কোনটি সঠিক?
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত নাটক 'বহিপীর' (১৯৬০)।
- নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র বহিপীর ধর্মকে কিভাবে নিজের সুবিধার্থে কাজে লাগিয়ে শাসক ও শোষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে, তা নাটকটিতে ফুটে উঠেছে।
অন্যদিকে,
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত উপন্যাস 'কাঁদো নদী কাঁদো' (১৯৬৮);
- জসীমউদ্দীন রচিত কাব্য 'সোজন বাদিয়ার ঘাট' (১৯৩৪);
- কায়কোবাদ রচিত মহাকাব্য 'মহাশ্মশান' (১৯০৪)।
Related Questions
অক্ষর হচ্ছে বাগ্যন্ত্রের স্বল্পতম প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছ। ইংরেজিতে আমরা যাকে সিলেবল বলে অভিহিত করি, তা-ই অক্ষর। যেমন—‘বন্ধন’ শব্দটিতে বন্ + ধন—এ দুটি অক্ষর আছে। সাধারণ অর্থে অক্ষর বলতে বর্ণ বা হরফ (Letter)-কে বোঝালেও অক্ষর ও বর্ণ পরস্পরের প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ নয়।
বর্ণ বা হরফ হচ্ছে ধ্বনির লিখিত রূপ বা ধ্বনি-নির্দেশক চিহ্ন বা প্রতীক। ভাষাতাত্ত্বিকরা অক্ষরকে বিভিন্নভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন। যেমনঃ
♦ ‘নিঃশ্বাসের স্বল্পতম প্রয়াসে একই বক্ষস্পন্দনের ফলে যে ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছ একবারে উচ্চারিত হয়, তাকেই সিলেবল বা অক্ষর বলা যেতে পারে। ’ —মুহম্মদ আব্দুল হাই
♦ ‘কোনো শব্দে যখন যে ধ্বনিসমষ্টি একসময়ে একত্রে উচ্চারিত হয়, তাকে অক্ষর বলে। ’ —ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
♦ ‘এক প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি সমষ্টির নাম অক্ষর (সিলেবল)। ’
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'আমরা সবাই রাজা আমাদের এই রাজার রাজত্বে' গানটি তাঁর 'রাজা' নাটক থেকে গৃহীত হয়েছে।
- এ গানটির মূলভাব হলো স্বাধীনতা, শক্তি, ঐক্য, দায়িত্ববোধ ও অধিকার চেতনা।
সারাংশ প্রথম পুরুষে লিখতে হয়য়। সারাংশ এর ভাষা সহজ ও সাবলীল হওয়া দরকার। বাক্যের বক্তা যে বিশেষ্য বা সর্বনামের দ্বারা বক্তা ও শ্রোতার বাইরে অন্য কাওরে নির্দেশ করে, তাকে প্রথম পুরুষ বলে। প্রথম পুরুষ ব্যবহার করলে বাক্যের গঠন সহজ ও সাবলীল হয়। এই জন্য প্রথম পুরুষ ব্যবহার করা হয়।
- যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা (উদ্দেশ্য) এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (বিধেয়) থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে।
- যেমন: আমার জ্বর জ্বর লাগছে।
- প্রদত্ত উদাহরণটিতে একটি কর্তা ও একটি সমাপিকা ক্রিয়া 'লাগছে' বিদ্যমান।
- সুতরাং, এটি সরল বাক্য।
অন্যদিকে,
- দ্বিরুক্ত অর্থ দুবার উক্ত হয়েছে এমন।
- বাংলা ভাষায় কোনো কোনো শব্দ, পদ বা অনুকার শব্দ একবার ব্যবহার করলে যে অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে দুইবার ব্যবহার করলে অন্য কোনো সম্প্রসারিত অর্থ প্রকাশ করে। এ ধরনের শব্দের পরপর দুইবার প্রয়োগেই দ্বিরুক্ত শব্দ গঠিত হয়।
- যেমন: আমার জ্বর জ্বর লাগছে।
- প্রদত্ত উদাহরণে 'জ্বর জ্বর' দ্বিরুক্তি দ্বারা ঠিক জ্বর নয়, জ্বরের ভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়েছে।
যেসব শব্দ দ্রাবিড়, কোন অথবা এদেশের আদিম াধিবাসী অর্নাযদের ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় স্থান লাভ করেছে সেগুলোকে খাঁটি বাংলা শব্দ বা দেশী শব্দ বলে।যেমন-ঢেঁকি, ঢোল, কাঁটা, খোঁপা, ডিঙি, কুলা, টোপর, খোকা, খুকি, বাখারি, কড়ি, ঝিঙা, কয়লা, কাকা।
pমাচ্ছিঅ> মাচ্ছি > মাছি। মাছি একটি তদ্ভব শব্দ।
জব সলুশন