একেই কি বলে সভ্যতা- এটি মধুসূদন দত্তের কি জাতীয় রচনা?
" একেই কি বলে সভ্যতা? " - এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রহসন। প্রহসন বলতে মুলত একধরনের হাস্যরসাত্মক নাটক বোঝায়। এর উদ্দেশ্য হলো হাস্যরস ও ব্যঙ্গ বিদ্রুপের আড়ালে অতিরঞ্জিত , অসংযত ও অভাবনীয় অবস্থা সৃষ্টির মাধ্যমে দর্শক দের বিনোদন প্রদান করা। প্রদত্ত প্রহসনটিও মাইকেল মধুসূদন দত্তের হাস্যরসাত্মক কাহিনী নিয়ে রচিত।
Related Questions
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'একরাত্রি' গল্পের নায়িকা- সুরবালা ।
• শরৎচন্দ্রের 'শ্রীকান্ত' উপন্যাসের চরিত্র- অভয়া, 'দেনাপাওনা' উপন্যাস- ষোড়শী, 'চরিত্রহীন' উপন্যাস- সাবিত্রী ।
মুক্তি পেতে ইচ্ছুক এক কথায় হবে মুক্তিকামী বা মুমুক্ষু
মুক্তি পাওয়ার ইচ্ছা মুমুক্ষা
একাধিক বাক্যের মধ্যে নিকট সম্পর্ক থাকলে তাদের মধ্যে যোগসূত্র রক্ষার জন্য সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়। ক. সেমিকোলন চিহ্ন কমার চেয়ে দ্বিগুণ সময় বিরতি নেয়। দুটো বাক্যের মধ্যে ভাব বা অর্থের সম্বন্ধ থাকলে সেমিকোলন বসে (যেমনঃ কথাটা বলা সহজ; করা কঠিন)। খ. একাধিক বাক্য সংযোজক অব্যয়ের দ্বারা যুক্ত না হলে সেমিকোলন বসে (যেমনঃ আগে স্কুলে পড়া; পরে গল্পের বই)। গ. যেসব অব্যয় বৈপরীত্য বা অনুমান প্রকাশ করে, তাদের আগে সেমিকোলন বসে (যেমনঃ ছেলেটি মেধাবী; কিন্তু ভারি অলস)।
ওয়ারেন হেস্টিংস এর অনুরোধে নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড বাংলা ব্যাকরণের বই লিখার পর ছাপার যন্ত্র বা বাংলা মুদ্রণ হরফ না থাকায় হেস্টিংস তাঁর অধীনস্ত কর্মচারী চার্লস উইলকিন্সকে হরফ তৈরির নির্দেশ দেন ।উইলকিন্স পরে পঞ্চানন কর্মকারের সহায়তায় বাংলা মুদ্রণ হরফ তৈরি করেন।
- ১৭৭৮ সালে তিনি হুগলিতে প্রথম বাংলা ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত করেন এবং নিজেই বাংলা অক্ষরের নকশা তৈরি করেন বলে তাঁকে বাংলা মুদ্রাক্ষরের জনক বলা হয় ।
- তবে উপমহাদেশের প্রথম ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত হয় (পর্তুগিজ ভাষার মুদ্রণযন্ত্র) ১৪৯৮ সালে।
- বাংলাদেশের প্রথম ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত হয় রংপুরে ১৮৪৭ সালে । এর নাম 'বার্ত্তাবহ যন্ত্র' । ছাপাখানাটি থেকে প্রকাশিত হতো রংপুরের প্রথম সাময়িকপত্র 'রঙ্গপুর বার্ত্তাবহ' । পত্রিকাটির প্রকাশক ছিলেন শুরুচরণ রায় ।
- ঢাকায় ১৮৬০ সালে ‘ঢাকা প্রেস’ নামে ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত হয়। এই ছাপাখানা থেকে দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীল দর্পণ’ প্রকাশিত হয়।
উপসর্গের কাজ হচ্ছে নতুন শব্দ গঠন করা।
বাংলা ভাষায় উপসর্গ মূলত তিন প্রকার। যথা : খাঁটি বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ, বিদেশি উপসর্গ। এরমধ্যে খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১ টি এবং সংস্কৃত উপসর্গ ২০ টি ও বিদেশি উপসর্গ ১৯ টি।
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি উপসর্গ অর্থাৎ ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
- ফারসি (বিদেশি) 'নিম' উপসর্গটির 'অর্ধেক/কম' অর্থে ব্যবহৃত শব্দ 'নিম+রাজি = নিমরাজি'।
জব সলুশন