বাংলাদেশের মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ কত?
বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়ের ২০২৫ সালের ১লা মে-তে হালনাগাদকৃত তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ৮৮.২৯ লক্ষ হেক্টর।
- এই তথ্য কৃষি বর্ষগ্রন্থ-২০২২ এবং ভূমি ব্যবহার জরিপ (২০১৯-২০২০) থেকে সংগৃহীত হয়েছে।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (BRRI) ২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ীও মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ৮৮.২৯ লক্ষ হেক্টর।
- ২০২৪ সালের ১৩ই জুন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ জাতীয় সংসদে জানান যে, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুসারে দেশের মোট আবাদযোগ্য জমি ৮৮ লাখ ১৭ হাজার ৯৩৫ হেক্টর, যা দেশের মোট আয়তনের প্রায় ৫৯ শতাংশ।
- ২০২৩ সালের ১৮ই জুন তৎকালীন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক সংসদকে জানান যে, দেশের আবাদযোগ্য জমি ৮৮ লাখ ২৯ হাজার ২৬৬ হেক্টর।
- পূর্বে একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অফিসের তথ্যমতে বর্তমানে বাংলাদেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ৭৯.৪৬ লক্ষ হেক্টর উল্লেখ করা হয়েছিল।
- তবে, একাধিক সরকারি উৎস থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ হালনাগাদকৃত তথ্য অনুযায়ী ৮৮.২৯ লক্ষ হেক্টর বর্তমানে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য হিসেবে বিবেচিত।
Related Questions
ফরিদপুর জেলা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান পাট উৎপাদনকারী অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। এখানকার মাটি ও জলবায়ু পাট চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী, ফলে এই জেলায় পাটের উৎপাদন অন্যান্য জেলার তুলনায় বেশি হয়।
‘মিশুক’ ১৯৮৫ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সাউথ এশিয়ান (এসএ) গেমসের মাসকট। মিশুকের স্থপতি মোস্তফা মনোয়ার।
কিছু গুরুত্তপুর্ণ স্থপতিঃ
- জাতীয় স্মৃতি সৌধ (সাভার) : মইনুল হোসেন
- মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ (মেহেরপুর) : তানভীর কবির
- জাগ্রত চৌরঙ্গী(জয়দেবপুর) : আব্দুর রাজ্জাক
- অপরাজেয় বাংলা(ঢাবি) : আব্দুল্লাহ খালেদ
- স্বৌপার্জিত স্বাধীনতা(ঢাবি) : শামীম সিকদার
- মুক্ত বাংলা(ইবি) : রশিদ আহমদ
- সংশপ্তক (জাবি) : হামিদুজ্জামান
- সাবাস বাংলাদেশ(রাবি) : নিতুন কুন্ডু
- চেতনা ৭১(কুষ্টিয়া) : মো. মইনুল
বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বপ্রথম ১৯৮৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর সিলেটের হরিপুরে তেলক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়। সিলেট-৭ নম্বর কূপ খননের সময় অপ্রত্যাশিতভাবে এই তেলের সন্ধান পাওয়া যায়। ১৯৮৭ সাল থেকে এখান থেকে বাণিজ্যিকভাবে তেল উত্তোলন শুরু হয়, তবে প্রাকৃতিক গ্যাসের চাপ কমে যাওয়া এবং আধুনিক যন্ত্রপাতির অভাবে ১৯৯৪ সালে এর উত্তোলন বন্ধ হয়ে যায়।
বাংলাদেশ - চীন মৈত্রী সেতু ১. অন্য নাম ... বুড়িগঙ্গা সেতু হল বাংলাদেশের বুড়িগঙ্গা নদীর উপর নির্মিত একটি সেতু। এটি বাংলাদেশ ও চীন যৌথ ভাবে তৈরি করেছে। সেতুটি ৭২৫ মিটার দীর্ঘ। এই সেতু ঢাকার সঙ্গে কেরানীগঞ্জ উপাজেলাকে যুক্ত করেছে। সেতুটি নির্মাণের ফলে সহজেই কেরানীগঞ্জ উপজেলা ও তার পার্শবর্তী এলাকার মানুষ ঢাকা শহরে প্রবেশ করতে পারছে। এই সেতু ঢাকা - খুলনা মহাসড়কে যুক্ত করেছে।
চীন - বাংলাদেশ মৈত্রী সেতু - ১ নির্মাণের প্রধান উদ্দেশ্য দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের সাথে ঢাকার পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত করা
- ক্রান্তীয় পাতাঝরা বা পত্রপতনশীল অরণ্য: বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, দিনাজপুর ও রংপুর জেলা পাতাঝরা অরণ্যের অঞ্চল।
- এ বনভূমিতে বছরের শীতকালে একবার গাছের পাতা সম্পূর্ণরূপে ঝরে যায়।
- শাল বা গজারি ছাড়াও এ অঞ্চলে কড়ই, বহেড়া, হিজল, শিরীষ, হরীতকী, কাঁঠাল, নিম ইত্যাদি গাছ জন্মে।
- এ বনভূমিতে শালগাছ প্রধান বৃক্ষ তাই এ বনকে শালবন হিসেবেও অভিহিত করা হয়।
- ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুরে এ বনভূমি মধূপুর ভাওয়াল বনভূমি নামে পরিচিত।
- দিনাজপুর অঞ্চলে এটিকে বরেন্দ্র অঞ্চলের বনভূমি বলা হয়।
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস বাংলাদেশে পালিত একটি বিশেষ দিবস। প্রতিবছর বাংলাদেশে ১৪ ডিসেম্বর দিনটিকে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ১৯৭১ সালের ১০ থেকে ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তান সেনাবাহিনী বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণীর সকল বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে। এ কাজে বাংলাদেশীদের মধ্যে রাজাকার, আল বদর, আল শামস বাহিনীর সদস্যরা তাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করেছিল।
জব সলুশন