ডেঙ্গু রোগ ছড়ায়—

ক) Aedes aegypti মশা
খ) House flies
গ) Anopheles মশা
ঘ) ইঁদুর ও কাঠবেড়ালী
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

'ডেঙ্গু' ভাইরাসজনিত মশাবাহিত একটি মারাত্মক রোগ। এডিস মশার কামড়ে বিশেষ করে Aedes aegypti ( এডিস এজিপটাই ) প্রজাতির মশার মাধ্যমে এটা ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়া এডিস - এলবোপিকটাস মশার কামড়েও ডেঙ্গু রোগ ছড়াতে পারে। Anopheles মশার কামড়ে ম্যালেরিয়া রোগ হয়।

Related Questions

ক) ৩০ দিনের মধ্যে ভ্যাকসিন দিতে হবে
খ) ৭ দিন ইনকিউবেটরে রাখতে হবে
গ) জন্মের ১২ ঘন্টার মধ্যে ভ্যাকসিন ও এইচবিআইজি (HBIG) শট দিতে হয়
ঘ) জন্মের ১ মাস পর কেবলমাত্র (HBIG) শট দিতে হয়
Note :

যদি কোনো মা হেপাটাইটিস-বি দ্বারা আক্রান্ত থাকেন তবে তার গর্ভজাত সন্তানকে জন্মের ১২ ঘন্টার মধ্যে ভ্যাক্সিন দিতে হবে । তবে এর সাথে এইচবিয়আইজি (HBIG) -এর শটও দিতে হবে এ ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য । মায়ের শরীরের হেপাটাইটিস-B -এর জীবাণুর উপস্থিতি সনাক্ত না হলে শিশুর জন্মের পর ২৪ ঘন্টার মধ্যে ভ্যাক্সিন প্রয়োগ করলেও চলে । 

ক) পিসিকালচার
খ) এপিকালচার
গ) মেরিকালচার
ঘ) সেরিকালচার
Note :

বাণিজ্যিকভাবে মৌমাছি পালনকে এপিকালচার (Apiculture) বলা হয়। একে বাংলায় মৌচাষ বা মৌমাছি পালন বিদ্যাও বলা হয়। 

ক) ২.০৫%
খ) ০.৬৮%
গ) ০.০১%
ঘ) ০.০০১%
Note :

বারিমণ্ডলের মোট পানির প্রায় ৯৭.২৫% সাগরে, ২.০৫% হিমবাহে এবং প্রায় ০.৬৮% ভূগর্ভস্থ পানি হিসেবে অবস্থান করে।

ক) খেজুর পাম
খ) সাগু পাম
গ) নিপা পাম
ঘ) তাল পাম
Note :

Nipa fruticans সাধারণভাবে Nipa palm নামে পরিচিত । বাংলায় একে গোলপাতা বলে । গোলপাতা ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলের একটি অন্যতম প্রধান উদ্ভিদ । এছাড়াও ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলে আরো যে উদ্ভিদগুলো পাওয়া যায় তাদের মধ্যে রয়েছে গেওয়া, কেওড়া, গরান, আমুর, বাইন, পশুর ইত্যাদি । 

ক) এপিলেপসি
খ) পারকিনসন
গ) প্যারালাইসিস
ঘ) থ্রমবোসিন
Note :

মস্তিষ্কের ডোপামিন উৎপাদনকারী স্নায়ুকোষ (নিউরন) নষ্ট হয়ে গেলে পারকিনসন রোগ (Parkinson's Disease) হয়। ডোপামিনের মাত্রা কমে যাওয়ার ফলে শারীরিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের নড়াচড়া ও ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ ব্যাহত হয়।

ক) প্লাসটিড
খ) মাইটোকন্ড্রিয়া
গ) নিউক্লিয়াস
ঘ) ক্রোমাটিন বস্তু
Note :

ব্যাকটেরিয়ার কোষে প্লাসটিড, মাইটোকন্ড্রিয়া, বা ঝিল্লিবদ্ধ নিউক্লিয়াস থাকে না।
ক্রোমাটিন বস্তু: ব্যাকটেরিয়ার কোষের জিনগত উপাদান, যা DNA দিয়ে তৈরি এবং কোষের সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত।
কোষপ্রাচীর: ব্যাকটেরিয়ার কোষের একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য যা কোষকে শক্তি এবং সুরক্ষা প্রদান করে।
রাইবোজোম: ব্যাকটেরিয়ার কোষে 70S রাইবোজোম থাকে, যা প্রোটিন সংশ্লেষণের জন্য দায়ী।

অন্যান্য গুলি কেন ভুল:

A) প্লাসটিড: উদ্ভিদের কোষে সালোকসংশ্লেষণের জন্য দায়ী।
B) মাইটোকন্ড্রিয়া: কোষের শক্তিকেন্দ্র, শ্বসন প্রক্রিয়া পরিচালনা করে।
C) নিউক্লিয়াস: ঝিল্লিবদ্ধ নিউক্লিয়াস ইউক্যারিওটিক কোষে থাকে, ব্যাকটেরিয়ায় থাকে না।

সুতরাং, ব্যাকটেরিয়ার কোষে উপস্থিত একমাত্র বিকল্পটি হল ক্রোমাটিন বস্তু।

জব সলুশন

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

বাংলাদেশ নৌবাহিনী- অদক্ষ শ্রমিক 07-08-2026

বাংলাদেশ নৌবাহিনী- উচ্চমান সহকারী 07-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন