কত সালে জাতিসংঘ গঠিত হয়?

ক) ১৯৪৩
খ) ১৯৪৪
গ) ১৯৪৫
ঘ) ১৯৪৬
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

জাতিসংঘ ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ।

জাতিসংঘ (অপর নাম: রাষ্ট্রসংঘ) বিশ্বের জাতিসমূহের একটি সংগঠন, যার লক্ষ্য হলো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আইন, নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক অগ্রগতি এবং মানবাধিকার বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টি করা। ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ সালে ৫১টি রাষ্ট্র জাতিসংঘ বা রাষ্ট্রসঙ্ঘ সনদ স্বাক্ষর করার মাধ্যমে জাতিসংঘ বা রাষ্ট্রসঙ্ঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।

Related Questions

ক) ১৯৯৫
খ) ১৯৯৭
গ) ১৯৯৯
ঘ) ১৯৯২
Note :

বাংলাদেশ সরকার ১৯৯২ সালে প্রথম 'জাতীয় পরিবেশ নীতি' (National Environmental Policy) ঘোষণা করে। পরবর্তীতে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পরিবেশ সংরক্ষণ, দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের ওপর জোর দিয়ে সরকার ২০১৮ সালে এই নীতিমালাটি হালনাগাদ করে।

ক) ৩,৮৪,০০০ কিমি
খ) ৩,৯৫,০০০ কিমি
গ) ৪,০৫,০০০ কিমি
ঘ) ৪,২০,০০০ কিমি
Note :

পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব ৩, ৮৪, ০০০ কিমি।

চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ এবং সৌর জগতের পঞ্চম বৃহৎ উপগ্রহ।

পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে চাঁদের কেন্দ্রের গড় দূরত্ব হচ্ছে ৩৮৪, ৪০৩ কিলোমিটার (২৩৮, ৮৫৭ মাইল) যা পৃথিবীর ব্যাসের প্রায় ৩০ গুণ।

ক) শ্বেতসার
খ) ভিটামিন
গ) আমিষ
ঘ) খনিজ লবণ
Note :

কোয়াশিয়রকর রোগ আমিষ বা প্রোটিনের অভাবে হয়।

সাধারণত খাদ্যে পর্যাপ্ত ক্যালরি থাকলেও আমিষের চরম ঘাটতি থাকলে এই রোগটি দেখা দেয়। এটি মূলত ১ থেকে ৪ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়, বিশেষ করে মায়ের বুকের দুধ ছাড়ানোর পর যখন শিশুদের আমিষযুক্ত খাবার (যেমন—মাছ, মাংস, ডিম, ডাল ইত্যাদি) দেওয়া হয় না।

ক) আমিষ
খ) শ্বেতসার
গ) স্নেহ জাতীয়
ঘ) ভিটামিন
Note :

'মিষ্টি আলু' শ্বেতসার জাতীয় খাদ্য।

উদ্ভিদে শ্বেতসার বা স্টার্চ সঞ্চিত পদার্থ রূপে বিরাজ করে। স্টার্চ একটি পলিস্যাকারাইড। এর সাধারণ সংকেত (C6H10O5)n।

সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট গ্লুকোজের অধিকাংশই পরিবর্তিত হয়ে শ্বেতসারে পরিণত হয়। শ্বেতসার সাধারণত ঘনীভূত দানা হিসেবে উদ্ভিদ কোষে বিরাজ করে এবং এদের আকার - আকৃতি বিভিন্ন উদ্ভিদে বিভিন্ন রকম।

বীজ, ফল, কন্দ প্রভৃতি সঞ্চয়ী অঙ্গে শ্বেতসার জমা হয়। ধান, গম, আলু শ্বেতসারের প্রধান উৎস।

ক) ভিটামিন 'এ'
খ) ভিটামিন 'বি'
গ) ভিটামিন 'সি'
ঘ) ভিটামিন 'ডি'
Note :

ভিটামিন ‘এ’-এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়। এই ভিটামিনের অভাবে চোখের রেটিনায় প্রয়োজনীয় রঞ্জক পদার্থ বা 'রোডপসিন' তৈরি ব্যাহত হয়, যার ফলে কম আলো বা রাতে দেখতে সমস্যা হয়।

ক) সচেতনতা সৃষ্টি
খ) শিক্ষার ব্যবস্থা
গ) আক্রান্তদের এড়িয়ে চলা
ঘ) আক্রোন্তদের প্রতি যত্নবান হওয়া
Note :

এইডস (এইচআইভি) প্রতিরোধের ক্ষেত্রে সচেতনতা সৃষ্টি সবচেয়ে বেশি কার্যকরী। সঠিক জ্ঞান ও সচেতনতাই একমাত্র এইচআইভি সংক্রমণ এড়াতে সহায়তা করে।

জব সলুশন

সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তর-জুনিয়র শিক্ষক 03-10-2026

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর- যাচ মোহরার 02-10-2026

নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর-সিনিয়র স্টাফ নার্স 28-09-2026

পরমাণু শক্তি কমিশনের-মেডিকেল অফিসার (বিষয়ভিত্তিক ব্যতীত) 25-09-2026

বন অধিদপ্তর-ডেমনস্ট্রেটর (সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং) ২২-০৯-২০২৬

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর-অফিস সহায়ক 18-09-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন