সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার পার্থক্য -
ক) তৎসম ও তদ্ভব শব্দের ব্যবহার
খ) ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপে
গ) শব্দের কথা ও লেখ্য রূপে
ঘ) বাক্যের সরলতা ও জটিলতায়
Related Questions
ক) চলিত রীতি
খ) সাধু রীতি
গ) মিশ্র রীতি
ঘ) আঞ্চলিক রীতি
Note : তৎসম শব্দ হল সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় গৃহীত শব্দ। এগুলো সংস্কৃতের রূপ ও অর্থ অপরিবর্তিত থাকে। সাধু রীতি হল বাংলা ভাষার প্রাচীন ও আনুষ্ঠানিক রূপ। এই রীতিতে তৎসম শব্দের ব্যবহার বেশি হয়।
ক) উপন্যাসে ইতিহাস বর্জনে
খ) সাহিত্যে মুসলমান চরিত্র সৃৃষ্টিতে
গ) চলিত ভাষার ব্যবহারে
ঘ) গদ্য কবিতা রচনায়
Note : প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বাংলা সাহিত্যের একজন অন্যতম প্রথিতযশা লেখক। তিনি বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার প্রবর্তক হিসেবে বিবেচিত। তার "সবুজপত্র" পত্রিকাটি বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার প্রচারে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
ক) একটা
খ) দুটো
গ) তিনটে
ঘ) চারটে
Note : ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষার শাখা ২টি এগুলো হলো কেন্তম ও শতম।
ক) স্যার জর্জ আব্রাহাম গ্রিয়ার্সন
খ) ড. মুহম্মাদ শহীদুল্লাহ
গ) ড. সুকুমার সেন
ঘ) ড. সুনীতিকুমার চট্রোপাধ্যায়
Note : ড. সুনীতিকুমার চট্রোপাধ্যায় ছিলেন একজন বাঙালি ভাষাতাত্ত্বিক পণ্ডিত, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ। তিনি "Origin and Development of Bengali language" নিয়ে গবেষণা করেন এবং পরবর্তীতে মাগধী প্রাকৃত থেকে বাংলা ভাষার জন্ম এই মতবাদ প্রকাশ করেন।
ক) সাধনা
খ) শিখা
গ) শনিবারের চিঠি
ঘ) সবুজপত্র
Note : চলিত ভাষারীতির মুখপত্র সবুজপত্র । চলিত ভাষার মুখপত্র সাধারণভাবে দৈনিক খবর ও তথ্য প্রদান করে এবং প্রাথমিক জনগণের জীবনের ঘটনাগুলি নিয়ে সংবাদ প্রদান করে। সাধনা (ক), শিখা (খ), এবং শনিবারের চিঠি (গ) এই তিনটি সংগ্রহে সাধারণভাবে মুখপত্রের ব্যাপারে ব্যবহৃত না হয়।
জব সলুশন