তত্ত্ববোধিনী- পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
সাহিত্য, বিজ্ঞান, দর্শন, ইতিহাস, রাজনীতি, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যা ইত্যাদি বিষয় নিয়ে ১৮৪৩ সালে ' তত্ত্বোবধিনী' পত্রিকাটি যাত্রা শুরু করে। এ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন অক্ষয়কুমার দত্ত।
Related Questions
দেশে বিদেশে, পঞ্চতন্ত্র, চাচা কাহিনী, ময়ূরকণ্ঠী, জলে ডাঙ্গায়, শবনম, টুনিমেম ইত্যাদি সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত গ্রন্থ।
‘ঘরে বাইরে' (১৯১৬) রবীন্দ্রনাথের চলিত ভাষায় লেখা প্রথম উপন্যাস। বৃটিশ ভারতের রাজনীতির প্রেক্ষাপটে রচিত। এটি 'সবুজপত্র' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এর উল্লেখযােগ্য চরিত্র- নিখিলেশ, বিমলা ও সন্দীপ।
''নীলদর্পণ'' নাটকটির রচয়িতা দীনবন্ধু মিত্র। ইংরেজ নীলকরদের অত্যাচারে তৎকালীন নীল চাষিদের চরম দুরবস্থা এ নাটকের বিষয়বস্তু। ''নীলদর্পণ'' নাটকটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থ।
কৌলীন্যপ্রথার দোষ-ত্রুটি অবলম্বনে রামনারায়ণ তর্করত্ন ''কুলীনকুলসর্বস্ব'' নাটকটি রচনা করেন ১৮৫৪ সালে। ''কুলীনকুলসর্বস্ব'' প্রথম নাটক, যা অভিনয় সাফল্য অসাধারণ জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল।
মাইকেল মধুসূদন দত্ত অমিত্রাক্ষর ছন্দের সফল প্রয়োগ ঘটান 'তিলোত্তমাসম্ভব' কাব্যগ্রন্থে। তার রচিত' মেঘনাদবধ কাব্য' বাংলা সাহিত্যের সর্বপ্রথম ও সর্বশ্রেষ্ঠ মহাকাব্য এবং 'বীরঙ্গনা' বাংলা সাহিত্যের সর্বপ্রথম পত্রকাব্য। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত 'বেতালপঞ্চবিংশতি' হিন্দি 'বৈতাল পচ্চীসীর' অনুবাদ' বিদ্যাসাগর এই গ্রন্থে সর্বপ্রথম যতি - চিহ্নের সফল প্রয়োগ করেন।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাঙালির মানস গঠনে, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিকাশে এবং মূল্যবোধ সৃষ্টিতে কালজয়ী ভুমিকা রেখে গেছেন। আধুনিক বাংলা ভাষার গদ্যর জনক তিনি। বিদ্যাসাগর নামেই তিনি পরিচিত।
জব সলুশন