তেপান্তর' কোন সমাসের উদাহরণ?
'তেপান্তর' দ্বিগু সমাসের উদাহরণ।
সমাহার বা সমষ্টি বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে।
দ্বিগু সমাসে সমাসনিষ্পন্ন পদটি বিশেষ্য পদ হয়। তবে অনেক ব্যাকরণবিদ দ্বিগু সমাসকে কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
ত্রিকাল (তিন কালের সমাহার), চৌরাস্তা (চৌরাস্তার সমাহার), তেমাথা (তিন মাথার সমাহার), শতাব্দী (শত অব্দের সমাহার), পঞ্চবটী (পঞ্চবটের সমাহার), ত্রিপদী (ত্রি বা তিন পদের সমাহার), ত্রিফলা (ত্রি বা তিন ফলের সমাহার), নবরত্ন (নব বা নয় রত্নের সমাহার), তেপান্তর (তিন বা তে প্রান্তরের সমাহার)।
Related Questions
ভানুসিংহ' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মোট ৯ টি ছদ্মনাম পাওয়া যায়।
এগুলো হলো:
- ভানুসিং হ ঠাকুর,
- অকপট চন্দ্র ভাস্কর,
- আন্নাকালী,
- পাকড়াশী,
- ষষ্ঠীচরণ দেবশর্মা,
- বানীবিনোদ,
- বিদ্যাবিনোদ,
- শ্রীমতী কনিষ্ঠা,
- শ্রীমতী মধ্যমা,
- দিকশূন্য ভট্টাচার্্য,
- নবীন কিশোর শর্মন।
জাপানি ভাষা থেকে বাংলায় আগত শব্দ- রিক্সা, হারিকিরি, প্যাগোডা, জুডো, কারাতে, হাস্নাহেনা ইত্যাদি ।
বাংলা সাহিত্যে সনেট রচনার প্রবর্তন মাইকেল মধুসূদন দত্ত । তিনি বাংলা ভাষায় প্রথম সনেট রচনা করেন । সনেটকে বাংলায় বলা হয় 'চতুর্দশপদী কবিতা' ।
- সনেট কবিতার একটি বিশেষ রুপকল্প। একটি সনেটে ১৪ চরণ থাকে। এ ১৪ চরণ ৮ চরণ ও ৬ চরণে বিভাজিত হয়। প্রথম ৮ চরণকে অষ্টক আর শেষ ৬ চরণকে বলে ষটক।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে তিনি 'মধুকবি' নামে পরিচিত।
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি কায়কোবাদ সর্বপ্রথম সনেট এবং মহাকাব্য রচনা করেন।
- ফররুখ আহমেদের সনেট সংকলনের নাম 'মুহূর্তের কবিতা'।
- সনেটের জনক 'ইটালীর পেত্রার্ক'
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে যুগসন্ধিক্ষণের কবি বলা হয়।
- ১৭৬০ সালে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের মৃত্যুর মাধ্যমে মধ্যযুগের সমাপ্তি ঘটে এবং ১৮০১ সাল থেকে বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগ শুরু হলেও বাংলা কাব্যসাহিত্যে ১৮৬১ সালে 'মেঘনাদবধ' প্রকাশিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত প্রকৃত অর্থে আধুনিকতা শুরু হয়নি।
- এই একশ (১৭৬০ - ১৮৬০) বছর কাব্যে আধুনিকতায় পৌঁছার প্রচেষ্টা চলেছে মাত্র।
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত মধ্যযুগের দেব-দেবীর কাহিনী বর্জন করে ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে ছোট ছোট কবিতা লেখা শুরু করেন।
- তাঁর কবিতায় সমাজচেতনা থেকে শুরু করে দেশাত্মবোধ পর্যন্ত স্পষ্ট হয়ে উঠে।
- আবার তাঁর কবিতায় কবিয়াল ও শায়েরদের রচনার ঢং, পয়ার ও ত্রিপদীর ব্যবহারও লক্ষণীয়।
- তাঁর মধ্যে মধ্যযুগের কাব্য-বৈশিষ্ট্য ও আধুনিক যুগের সূচনা-বৈশিষ্ট্য সমানভাবে লক্ষ করা যায় বলে তাকে যুগসন্ধিক্ষণের কবি বলা হয়।
জব সলুশন