কোন ভাষারীতির পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট ?

ক) চলতি ভাষা
খ) কথ্যভাষা
গ) লেখ্যভাষা
ঘ) সাধুভাষা
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

উনিশ শতকে বাংলা ভাষার যে লিখিত রুপ গড়ে উঠে তার নাম দেওয়া হয় 'সাধু ভাষা'। সাধু ভাষার বৈশিস্ট্য-

* সাধু রীতি সুনির্ধারিত ব্যাকরণরীতি অনুসরণ করে।
* সাধু রীতির পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট।
* এ রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল।
* সাধু রীতি নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতায় অনুপযোগী অর্থাৎ বক্তৃতা ও নাটকের সংলাপের জন্য সাধু ভাষা উপযোগী নয়।
* সাধু রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠনপদ্ধতি অনুসরণ করে।
* সাধু ভাষার একটি বৈশিষ্ট্য হলো এটি লেখ্য ভাষা।

Related Questions

ক) চাঁদ
খ) ভবন
গ) বাল্তি
ঘ) হরতাল
Note :

ভবন একটি তৎসম শব্দ

তৎসম অর্থ "তার সমান"। যে শব্দগুলো সংস্কৃত ভাষা থেকে অপরিবর্তিত বা অবিকৃত আকারে বাংলা ভাষায় সরাসরি গৃহীত হয়েছে, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলা হয়। যেহেতু "ভবন" শব্দটির মূল সংস্কৃত শব্দ এবং বাংলা রূপ হুবহু এক ও অপরিবর্তিত রয়েছে, তাই এটি তৎসম

ক) অন্তর্নিহিত তাৎপর্য তুলে ধরা
খ) ভাবের অংশ প্রকাশ করা
গ) বাইরের ভাব বিশ্লেষণ করা
ঘ) অন্যভাবে ফুটিয়ে তোলা
Note :

গদ্য বা পদ্যের অংশবিশেষের অন্তর্নিহিত মূল ভাবকে সহজ - সরল ও প্রাঞ্জল ভাষায় সংক্ষেপে প্রকাশ করাকে বলে - সারাংশ ।

ক) মহতী যে কীর্তি
খ) মহা যে কীর্তি
গ) মহান যে কীর্তি
ঘ) মহান কীর্তি যার
Note :

মহাকীর্তি শব্দটির সঠিক ব্যাসবাক্য হলো 'মহতী যে কীর্তি'। [1, 2]

এটি ব্যাকরণের নিয়মানুযায়ী কর্মধারয় সমাস (বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে গঠিত)। [1]

ক) ১ বলার যে সময় লাগে
খ) এক সেকেন্ডে
গ) ১ বলার দ্বিগুণ সময়
ঘ) থামার প্রয়োজন নাই
Note :

বাক্যে কমা থাকলে ততক্ষণ থামতে হয়, ১ বলতে যতক্ষণ সময় লাগে এবং বাক্যে সেমিকোলন থাকলে, ১ বলার দ্বিগুণ সময় থামতে হয়।

ক) দিনের বেলায় আলোর উৎস সূর্য
খ) দিনের বেলায় প্রদীপ জ্বালানো আবশ্যক
গ) দিনের বেলায় প্রদীপ জ্বালানো অপচয়ের নামান্তর
ঘ) অপব্যয়ের পরিণাম অত্যন্ত দুঃখজনক
Note :

সঠিক উত্তর অপব্যয়ের পরিণাম অত্যন্ত দুঃখজনক , যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি আশুগৃহে তার দেখিবে না আর নিশিথে ভাতি - এই অংশের সম্প্রসারণে ভাষাটি সঠিক হচ্ছে - - অপব্যয়ের পরিণাম অত্যন্ত দুঃখজনক।

ক) বিগ্রহ বাক্য
খ) উত্তরপদ
গ) পূর্বপদ
ঘ) সমস্ত পদ
Note :

- সমাসের প্রক্রিয়ায় সমাসবদ্ধ বা সমাসনিষ্পন্ন পদটির নাম সমস্ত পদ।
- সমস্ত পদ বা সমাসবদ্ধ পদটির অন্তর্গত পদগুলোকে সমস্যমান পদ বলে।
- সমস্ত পদের প্রথম অংশ - পূর্বপদ এবং পরবর্তী অংশ - উত্তরপদ বা পরপদ।
- সমস্ত পদকে ভেঙ্গে যে বাক্যাংশ করা হয়, তার নাম সমাসবাক্য, ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহ বাক্য।

জব সলুশন

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — প্রমোশন অফিসার 19-06-2026

পরিবেশ অধিদপ্তর — নমুনা সংগ্রহকারী 19-06-2026

পোস্টমাস্টার জেনারেলের কার্যালয়, উত্তরাঞ্চল, রাজশাহী — পোস্টাল অপারেটর 19-06-2026

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন-জারিকারক 13-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন