জমির লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ করে কোনটি?
জমির লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ করে পানি সেচ।
- জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ এবং অন্যান্য কারণে লবণাক্ততা সৃষ্টি হয় যা পানি সেচের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়।
Related Questions
হ্যালির ধূমকেতু (Halley's Comet), প্রতি ৭৫-৭৬ বছর পরপর পৃথিবীর আকাশে দৃশ্যমান হয়ে উঠা একটি ধূমকেতু।
- বিখ্যাত ইংরেজি জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডমান্ড হ্যালির নামানুসারে এর নামকরণ করা হয়েছে।
- এর অফিসিয়াল ডেসিগনেশন হচ্ছে ১পি/হ্যালি।
- মাঝে মাঝে একে "কমেট হ্যালি" তথা "ধূমকেতু হ্যালি" নামে ডাকতে দেখা যায়।
- প্রতি শতাব্দীতেই আকাশে কোন কোন তারা অনেক উজ্জ্বলভাবে দৃশ্যমান হয়ে উঠে।
- এর অনেকগুলোই আবার দীর্ঘ সময় ধরে দৃশ্যমান থাকে।
- কিন্তু হ্যালির ধূমকেতু একমাত্র স্বল্পমেয়াদী ধূমকেতু যা খালি চোখেও স্পষ্ট দেখা যায়।
- সে হিসেবে এটি খালি চোখে দৃশ্যমান একমাত্র ধূমকেতু যা একজন মানুষের জীবদ্দশায় দুইবার দেখা দিতে পারে।
- ১৯৮৬ সালে সৌর জগৎতের অভ্যন্তরভাগে এই ধূমকেতুকে শেষবারের মত দেখা গিয়েছিল।
- ২০৬১ সালে এটি আবার পৃথিবীর আকাশে দেখা দেবে।
অ্যালুমিনিয়াম সালফেটকে চলতি বাংলায় বলা হয় ফিটকিরি।
- ফিটকিরি এর রাসায়নিক সংকেতঃ [K2SO4.Al2(SO4)3.24H2O
- এর অন্য নামঃ পটাশ অ্যালাম।
বাজারে প্রচলিত অনেক গাইড বইয়ে এটার উত্তর 'গামা' দেওয়া আছে যা ভুল। আমরা জানি 'গামা' একটা তেজস্ক্রিয় রশ্মি যেটা উচ্চ পারমাণবিকসংখ্যা ও উচ্চ পারমাণবিক ভরসংখ্যা বিশিষ্ট মৌলিক পদার্থ থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্গত হয়। রঙিন টেলিভিশন Cathode Ray Tube ব্যবহিত হয়, এই Cathode Ray Tube হতে মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর মৃদু রঞ্জন রশ্মি তৈরি হয়।
রেগুলেটরের মাধ্যমে বৈদ্যুতিক পাখায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- যখন বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ঘুরানোর জন্য বিদ্যুৎ প্রবাহ কমানো হয় তখন অতিরিক্ত বিদ্যুৎ রেগুলেটরে তাপ সৃষ্টি করে।
- যার ফলে বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ঘুরলেও বিদ্যুৎ খরচ একই হয় কারণ সবসময় বিদ্যুৎ প্রবাহ একই থাকে।
সংকর ধাতু পিতল প্রধানত তামা (Copper) এবং দস্তা বা জিঙ্ক (Zinc)-এর সমন্বয়ে তৈরি হয়। সাধারণ পিতলে প্রায় ৬০% থেকে ৭০% তামা এবং ৩০% থেকে ৪০% দস্তা থাকে। বিশেষ কাজের উপযোগী করতে এর সাথে সামান্য পরিমাণে লোহা, অ্যালুমিনিয়াম বা সিসা মেশানো হতে পারে।
গ্রিনহাউস ইফেক্টের ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- এই তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে বরফ গলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- বাংলাদেশের অনেক নিম্ন ভূমি সমুদ্রপৃষ্ঠের খুব কাছে অবস্থিত।
- তাই সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি হলে এই সব নিম্ন ভূমি জলে ডুবে যাবে।
- এই নিম্ন ভূমিতে বাংলাদেশের অনেক মানুষ বাস করে।
- এছাড়াও এখানে অনেক কৃষি জমি আছে।
- তাই এই সব জমি জলে ডুবে গেলে বাংলাদেশের অনেক মানুষ বাস্তুচ্যুত হবে এবং দেশের অর্থনীতিতে বড় ক্ষতি হবে।
জব সলুশন