কোনটি জলবায়ুর উপাদান নয়?
কোনো স্থানের বায়ূর তাপ, বায়ূর চাপ, বায়ূর আর্দ্রতা, বায়ূপ্রবাহ এবং বারিপাত বা অধঃক্ষেপ হলো আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদান । অন্যদিকে জলবায়ুর নিয়ামক অর্থাৎ যেসকল অবস্থা জলবায়ুকে নিয়ন্ত্রণ করে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো- সমুদ্রস্রোত, অক্ষাংশ, বৃষ্টিপাত, উচ্চতা, পর্বতের অবস্থান ইত্যাদি ।
Related Questions
সাহেল বা সহিল পশ্চিম আফ্রিকার একটি অঞ্চল, যা উত্তরের মরুময় সাহারা এবং দক্ষিণের আর্দ্র ক্রান্ত্রীয় অঞ্চলের মধ্যবর্তী একটি পরিবর্তনশীল অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে উত্তর আমেরিকার মধ্য অক্ষাংশের অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত তৃণভূমিকে প্রেইরি বলে। আর সুমেরু ও কুমেরু বৃত্তের মধ্যবর্তী অঞ্চল যা প্রায় সারা বছর বরফাচ্ছন্ন থাকে তাকে তুন্দ্রা অঞ্চল বলে।
গাজীপুর জেলাতে প্লাইস্টোসিন চত্বরভূমি (বিশেষ করে মধুপুর গড়ের অংশ) রয়েছে। বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিন কালের চত্বরভূমিগুলো মূলত বরেন্দ্র ভূমি, মধুপুর গড় এবং লালমাই পাহাড় হিসেবে পরিচিত।
বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করায় এখানে ক্রান্তীয় জলবায়ু বিরাজমান । কিন্তু মৌসুমি বায়ুর প্রভাব এ দেশের জলবায়ুর উপর এত বেশি যে সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের জলবায়ু, 'ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু' নামে পরিচিত। উষ্ণ ও আর্দ্র গ্রীষ্মকাল এবং শুষ্ক শীতকাল এ জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য।
বাংলাদেশের পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় কর্তৃক বাস্তবায়িত এফসিডি আই প্রকল্পের পূর্ণরূপ হলো- 'বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিস্কাশন ও সেচ প্রকল্প (Flood Control, Drainage and Irrigation Projects)' । প্রধানত বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন এবং সেচ সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যেই এ প্রকল্প গ্রহণ করা হয় ।
ভূতাত্ত্বিকভাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন বা প্রাচীন ভূমিরূপ হলো দক্ষিণ-পূর্ব এবং উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি ভূমি । টারশিয়ারী যুগে হিমালয় পর্বত উথিত হওয়ার সময় এ পাহাড়সমূহ সৃষ্টি হয়েছিল । রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার ও চট্রগ্রাম জেলার পূর্বাংশ ছাড়াও ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জ জেলার পাহাড়ি ভূমি টারশিয়ারী যুগের ভূমিরূপের অন্তর্ভুক্ত ।
ওজন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষন বিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি হল ১৯৮৭ সালের মন্ট্রিল প্রটোকল। এটি একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পদার্থের ব্যবহার নিষিদ্ধ বা সীমিত করার জন্য ভিয়েনা কনভেনশনের আওতায় ওজোনস্তর ধ্বংসকারী পদার্থের ওপর মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হয়। প্রটোকলটি ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর মন্ট্রিল, কানাডায় স্বাক্ষরিত হয়েছিল এবং ১৯৮৯ সালে কার্যকর হয়েছিল। প্রটোকলটি বর্তমানে ১৯৭টি দেশ দ্বারা অনুমোদিত হয়েছে।
-মন্ট্রিল প্রটোকল হল ওজোন স্তর রক্ষার ক্ষেত্রে সবচেয়ে সফল আন্তর্জাতিক চুক্তি। প্রটোকলের ফলে ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পদার্থের ব্যবহার ৯৯% কমে গেছে। প্রটোকলের ফলে ওজোন স্তর ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধার হচ্ছে।
-মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোন স্তর রক্ষার ক্ষেত্রে একটি অসামান্য সাফল্য। প্রটোকলটি বিশ্বের দেশগুলিকে একত্রিত করে এবং ওজোন স্তর রক্ষার জন্য একটি কার্যকর ব্যবস্থা তৈরি করে। প্রটোকলটি ওজোন স্তরকে ধ্বংস থেকে রক্ষা করেছে এবং ভবিষ্যতে ওজোন স্তরকে রক্ষা করবে।
জব সলুশন