আদমসুরত বলা হয় ---

ক) কালপুরুষকে
খ) সপ্তর্ষিমণ্ডলকে
গ) ক্যাসিওপিয়াকে
ঘ) সুরনদীকে
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

আদমসুরত বলা হয় - - - কালপুরুষকে।

পৌষ - মাঘ মাসে সন্ধ্যা রাত্রিতে পূর্ব আকাশে শিকারি বেশে মনুষ্য আকৃতির একটি নক্ষত্রমন্ডল দেখা যায়। এটিকে কালপুরুষ বা আদম সুরত বলে। উত্তর আকাশের কাছাকাছি যে সাতটি উজ্জ্বল নক্ষত্র দেখা যায় সেগুলো কে সপ্তর্ষিমণ্ডল বলে।

Related Questions

ক) কাঁচ আলোকে জ্বলতে বাধা দেয়
খ) পাত্রের ভিতর বায়ুশূন্য হয়ে যায়
গ) গ্লাসের ভিতর হাইড্রোজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়
ঘ) গ্লাসের ভিতর অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়
Note :

-একটি জ্বলন্ত মোমবাতিতে কাঁচের গ্লাস দ্বারা ঢাকলে মোমবাতি নিভে যায়, কারণ --গ্লাসের ভিতর অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।

ক) বেলে মাটি
খ) এটেল মাটি
গ) দোআঁশ মাটি
ঘ) কোনোটিই নয়
Note :

যে মাটিতে শতকরা ৪০ ভাগ থেকে ৫০ ভাগ কর্দম কণা থাকে তাকে এঁটেল মাটি বলে ।এঁটেল মাটিকে ভারী মাটি বলে ।এই মাটির সচ্ছিদ্রতা কম । তাই এর পানি ধারণ ক্ষমতা বেশি । কিন্তু নিষ্কাশন ক্ষমতা কম । পানির সংস্পর্শে এঁটেল মাটি খুব নরম হয় ।আবার শুকালে শক্ত হয় ।প্রচুর জৈব সার প্রয়োগ করে এ মাটিকে দোআঁশ মাটিতে রূপান্তরিত করা হয় ।

ক) ৯ ভাগ
খ) ১৬ ভাগ
গ) ১৯.৮ ভাগ
ঘ) ২৫ ভাগ
Note :

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য দেশের মোট আয়তনের শতকরা ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা আবশ্যক। বন হলো ঘন বিভিন্ন প্রকার উদ্ভিদের দ্বারা ঘেরা একটি এলাকা। বিভিন্ন মাপকাঠির ভিত্তিতে, বনের নানান ধরনের সংজ্ঞা আছে। ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সংজ্ঞা অনুযায়ী, ২০০৬ সালে অরণ্য চার বিলিয়ন হেক্টর (১৫ মিলিয়ন বর্গ মাইল) বা বিশ্বের জমির প্রায় ৩০ শতাংশ এলাকা জুড়ে রয়েছে। এই বনাঞ্চল অনেক প্রাণীর লালনক্ষেত্র হিসেবেও যেমন কাজ করে তেমনি বিভিন্ন নদী - নালার পথ পরিবর্তন, মাটি সংরক্ষণের মতো কাজ করে।

ক) থাইরোসিন
খ) গ্লুকাগন
গ) ইনসুলিন
ঘ) এড্রিনালিন
Note :

ইনসুলিন নামক হরমোনের অভাবে ডায়াবেটিস রোগ হয়। অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত এই হরমোনটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। এর ঘাটতি হলে বা শরীর ইনসুলিন ঠিকমতো ব্যবহার করতে না পারলে রক্তে শর্করার (গ্লুকোজ) পরিমাণ অতিরিক্ত বেড়ে যায় এবং ডায়াবেটিস দেখা দেয়।

ক) ১ মেগাবাইট
খ) ১ গিগাবাইট
গ) ১ কিলোবাইট
ঘ) ১ টেরাবাইট
Note :

১০২৪ বাইট = ১ কিলোবাইট

ক) ইথেন
খ) হাইড্রোজেন সালফাইড
গ) মিথেন
ঘ) হিলিয়াম
Note :

পচা ডিমের তীব্র ও আঁশটে গন্ধের জন্য হাইড্রোজেন সালফাইড (H₂S) নামক গ্যাস দায়ী। ডিম নষ্ট বা পচে গেলে এর ভেতরের প্রোটিন ভেঙে এই বিষাক্ত গ্যাসটি উৎপন্ন হয় এবং বাতাসের সংস্পর্শে আসার পর পচা ডিমের মতো দুর্গন্ধ ছড়ায়। 

জব সলুশন

সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তর-জুনিয়র শিক্ষক 03-10-2026

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর- যাচ মোহরার 02-10-2026

নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর-সিনিয়র স্টাফ নার্স 28-09-2026

পরমাণু শক্তি কমিশনের-মেডিকেল অফিসার (বিষয়ভিত্তিক ব্যতীত) 25-09-2026

বন অধিদপ্তর-ডেমনস্ট্রেটর (সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং) ২২-০৯-২০২৬

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর-অফিস সহায়ক 18-09-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন