কোনটি বহুব্রীহি সমাস?
বহুব্রীহি সমাস - দশানন।
যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে, অন্য কোনো পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন: বহু ব্রীহি (ধান) আছে যার = বহুব্রীহি। এখানের 'বহু' কিংবা 'ধান' কোনোটিরই অর্থের প্রাধান্য নেই, যার বহু ধান আছে এমন লোককে বোঝাচ্ছে।
বহুব্রীহি সমাসে সাধারণত যার, যাতে ইত্যাদি শব্দ ব্যাসবাক্যরূপে ব্যবহৃত হয়।
Related Questions
পাশাপাশি দুটি বর্ণ বা ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে।
সন্ধি বাংলা ব্যাকরণে শব্দগঠনের একটি মাধ্যম। এর অর্থ মিলন। অর্থাত্ দুটি শব্দ মিলিয়ে একটি শব্দে পরিণত হওয়াকে বা পরস্পর সন্নিহিত দু' বর্ণের মিলনকে সন্ধি বলে।
সন্ধি মোটাদাগে দু'প্রকার। ১)বাংলা শব্দের সন্ধি। এটা দুই প্রকার;যথাঃ ১.স্বরসন্ধি ২.ব্যঞ্জনসন্ধি। ২) সংস্কৃত শব্দের সন্ধি। এটা তিন প্রকার; যথাঃ ১.স্বরসন্ধি, ২.ব্যঞ্জন সন্ধি এবং ৩.বিসর্গ সন্ধি।
'ছায়া হরিণ' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা আহসান হাবীব।
আহসান হাবীব (২ জানুয়ারি ১৯১৭ - ১০ জুলাই ১৯৮৫) একজন খ্যাতিমান বাংলাদেশি কবি ও সাহিত্যিক। দীর্ঘ দিন দৈনিক বাংলা পত্রিকার সাহিত্য সম্পাদক পদের দায়িত্ব পালন সূত্রে তিনি স্বাধীনতা - উত্তর বাংলাদেশের সাহিত্য অঙ্গনে অভিভাবকের ভূমিকা রেখেছেন। তার কিছু কাব্যগ্রন্থ হল :
রাত্রিশেষ (১৯৪৭), ছায়াহরিণ (১৯৬২), সারা দুপুর (১৯৬৪), আশায় বসতি (১৯৭৪), মেঘ বলে চৈত্রে যাবো (১৯৭৬), দু'হাতে দুই আদিম পাথর (১৯৮০), প্রেমের কবিতা (১৯৮১)।
'হাজার বছর ধরে ' রচনাটি জহির রায়হান।
হাজার বছর ধরে প্রখ্যাত বাংলাদেশী ঔপন্যাসিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান রচিত একটি কালজয়ী সামাজিক উপন্যাস। ১৯৬৪ সালে এ উপন্যাসটির জন্য তিনি আদমজী পুরষ্কারে সম্মানিত হন।
জব সলুশন