' বা জঙ্গল পরিষ্কার ও পোড়ানো চাষাবাদ হিসেবে পরিচিত। জুম চাষ পার্বত্য অঞ্চলের (রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান) ক্ষুদ্র - নৃগোষ্ঠীদের জীবন - জীবিকার প্রধান অবলম্বন।
Related Questions
পাকিস্তান সরকার ১৯৫৪ সালের মার্চে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে /পূর্ব বাংলায় প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার ঘোষণা দেয়। এ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের বিরুদ্ধে বিজয় নিশ্চিত করতে ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর পূর্ব বাংলার কয়েকটি বিরোধী দলের সমন্বয়ে 'যুক্তফ্রন্ট নামে একটি ঐক্যজোট গঠিত হয়। যুক্তফ্রন্টের দলগুলো ছিল আওয়ামী মুসলিম লীগ ,কৃষক - শ্রমিক পার্টি, নেজামে ইসলাম ও গণতন্ত্রী দল। মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, হোসেন শহীদ সোহরায়ার্দী ,শেরে বাংলা এ কে. ফজলুল হক ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান 'যুক্তফ্রন্ট' প্রদত্ত ২১ দফা পূর্ব বাংলার জনসমক্ষে তুলে ধরেন। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের কারণে নির্বাচন যুক্তফ্রন্ট ২২৩ টি আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে। নবাব স্যার সলিমুল্লাহ ১৯০৬ সালে 'অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ' প্রতিষ্ঠা করেন।
পাকিস্তান সৃষ্টির পর যখন বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির উপর প্রথম আঘাত আসে, তখন বাঙালি জনগণ বিশেষ করে যুবসম্প্রদায় ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি রক্ষার জন্য ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে। শুরু হয় ভাষা আন্দোলন। মূলত তখন থেকেই বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা পূর্ব বাংলার ভাষা আন্দোলন পরবর্তীতে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ জন্মের পথ সুগম করে। এ আন্দোলনের পরিসমাপ্তি ঘটে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি সালাম, বরকত, রফিক ,জব্বারসহ নাম না জানা অনেকের জীবন বিসর্জনের মধ্য দিয়ে।
পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধিকার প্রশ্নে ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সম্মিলিত ৬ দফাভিত্তিক ঘোষণা উত্থাপন বা পেশ করেন। এটাই ইতিহাসে ‘ছয় দফা কর্মসূচি’ নামে পরিচিত।
মোগল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা জহিরউদ্দিন মুহম্মদ বাবর তুর্কি ভাষায় 'তুজুক-ই-বাবুরী' বা বাবরনামা নামে তার জীবন স্মৃতি রচনা করেন । তিনিই প্রথম আত্মজীবনী রচনাকারী মোগল সম্রাট । এটি মোগল রাজ কর্মকর্তা বৈরাম খান-ই-খানানের পুত্র আবদুল রহিম খান-ই-খানান কর্তৃক ফারসি ভাষায় অনূদিত হয় । এছাড়া মোগল সম্রাট জাহাঙ্গীরের আত্নচরিত্র বা স্মৃতিকথা রচিত হয় 'তুজুক-ই-জাহাঙ্গীরী' নামে । আর খ্রিষ্টীয় ষোড়শ শতাব্দীতে রচিত সম্রাট আকবরের প্রশাসনের বিস্তারিত বর্ণনা সমৃদ্ধ একটি নথি 'আইন-ই-আকবরী' ।
গৌড়, বঙ্গ, পুণ্ড্র , হরিকেল, সমতট, বরেন্দ্র , তাম্রলিপ্ত ও চন্দ্রদ্বীপ প্রভৃতি জনপদ নিয়ে গড়ে উঠেছিল সিলেট ও চট্রগ্রামের অংশবিশেষ নিয়ে। বগুড়া, দিনাজপুর ও রাজশাহী জেলা পুণ্ড্র জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
জব সলুশন