চন্দ্র' এর বিশেষণ রূপ কোনটি?
চন্দ্র বিশেষ্য শব্দটির বিশেষণ রূপ চান্দ্র। চন্দ্র তৎসম শব্দটির তদ্ভব হলো চাঁদ [
Related Questions
কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশঃ
যা বলা হয়নি = অনুক্ত।
যা প্রকাশ/ব্যক্ত করা হয়নি = অব্যক্ত।
যা পূর্বে দেখা যায়নি = অদৃষ্টপূর্ব।
যা পূর্বে শোনা যায়নি = অশ্রুতপূর্ব।
যা বলা হয়েছে = উক্ত।
যা পূর্বে কখনো হয়নি = অভূতপূর্ব।
যা পূর্বে ছিলো এখন নেই = ভূতপূর্ব।
কৌমুদী শব্দের সমার্থক শব্দ হলো- জ্যোৎস্না, চন্দ্রিমা, চাদনি, চাঁদিনী ইত্যাদি। পদ্ম, চাদঁ, সূর্য ও পৃথিবী শব্দের সমার্থক শব্দ যথাক্রমে পঙ্কজ, কুমুদনাথ, মিহির ও ক্ষিতি।(সূত্রঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিঙ্গাসা- ড. সৌমিত্র শেখর)
পৃথিবী শব্দের সমার্থক শব্দ - বসুধা ,ধরা, ভুবন , বসুন্ধরা ,ভু , অবনী , মহী , জগত , দুনিয়া ,বিশ্ব । পর্বতের সমার্থক শব্দ - মহীধর , পাহাড় , গিরি, অচল , শৈল , অদ্রি ,নগ । সূর্য শব্দের সমার্থক শব্দ - সবিতা , দিনমণি , মিহির ,দিবাকর,আফতাব , ভানু , দীনেশ , ভাস্কর , দিবাবাসু ।
- যে সমাসে সমস্যমান পদ দ্বারা সমাস-বাক্য হয় না, অন্য পদের দ্বারা সমস্ত পদের অর্থ প্রকাশ করতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। তদর্থবাচক ব্যাখ্যামূলক শব্দ বা বাক্যাংশ যোগে এগুলোর অর্থ বিশদ করতে হয়।
যেমন:
- অন্য দেশে = দেশান্তর
- কেবল তা = তন্মাত্র,
- অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর,
- কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র,
- অন্য গৃহ = গৃহান্তর,
- (বিষাক্ত) কাল (যম) তুল্য (কাল বর্ণের নয়) সাপ = কালসাপ,
- তুমি আমি ও সে = আমরা,
- দুই এবং নব্বই = বিরানব্বই।
যাকে অবলম্বন করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে ক্রিয়ার কর্ম বা কর্মকারক বলে। ডাক্তার ডাক (কাকে ডাক?): কর্মকারকে শূণ্য বিভক্তি।
ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) এবং আধারকে (স্থান) অধিকরণ কারক বলে। ক্রিয়ার সাথে কোথায় / কখন / কিসে যোগ করে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই অধিকরণ কারক।
যেমন:পুকুরে মাছ আছে। এখানে যদি প্রশ্ন করা হয়, কোথায় মাছ আছে? তাহলে উত্তর পাই- পুকুরে। সুতরাং, পুকুর অধিকরণ কারক এবং এর সাথে ৭মী বিভক্তি (পুকুর+এ) যুক্ত হওয়ায় এটি অধিকরণ কারকে ৭মী বিভক্তি।
জব সলুশন