বিদ্যুতের উচ্চতম ভোল্ট থেকে নিম্নতর ভোল্ট পাওয়া যায়–
ট্রান্সফর্মার দুই প্রকার। যথা-
- স্টেপ ডাউন বা নিম্নধাপী - উচ্চতর ভোল্ট থেকে নিম্ন ভোল্ট পাওয়া যায়, এবং
- স্টেপ আপ বা উচ্চধাপী- নিম্ন ভোল্ট থেকে উচ্চতর ভোল্ট পাওয়া যায় ।
Related Questions
•জারণ :- যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কোনো অণু, পরমাণু বা আয়ন এক বা একাধিক ইলেকট্রন ত্যাগ করে তাকে জারণ বলে । জারণেরঅর্থ ইলেকট্রন ত্যাগ ।
•বিজারণ :- যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কোনো অণু, পরমাণু বা আয়ন এক বা একাধিক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে বিজারণ বলে । বিজারণের অর্থ ইলেকট্রন গ্রহণ ।
জারক পদার্থ [Oxidising agents]:- যে পদার্থ রাসায়নিক বিক্রিয়া কালে অন্য পদার্থকে জারিত করে নিজে বিজারিত হয় তাকে জারক পদার্থ বলে।
বিজারক পদার্থ [Reducing agents]:- রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় যে পদার্থ অন্য পদার্থকে বিজারিত করে নিজে জারিত হয় তাকে বিজারক পদার্থ বলে ।
সঠিক উত্তর D2O, ভারী পানির রাসায়নিক নাম ডিউটেরিয়াম অক্সাইড। হাইড্রোজেনের ১ টি নিউট্রন। বিশিষ্ট আইসোটোপকে ডিউটেরিয়াম বলে। একে D দ্বারা প্রকাশ করা হয়। তাই ভারী পানির সংকেত D2O লেখা হয়।
আইসোটোপ (Isotope) হলো একই মৌলের ভিন্ন ভিন্ন ভরের পরমাণু।
⇒ আইসোটোপের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এদের নিউক্লিয়াসে প্রোটন সংখ্যা (পারমাণবিক সংখ্যা) সর্বদা সমান থাকে।
⇒ কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হওয়ার কারণে এদের ভরসংখ্যা (Mass Number) আলাদা হয়।
⇒ উদাহরণস্বরূপ: হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ আছে (প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম, ট্রিটিয়াম)—সবারই প্রোটন ১টি, কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা যথাক্রমে ০, ১ ও ২।
অর্ধপরিবাহী হলো সেই বস্তু যার পরিবাহকত্ব অন্তরকের চেয়ে বেশি কিন্তু পরিবাহকের তুলনায় কম। তড়িৎ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে অর্ধপরিবাহী পদার্থের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। সিলিকন, জার্মেনিয়াম, গ্যালিয়াম ইত্যাদি অর্ধপরিবাহী। লোহা অর্ধপরিবাহী নয়। লোহা তড়িৎ পরিবাহক।
প্রকাশ: ২৯ নভেম্বর ২০২৪ (খাদ্য ও কৃষি সংস্থা- FAO)।
বিষয় ━━ শীর্ষ দেশ ━━ বাংলাদেশের অবস্থান
• খাদ্য আমদানি ━━ চীন ━━ ৩৭তম
• খাদ্য রপ্তানি ━━ যুক্তরাষ্ট্র ━━ ৭৬তম
• ধান উৎপাদন ━━ চীন ━━ তৃতীয়
• চাল আমদানি ━━ চীন ━━ ১৫তম
• চাল রপ্তানি ━━ ভারত ━━ ৪৯তম
• গম উৎপাদন ━━ চীন ━━ ৫১তম
• গম আমদানি ━━ চীন ━━ ১৪তম
মধ্য আমেরিকার দেশ কোস্টারিকা ও পানামা-তে স্থায়ী কোনো সেনাবাহিনী নেই। কোস্টারিকা ও পানামার সামরিক অবস্থা: কোস্টারিকা: ১৯৪৮ সালের গৃহযুদ্ধের পর ১৯৪৯ সালে দেশটির সংবিধান অনুযায়ী স্থায়ী সেনাবাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত করা হয়। দেশের অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে রয়েছে কেবল পুলিশ ও বিশেষায়িত জনবল। পানামা: ১৯৯০ সালে মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপে ম্যানুয়েল নোরিয়েগার পতনের পর পানামাও তাদের স্থায়ী সামরিক বাহিনী ভেঙে দেয়। বর্তমানে দেশটির নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে পুলিশ ও সীমান্ত রক্ষা বাহিনী।
জব সলুশন