বাংলাদেশের জাতীয় আয় গণনায় দেশের অর্থনীতিকে ক’টি খাতে ভাগ করা হয়?
বাংলাদেশের জাতীয় আয় গণনায় দেশের অর্থনৈতিককে বৃহৎ তিনটি খাত- কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতে বিভক্ত করা হয় ।
এছাড়া, সার্বিকভাবে ১৯টি খাতকে কেন্দ্র করে দেশের জাতীয় আয় পরিমাপ করা হয় । এ ১৯ টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপ খাতে বিভক্ত ।
- ২০২১ সালের আগে ছিল মোট ১৫টি, এখন ২১টি
- কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য- এ দুটি খাত সমন্বয়ে বৃহৎ কৃষি খাত গঠিত ।
- আবার, খনিজ ও খনন; শিল্প ( ম্যানুফ্যাকচারিং); বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সম্পদ এবং নির্মাণ খাত নিয়ে বৃহৎ শিল্প খাত গঠিত ।
- এছাড়া, পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য হোটেল ও রেস্তোরাঁ; পরিবহন, সংরক্ষণ ও যোগাযোগ; আর্থিক প্রতিষ্ঠানিক সেবা; রিয়েল এস্টেট; ভাড়া ও অন্যান্য ব্যবসা; লোক প্রশাসন ও প্রতিরক্ষা; শিক্ষা; স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা এবং কমিউনিটি, সামাজিক ও ব্যক্তিগত সেবা খাতসমূহ নিয়ে বৃহৎ সেবা খাত গঠিত ।
Related Questions
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হবার ন্যূনতম বয়স ৩৫ বছর।
উত্তর হলো সুশীল সমাজ ,এটি এমন একটি শিক্ষিত ও সচেতন গোষ্ঠী যা সরকারি ক্ষমতা বা ব্যবসায়িক বলয়ের বাইরে থেকে সমাজে নীতি, নৈতিকতা এবং জনমত গঠনে জোরালো প্রভাব রাখে।
আইন প্রণয়নের ক্ষমতা হলো নতুন নিয়ম তৈরি করা এবং পুরোনো নিয়ম বদল করার বা বাতিল করার বিশেষ অধিকার। এটি সাধারণত দেশের জাতীয় সংসদ বা আইনসভার ওপর ন্যস্ত থাকে।
স্থানীয় সরকার বলতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে বোঝায়। প্রফেসর আর এম জ্যাকসন বলেন, 'স্থানীয় সরকার মূলত সম্প্রদায়ের কল্যাণে বিভিন্ন সেবামূলক কাজ পরিচালনা করার এক পদ্ধতি বিশেষ।' ২০০৮ সালের মে মাসে জারিকৃত অধ্যাদেশ অনুসারে বর্তমানে বাংলাদেশে গ্রামাঞ্চলে তিন স্তর বিশিষ্ট এবং শহরাঞ্চলে দুই স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকারব্যবস্থা বিদ্যমান। স্তরগুলো হলো- গ্রাম পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদ এবং শহর পর্যায়ে- পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন।
দেশের কোনো এলাকাতেই ভোটার হননি এমন ব্যক্তি সংসদ নির্বাচনে কোনোক্রমেই প্রার্থী হতে পারবেন না। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য দেশের যেকোনো একটি নির্বাচনী এলাকার ভোটার তালিকায় নাম থাকা বা ভোটার হওয়া আবশ্যক।
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালে। বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৮ ও ১১৯ নম্বর ধারায় নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা এবং এর দায়িত্ব সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। সংবিধানের ১১৮(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, 'প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে এবং উক্ত বিষয়ে প্রণীত কোনো আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করিবেন'। ১১৮ (৩) ধারায় বলা হয়েছে, 'এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে কোনো নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদ তাহার কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসরকাল হইবে'।
জব সলুশন