সন্ধির প্রধান সুবিধা কী?
সন্ধি এর অর্থ মিলন। সন্নিহিত দুটি ধ্বনি মিলিয়ে একটি ধ্বনিতে পরিণত হওয়াকে বা পরস্পর সন্নিহিত দুই বর্ণের মিলনকে সন্ধি বলে। সন্ধি বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনিতত্ব অংশে আলোচিত হয়। ধ্বনিগত মাধুর্য এবং স্বাভাবিক উচ্চারণে সহজপ্রবণতা সন্ধির উদ্দেশ্য।
Related Questions
'চলচ্চিত্র' শব্দের সন্ধি - বিচ্ছেদ চলৎ + চিত্র।
স্বরে আর ব্যঞ্জনে অথবা ব্যঞ্জনে ও ব্যঞ্জনে অথবা ব্যঞ্জনে ও স্বরে যে সন্ধি হয় তাকে ব্যঞ্জন সন্ধি বলে। ব্যঞ্জনসন্ধি মূলত কথ্য রীতিতে সীমাবদ্ধ। প্রকৃত বাংলা ব্যঞ্জন সন্ধি মূলত সমীভবন এর নিয়মে হয়ে থাকে। ব্যঞ্জন সন্ধিকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যেমন, বিপজ্জনক = বিপদ + জনক, চলচ্চিত্র = চলৎ + চিত্র।
অনুবাদ কাজকে দুই ভাগে ভাগকরা যায়। যেমন-
১. আক্ষরিক অনুবাদ: মূল ভাষার প্রতিটি শব্দের প্রতিশব্দ ব্যবহার করে যে অনুবাদ করা হয় তাকে আক্ষরিক অনুবাদ বলা হয়।
২. ভাবানুবাদ: মূল ভাষার ভাব ঠিক রেখে সুবিধামত নিজের ভাষায় বক্তব্য প্রকাশ করাকে ভাবানুবাদ বলা হয়।
রাহুর দশা - দুঃসময়
ঘোড়ার ডিম - অলীক বস্তু
কাঠের পুতুল - নির্বাক
যার কোন মূল্য নাই - ঢাকের বায়া
নদের চাঁদ' বাগধারাটির অর্থ - অহমিকাপূর্ণ নির্গুণ ব্যক্তি বা সুন্দর ব্যক্তি অথচ অপদার্থ।
• আরও গুরুত্বপূর্ণ কিছু বাগধারাঃ
» উটকো লোক – অচেনা লোক/হঠাৎ অবাঞ্ছিতভাবে এসে
» ঊনকোটি চোষট্টি – প্রায় সম্পূর্ণ।
» ঊনপাঁজুরে – অপদার্থ।
» ঊরুস্তম্ভ – ফোঁড়া জাতীয় রোগ
» ঊর্মিমালী – সমুদ্র
» এলেবেলে – নিকৃষ্ট।
» এক ছাঁচে ঢালা – সাদৃশ্য।
» একাদশ বৃহস্পতি – মহাসৌভাগ্য/ সৌভাগ্যের লক্ষণ।
» একা দোকা – নিঃসঙ্গ
• নবম-দশম শ্রেণির নতুন ব্যাকরণ অনুযায়ী, যতি বা ছেদ চিহ্ন ১৫টি।
• পুরাতন নবম-দশম শ্রেণির ব্যাকরণ অনুযায়ী, ১২টি ।
• অন্যান্য ব্যাকরণে দেয়া আছে ১১টি।
জব সলুশন