পদ্মা সেতু দিয়ে যাত্রীবাহী ট্রেনের বাণিজ্যিক চলাচল শুরু হয় কবে?
পদ্মাসেতুর রেল সংযোগ প্রকল্পের আওতায় রেল লিংক প্রকল্পের অধীনে ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত ১৬৯ কিমি রেললাইন নির্মাণ করা হচ্ছে।
- এ প্রকল্পের কাজ তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- ঢাকা থেকে মাওয়া; মাওয়া থেকে পদ্মাসেতু হয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গা এবং ভাঙ্গা থেকে যশোর।
- ৪ এপ্রিল, ২০২৩ সালে মাওয়া থেকে ভাঙ্গা বা ভাঙ্গা থেকে মাওয়া পর্যন্ত প্রায় ৪১ কি.মি রেলপথে পরীক্ষামূলকভাবে ট্রেন চলে।
- ১ নভেম্বর, ২০২৩ সালে যাত্রী নিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
Related Questions
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ : চূড়ান্ত প্রতিবেদন
- ১৫ থেকে ২১ জুন ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় দেশের প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনা।
- ২৭ জুলাই ২০২২ ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এর প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
- এরপর ১৫ নভেম্বর ২০২৩ জনশুমারি ও গৃহগণনার চূড়ান্ত প্রতিবেদনের ‘ভলিউম-১’ প্রকাশ করা হয়।
প্রশাসনিক কাঠামো:
• আয়তন : ১,৪৭,৫৭০ (বর্গ কি.মি) বা ৫৬,৯৭৭ বর্গমাইল ।
• বিভাগ : ৮টি • জেলা : ৬৪টি
• সিটি কর্পোরেশন : ১২টি
• উপজেলা : ৪৯৫টি • মেট্রো থানা : ১০৫টি
• পৌরসভা : ৩২৭টি [বর্তমানে ৩৩০টি]
• সিটি ওয়ার্ড : ৪৬৫টি • পৌর ওয়ার্ড : ৩,০৭৫টি
• ইউনিয়ন : ৪,৫৯৬টি • মৌজা : ৫৮,৮৪৬টি
• গ্রাম : ৯০,০৪৯টি • মহল্লা : ১৫,১৫৩টি ।
রাষ্ট্রের চারটি উপাদান হচ্ছে জনসমষ্টি, নির্দিষ্ট ভূখণ্ড, সরকার ও সার্বভৌমত্ব। রাষ্ট্র গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও অত্যাবশ্যকীয় উপাদান হচ্ছে সার্বভৌমত্ব।
- বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি হচ্ছে ভাষা ও সংস্কৃতি।
- স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পেছনে ভাষা আন্দোলনের গুরুত্ব অনস্বীকার্য।
- বাঙালি জনগণের সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক আকাঙ্ক্ষাকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয় এ আন্দোলন।
- ১৯৪৭ সালে সেপ্টেম্বরে পূর্ব পাকিস্তান 'তমুদ্দন মজলিস' নামে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের মাধ্যমে ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।
- ভাষা আন্দোলনের চেতনাই জনগণের মধ্যে পরবর্তীকালে একাত্তরের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের এক নতুন চেতনার উন্মেষ ঘটায় এবং এর মাধ্যমে ক্রমান্বয়ে বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশ ঘটে।
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ : চূড়ান্ত প্রতিবেদন
- ১৫ থেকে ২১ জুন ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় দেশের প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনা।
- ২৭ জুলাই ২০২২ ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এর প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
- এরপর ১৫ নভেম্বর ২০২৩ জনশুমারি ও গৃহগণনার চূড়ান্ত প্রতিবেদনের ‘ভলিউম-১’ প্রকাশ করা হয়।
প্রশাসনিক কাঠামো:
• আয়তন : ১,৪৭,৫৭০ (বর্গ কি.মি) বা ৫৬,৯৭৭ বর্গমাইল ।
• বিভাগ : ৮টি • জেলা : ৬৪টি
• সিটি কর্পোরেশন : ১২টি
• উপজেলা : ৪৯৫টি • মেট্রো থানা : ১০৫টি
• পৌরসভা : ৩২৭টি [বর্তমানে ৩৩০টি]
• সিটি ওয়ার্ড : ৪৬৫টি • পৌর ওয়ার্ড : ৩,০৭৫টি
• ইউনিয়ন : ৪,৫৯৬টি • মৌজা : ৫৮,৮৪৬টি
• গ্রাম : ৯০,০৪৯টি • মহল্লা : ১৫,১৫৩টি ।
জনসংখ্যা ঃ
• গণনাকৃত জনসংখ্যা ১৬,৫১,৫৮, ৬১৬(সমন্বয়কৃতঃ ১৬,৯৮,২৮,৯১১)।
• গণনাকৃত জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.২২%(সমন্বয়কৃতঃ ১.১২%)।
• ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীঃ ১৬,৫০,৪৭৮ । সর্বোচ্চ-৪,৯৪,২২৫(চট্টগ্রাম) ও সর্বনিম্ন-৪,১৯০(বরিশাল)
• জনসংখ্যা ঘনত্ব(প্রতি কিমি) ঃ ১,১১৯ ।
• লিঙ্গ অনুপাত ঃ ৯৮.০৭(পল্লীঃ ৯৫.৩০ ও শহরঃ ১০৪.৩৫)
• সাক্ষরতার হার(৭ বছর বা তার বেশি) ঃ ৭৪.৮০% (পুরুষ-৭৬.৭১% ও নারী-৭২.৯৪)।
• প্রতিবন্ধী শতকরাঃ ১.৩৭(পল্লীঃ ১.৫০ ও শহরঃ ১.০৮)
• খানা সংখ্যাঃ ৪,১০,০৮,২১,৭২০
• পানীয় জলের প্রধান উৎস শতকরাঃ ট্যাপ/পাইপ(সাপ্লাই)-১১.১৪ এবং টিউবওয়েল-৮৬.৫১
• বিদ্যুৎ সুবিধার প্রধান উৎস ঃ জাতীয় গ্রিড- ৯৭.৫৯; সৌর বিদ্যুৎ- ১.৪৬; অন্যান্য-০.১৮; বিদ্যুৎ সুবিধা নেই-০.৭৬
- সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- ঢাকা (১০০৬৭ জন)।
- সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- রাঙ্গামাটি (১০৬ জন)।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে - ঢাকা বিভাগে (৪৫৬৪৪৫৮৬ জন)।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে - বরিশাল বিভাগে (৯৩২৫৮২০ জন)।
বিবিএসের তথ্যে দেখা গেছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে দেশের মোট ধানি জমির ৮১ শতাংশে উচ্চ ফলনশীল ধান চাষ হচ্ছে। ২০০৯-১০ অর্থবছরে তা ছিল ৭৩ শতাংশ।
- প্রকৃতি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বনভূমি অসাধারণ ভূমিকা পালন করে।
- বনভূমি (গাছপালা) কার্বন ডাই অক্সাইড (CO₂) গ্রহণ করে বায়ুমণ্ডলকে বিশুদ্ধ ও শীতল রাখে এবং অক্সিজেন (O₂) ত্যাগ করে পরিবেশকে নির্মল রাখে ও জীব জগতকে বাঁচায়।
- আর বন-জঙ্গল ধ্বংস করার কারণে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সৃষ্টি হচ্ছে গ্রিন হাউস ইফেক্ট।
- ফলস্বরূপ বায়ুমণ্ডলের ওজনস্তর ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
জব সলুশন