'কাক নিদ্রা' শব্দটির অর্থ-
"কাক নিদ্রা" একটি বাগধারা। প্রদত্ত বাগধারাটির অর্থ - অগভীর সতর্ক নিদ্রা। যেমন : তার চোখে তো ঘুম নেই, তার তো কাক নিদ্রা।
Related Questions
কথা সাহিত্যক শওকত ওসমানের প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান।
গ্রন্থাগারে প্রকাশিত তার প্রথম গ্রন্থ জননী।
তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাস - ক্রীতদাসদের হাসি, চৌরসন্ধি, জাহান্নাম হয়তে বিদায়, নেকড়ে অরণ্য।
- চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন।
- ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজ দরবারের গ্রন্থাগার থেকে এটি আবিষ্কার করেন।
- চর্যাপদের চর্যাগুলো রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ।
- চর্যাপদের ভাষায় ৫টি ভাষার মিশ্রণ পরিলক্ষিত হয়ঃ বাংলা, হিন্দি, মৈথিলী, অসমীয়া ও উড়িয়া।
- চর্যাপদের ভাষা বাংলা ভাষার অদ্যাবধি আবিষ্কৃত আদিতম রূপ।
- চর্যাপদে বৌদ্ধধর্মের কথা বলা হয়েছে।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ তার বইয়ে চর্যাপদের ভাষাকে বঙ্গকামরূপী নামে আখ্যা দেন।
- সাধারণত, চর্যাপদ এর ভাষাকে বলা হয় সন্ধ্যাভাষা বা আলো-আধাঁরী ভাষা। চর্যাপদ মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।
প্রশ্নে চাঁদমুখ বা চন্দ্রমুখ যাই বলুক না কেনো তা উপমিত কর্মধারয় সমাস উত্তর দিতে হবে এবং ব্যাসবাক্য হবে মুখ চাঁদের ন্যায় কিংবা চাদের ন্যায় মুখ। এখানে অপশনের ব্যাসবাক্যে যেহেতু মুখ চাঁদের ন্যায় কিংবা চাদের ন্যায় মুখ নাই তাই চাঁদ রূপ মুখ দিতে হবে, এক্ষেত্রে এটা রূপক কর্মধারয় হয়ে যাবে। এটা জগদীশ ঘোষ স্যারের আধুনিক বাংলা ব্যাকরণ মতে।
মীর মশাররফের জন্মস্থান - কুষ্টিয়া জেলা।
সৈয়দ মীর মশাররফ হোসেন (নভেম্বর ১৩, ১৮৪৭ - ডিসেম্বর ১৯, ১৯১১) ছিলেন একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। তিনি তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতে (বর্তমান বাংলাদেশ) কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালি উপজেলার চাঁপড়া ইউনিয়নের লাহিনীপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার লেখাপড়ার জীবন কাটে প্রথমে কুষ্টিয়ায়, পরে ফরিদপুরের পদমদীতে ও শেষে কৃষ্ণনগরের বিভিন্ন বিদ্যালয়ে। তার জীবনের অধিকাংশ সময় ব্যয় হয় ফরিদপুরের নবাব এস্টেটে চাকরি করে। তিনি কিছুকাল কলকাতায় বসবাস করেন।
'নন্দিনী' শব্দের সমার্থক শব্দ: মেয়ে, কন্যা, দুহিতা, পুত্রী, তনয়া, ঝি, তনুজা, আত্মজা, দারিকা, মাইয়া ইত্যাদি।
অর্বাচীন শব্দের অর্থ নবীন, আধুনিক, অপ্রবীণ। সুতরাং অর্বাচীন - এর বিপরীত শব্দ প্রাচীন।
জব সলুশন