পাখি ছাড়া ‘বলাকা’ ও ‘দোয়েল’ নামে পরিচিত হচ্ছে –

ক) দু'টি উন্নত জাতের গমশস্য
খ) দু'টি উন্নত জাতের ধানশস্য
গ) দু'টি উন্নত জাতের ভুট্রাশস্য
ঘ) দু'টি উন্নত জাতের ইক্ষু
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

বলাকা ও দোয়েল উন্নত জাতের গমের নাম। উন্নত জাতের গম বাদে এগুলো পাখির নাম। যখন উন্নত জাতের শস্যের কথা বলবে তখন উত্তর গম হবে।

Related Questions

ক) শায়েস্তা খাঁ
খ) নওয়াব সলিমুল্লাহ
গ) মির্জা আহমেদ খান
ঘ) মির্জা গোলাম পীর
Note :

বাংলাদেশ জাতীয় জ্ঞানকোষ 'বাংলাপিডিয়া' ও প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তথ্যমতে, পুরান ঢাকার আরমানিটোলার তারা মসজিদটি উনিশ শতকের শুরুতে নির্মাণ করেন ঢাকার সম্ভ্রান্ত জমিদার মির্জা গোলাম পীর (আহমদ জান)। পরবর্তীকালে ১৯২৬ সালে আলী জান ব্যাপারী মসজিদটির সংস্কার ও তারার নকশা খচিত করেন। সুতরাং ঐতিহাসিক ও দালিলিক নাম হিসেবে সঠিক উত্তর হবে "মির্জা গোলাম পীর"

ক) ১৮৯৭ সালে
খ) ১৯০২ সালে
গ) ১৯২১ সালে
ঘ) ১৯০৫ সালে
Note :

১৯২০ সালে ভারতীয় বিধান পরিষদে গৃহীত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুসারে ১৯২১ সালের ১ জুলাই ৩টি অনুষদ, ১২ টি বিভাগ, ৬০ জন শিক্ষক, ৮৪৭ জন ছাত্রছাত্রী ও ৩ টি আবাসিক হল( সলিমুল্লাহ, জগন্নাথ, শহীদুল্লাহ হল, নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম চ্যান্সেলর লর্ড ডানডাস (জেসিআই) এবং প্রথম ভাইস চ্যান্সেলর পি জে (ফিলিপ জোসেপ) হার্টজ।

ক) বিজয়পুরে
খ) রাণীগঞ্জে
গ) টেকেরহাটে
ঘ) বিয়ানীবাজারে
Note :

বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ভূ-পৃষ্ঠে অথবা অন্তর্ভূ-পৃষ্ঠে (subsurface) চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুর ও গোপালপুরে, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায়, চট্টগ্রাম জেলার হাইটগাঁও ও সাতকানিয়া উপজেলার বাইতুল ইজ্জতে চীনামাটির মজুত রয়েছে। এ ছাড়া দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া, বড়পুকুরিয়া ও দীঘিপাড়া এবং নওগাঁ জেলার পত্নীতলাতে ভূ-পৃষ্ঠের নিকটে চীনামাটি মজুতের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। 

ক) সোমপুর বিহার
খ) ধর্মপাল বিহার
গ) জগদ্দল বিহার
ঘ) শ্রী বিহার
Note :

সপ্তম শতাব্দীতে নির্মিত পাহাড়পুরের বৌদ্ধ বিহারটি সোমপুর বিহার নামে পরিচিত ছিল।

পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার। পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপাল দেব (৭৮১ - ৮২১) অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন। ১৮৭৯ খ্রিস্টাব্দে স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম এই বিশাল স্থাপনা আবিষ্কার করেন।

ক) লক্ষণ সেন
খ) ইলয়াস শাহ
গ) বিজয় সেন
ঘ) আকবর
Note :

বাংলার নববর্ষ ‘পহেলা বৈশাখ’ সম্রাট আকবর চালু করেছিলেন।

খাজনা আদায়ে সুষ্ঠুতা প্রণয়নের লক্ষ্যে মুঘল সম্রাট আকবর বাংলা সনের প্রবর্তন করেন। তিনি মূলত প্রাচীন বর্ষপঞ্জিতে সংস্কার আনার আদেশ দেন। সম্রাটের আদেশ মতে রাজকীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী ফতেহউল্লাহ সিরাজি সৌর সন এবং আরবি হিজরী সনের উপর ভিত্তি করে নতুন বাংলা সনের নিয়ম বিনির্মাণ করেন।

১৫৮৪ খ্রিষ্টাব্দের ১০ই মার্চ বা ১১ই মার্চ থেকে বাংলা সন গণনা শুরু হয়। তবে এই গণনা পদ্ধতি কার্যকর করা হয় আকবরের সিংহাসন আরোহণের সময় (৫ই নভেম্বর, ১৫৫৬) থেকে। প্রথমে এই সনের নাম ছিল ফসলি সন, পরে "বঙ্গাব্দ" বা বাংলা বর্ষ নামে পরিচিত হয়।

আকবরের সময়কাল থেকেই পহেলা বৈশাখ উদ্‌যাপন শুরু হয়। তখন প্রত্যেককে বাংলা চৈত্র মাসের শেষ দিনের মধ্যে সকল খাজনা, মাশুল ও শুল্ক পরিশোধ করতে বাধ্য থাকত।

ক) ইংরেজরা
খ) ওলন্দাজরা
গ) ফরাসিরা
ঘ) পর্তুগিজরা
Note :

প্রথম পর্তুগিজ বণিক যোয়াও কোয়েলহো ১৫১৬ খ্রিস্টাব্দের দিকে গঙ্গায় এসে পৌঁছেন। ১৪৯৮ সালে ভাস্কো দা গামা প্রথম ভারত বর্ষে আসার জলপথ আবিষ্কার করেন। শেষে আসে ফরাশী রা।

জব সলুশন

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর-অফিস সহায়ক 18-09-2026

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর-টিকেট ক্লার্ক/রেকর্ড কিপার 05-09-2026

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর- সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা 01-09-2026

স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর-এস্টিমেট (তড়িৎ) ও উপ সহকারী প্রকৌশলী 01-09-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- অফিস সহায়ক 28-08-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- কম্পিউটার অপারেটর 28-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন