‘কাঁঠালপাড়া’ য় জন্মগ্রহণ করে কোন লেখক?
কাঁঠালপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন বাংলা সাহিত্যের 'সাহিত্যসম্রাট' বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। তিনি ১৮৩৮ সালের ২৬শে জুন অবিভক্ত ভারতের পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার নৈহাটির নিকটবর্তী কাঁঠালপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী' তাঁরই অমর সৃষ্টি।
Related Questions
বাংলা শিশুসাহিত্যের একটি জনপ্রিয় রূপকথার সংকলন ঠাকুরমার ঝুলি । দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার এই গ্রন্থের সংকলন করেন। জনপ্রিয় রূপকথার সংকলনটি চারটি খণ্ডে প্রকাশিত হয়। যথাঃ - ঠাকুরমার ঝুলি, - ঠাকুরদাদার ঝুলি, - ঠানদিদির থলে, - দাদামাশয়ের থলে।
মদনমোহন তর্কালঙ্কার রচিত 'আমার পণ' কবিতাটি বাংলাদেশে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের বাংলা পাঠ্যবইয়ের অন্যতম একটি পদ্য এবং শিশু মানস গঠনের জন্য চমৎকার দিক-নির্দেশনা। তাঁর বিখ্যাত কিছু পংক্তির মধ্যে রয়েছে: ‘পাখী সব করে রব, রাতি পোহাইল’; ‘সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারা দিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি’; ‘লেখাপড়া করে যে/ গাড়ি ঘোড়া চড়ে সে’.
পিতা ও দুই পুত্রের মোট বয়স = ৩ x ২০ = ৬০ দুই বছর পূর্বে দুই পুত্রের মোট বয়স = ২ x 12 = ২৪ বর্তমানে দুই পুত্রের মোট বয়স = ২৪ + ২ + ২ = ২৮ সুতরাং, পিতার বয়স = ৬০ - ২৮ = ৩২ বছর।
দেওয়া আছে,দুটি রাশির অনুপাত ৭ : ১২।মনে করি, সংখ্যা দুইটি হল, ৭ক ও ১২ক।প্রশ্নমতে, ১২ক = ৯৬ সুতরাং, ক = ৯৬১২ বা ৮তাহলে, পূর্ব রাশি = ৭ × ৮ বা ৫৬
পঞ্চাশটি চর্যা-পদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা অধিক রচনা করেন কাহ্নপা। এবং তার পরেই ভুসুকুপার স্থান। তিনি মোট আটটি পদ রচনা করেন। তার নাম নিয়ে কিছুটা মতভেদ আছে। মনে করা হয়, তার আসল নাম শান্তিদেব। ভুসুকুপা বাঙালি ছিলেন। অনুমান করা হয় তিনি পূর্ব বাংলা কবি।
প্যারীচাঁদ মিত্র বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী ছিলেন। আলালের ঘরের দুলাল, 'মদ খাওয়ার বড় দায়,জাত থাকার কি উপায়', রামারঞ্জিকা, অভেদি, 'আধ্যাত্মিকা'-- ইত্যাদি গ্রন্থের লেখক প্যারীচাঁদ মিত্র।
জব সলুশন