গ্রিনহাউস প্রভাব সৃষ্টির জন্য বিভিন্ন গ্রিনহাউস গ্যাসগুলোর মধ্যে কোনটি অন্যতম ?

ক) নাইট্রাস অক্সাইড
খ) সি. এফ .সি
গ) মিথেন
ঘ) কার্বন ডাইঅক্সাইড
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

গ্রিনহাউস প্রভাব সৃষ্টির জন্য প্রধান ও অন্যতম প্রধান গ্যাস হলো কার্বন ডাই-অক্সাইড । এছাড়া জলীয় বাষ্প প্রাকৃতিক কারণে সবচেয়ে বেশি প্রভাব রাখলেও, মানবসৃষ্ট ও সামগ্রিক বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য কার্বন ডাই-অক্সাইডকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস হিসেবে গণ্য করা হয়। 

Related Questions

ক) ১৩টি
খ) ১৭টি
গ) ১৪টি
ঘ) ১২টি
Note :

ঢাকা বিভাগে মোট ১৩টি জেলা রয়েছে।

ঢাকা বিভাগের ১৩টি জেলার নাম

ঢাকা

গাজীপুর

নারায়ণগঞ্জ

নরসিংদী

মুন্সিগঞ্জ

মানিকগঞ্জ

কিশোরগঞ্জ

টাঙ্গাইল

ফরিদপুর

মাদারীপুর

রাজবাড়ী

গোপালগঞ্জ

শরীয়তপুর 

ক) রংপুর
খ) নীলফামারী
গ) কুড়িগ্রাম
ঘ) লালমনিরহাট
Note :

প্রথম বাংলাদেশি এভারেস্ট বিজয়ী মুসা ইব্রাহীমের পৈতৃক নিবাস লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার গন্ধমারুয়া গ্রামে, তবে তিনি নানাবাড়িতে অর্থাৎ বগুড়া জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।

ক) লক্ষ্মণ সেন
খ) সম্রাট আকবর
গ) আবুল ফজল
ঘ) বখতিয়ার খলজি
Note :

ঐতিহাসিক ও প্রাতিষ্ঠানিক মত অনুযায়ী, মুঘল সম্রাট আকবর বাংলা সনের প্রবর্তক। অধিকাংশ ইতিহাসবিদের মতে, ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে মুঘল সম্রাট আকবর রাজস্ব ও খাজনা আদاয়ের সুবিধার্থে বাংলা সন বা বঙ্গাব্দ চালু করেন। হিজরি চান্দ্র বর্ষ কৃষিকাজের সঙ্গে মিলে না চলায় তিনি সৌর বর্ষপঞ্জির প্রচলন করেন, যার গণনা শুরু হয় আকবরের সিংহাসনে আরোহণের বছর তথা ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে।

ক) বহুব্রীহি সমাস
খ) তৎপুরুষ সমাস
গ) দ্বিগু সমাস
ঘ) কর্মধারয় সমাস
Note :

সমাহার (সমষ্টি) বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয় তাকে দ্বিগু সমাস বলে। দ্বিগু সমাসে সমাসনিষ্পন্ন পদটি বিশেষ্য পদ হয়। যেমন :

তিন কালের সমাহার = ত্রিকাল চৌরাস্তার সমাহার = চৌরাস্তা তিন মাথার সমাহার = তেমাথা

শত অব্দের সমাহার = শতাব্দী পঞ্চবটের সমাহার = পঞ্চবটী ত্রি (তিন) পদের সমাহার = ত্রিপদী

এরূপ : অষ্টধাতু, চতুর্ভুজ, চতুরঙ্গা, ত্রিমোহিনী, তেরনদী, পঞ্চভূত, সাতসমুদ্র ইত্যাদি।

দ্বিগু সমাসের গাণিতিক গঠন = সংখ্যা + বিশেষ্য + র/এর + সমাহার = দ্বিগু সমাস

ক) সাতও না পাঁচও না
খ) আদায় কাঁচকলায়
গ) সাপে-নেউলে
ঘ) দা-কুমড়া
Note :

আদায় কাঁচকলায়, সাপে নেউলে, দা-কুমড়া, এগুলোর অর্থ = ভীষণ শত্রুতা। তাই এখানে, 'সাতেও না পাঁচেও না' স্বতন্ত্র অর্থ প্রকাশ করে।

ক) নিঃশোষিত
খ) নীরস
গ) মাধুরিয়া
ঘ) অধীনী
Note :

নীরস বানানটি শুদ্ধ।  বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গ সন্ধি (নিঃ + রস = নীরস) ও রেফ-এর পর 'র' থাকলে 'র'-এর পূর্ববর্তী হ্রস্ব স্বর দীর্ঘ হয়। এই নিয়মের কারণে 'নি' এর স্থানে 'নী' এবং 'র' যুক্ত হয়ে শব্দটি নীরস (রসশূন্য বা শুষ্ক) হিসেবে গঠিত হয়।

জব সলুশন

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (16-10-2026)

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়-উপ-সহকারী প্রকৌশলী 15-10-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়- ব্যক্তিগত কর্মকর্তা 14-10-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (স্থগিত) 10-10-2026

সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তর-জুনিয়র শিক্ষক 03-10-2026

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর- যাচ মোহরার 02-10-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন