লোহিত সাগর কোন দুটি মহাদেশকে আলাদা করেছে?
লোহিত সাগর ভারত মহাসাগরের একটি অংশ, যা আফ্রিকা ও এশিয়া মহাদেশকে পৃথক করেছে। সাগরটি দক্ষিণে বাব এল মান্দেব প্রণালি ও এডেন উপসাগরের মাধ্যমে ভারত মহাসাগরের সাথে যুক্ত হয়েছে। এর উত্তরে সিনাই উপদ্বীপ, আকাবা উপসাগর এবং সুয়েজ উপসাগর অবস্থিত।
Related Questions
গৌড়: উত্তর বঙ্গে নিয়ে গঠিত জনপদ।
চন্দ্রদ্বীপ: বর্তমান বরিশাল জেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে এই জনপদ ছিল।
তাম্রলিপ্ত: হরিকেলের উত্তরে অবস্থিত জনপদ।
বঙ্গ: দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গদেশ বঙ্গ নামে পরিচিত ছিল।
বরেন্দ্র ও পুণ্ড্রবর্ধন: উত্তরবঙ্গের একটি জনপদ। ঐতিহাসিকেদের মতে− বর্তমান রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর এবং পশ্চিমবঙ্গের মালদহ ও মুর্শিদাবাদের কিছু অংশ এবং দার্জিলিং ও কোচবিহারসহ গঠিত সমগ্র অঞ্চল বরেন্দ্র এলাকা।
সমতট: বঙ্গদেশের আর্দ্র-নিম্নভূমিকে সমতট হিসেবে উল্লেখ পাওয়া যায়।
রাঢ়: ভাগীরথী নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত অঞ্চলকে রাঢ় বলা হয়।
হরিকেল: পূর্বভারতের একটি জনপদ। এই জনপদটি বঙ্গদেশের অংশ হিসাবে বিবেচনা করা হয়। বর্তমান চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ও ত্রিপুরার এবং তৎসংলগ্ন এলাকা হরিকলের অংশ ছিল বলে অনুমান করা হয়।
১. প্রাচীন কালে ঢাকা বঙ্গ জনপদের অধীনে ছিল।
২. বগুড়ার মহাস্থানগড় একসময় পুন্ড্রুনগর হিসেবে পরিচিত ছিল।
বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি দিবস যা প্রতিবছর ২ এপ্রিল পালিত হয়।
গ্রিনিচ মান সময় (জিএমটি) অপেক্ষা বাংলাদেশে সময় 6 ঘন্টা এগিয়ে। অর্থাৎ, যখন গ্রিনিচে বিকেল 4টা (GMT) বাজে, তখন বাংলাদেশে রাত 10টা (BST) বাজে। এই পার্থক্যের কারণ হলো পৃথিবীকে 24 টি সময় অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি সময় অঞ্চলের মধ্যে সময়ের পার্থক্য 1 ঘন্টা। বাংলাদেশ +6 GMT সময় অঞ্চলে অবস্থিত, যার মানে এটি গ্রিনিচের চেয়ে 6 ঘন্টা এগিয়ে। উল্লেখ্য: বাংলাদেশে গ্রীষ্মকালে ডেলাইট সেভিং টাইম (DST) পালন করা হয়। DST চলাকালীন, বাংলাদেশের সময় GMT-এর চেয়ে 5 ঘন্টা এগিয়ে থাকে। কিছু দেশে DST পালন করা হয় না, তাই তাদের সময়ের পার্থক্য সারা বছর একই থাকে।
তিনদিক সাগর ও এক দিক স্থলভাগ বেষ্টিত ভূ-খন্ডকে উপদ্বীপ বলে । কোরিয়ার তিন দিক জাপান সাগর, পীত সাগর ও পূর্ব চীন সাগর দ্বারা বেষ্টিত। সে হিসেবে কোরিয়া একটি উপদ্বীপ ।
১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে। এ অদিবেশনে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটির সভাপতি ছিলেন তৎকালীন আইন ও সংসদীয় মন্ত্রী ড. কামাল হোসেন। এ কমিটির দায়িত্ব ছিল সংবিধানের খসড়া প্রণয়ন করা। কমিটি ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর গণপরিষদে সংবিধানের খসড়া পেশ করে, যা ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়। তাই ৪ নভেম্বর হচ্ছে বাংলাদেশের ইতিহাসে সংবিধান দিবস। এ সংবিধান ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়।
জব সলুশন