একুশ মানে মাথা নত না করা"-এই অমর পঙ্ক্তির রচয়িতা-
মুক্তবুদ্ধির চির সজাগ প্রহরী' নামে খ্যাত সাহিত্যিক আবুল ফজল।
- 'একুশ মানে মাথা নত না করা' এই পঙক্তির মাধ্যমে বাঙালির প্রকৃত বিদ্রোহী মনোভাবই ফুটিয়ে তুলেছেন।
- তিনি 'শিখা' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- শিখা পত্রিকার স্লোগান ছিলো। "জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট মুক্তি সেখানে অসম্ভব'।
- 'শিখা' পত্রিকার এ স্লোগানই বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের স্লোগান হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
- তিনি প্রবন্ধ রচনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি পারদর্শীতা দেখিয়েছেন।
- তাঁর বিখ্যাত প্রবন্ধগুলোর মধ্যে বিচিত্র কথা।
- বিদ্রোহী কবি নজরুল, মানবতন্ত্র রবীন্দ্র প্রসঙ্গ, একুশ মানে মাথা নত না করা, শেখ মুজিব: তাঁকে যেমন দেখিছি ইত্যাদি অন্যতম।
তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ-
- জীবনপথের যাত্রী
- রাঙ্গা প্রভাত(১৩৬৪)
- চৌচির(১৯৩৪)
- মাটির পৃথিবী(১৩৪৭)
- আয়েশা আবুল
- ফজলের শ্রেষ্ঠ গল্প
- সাহিত্য সংস্কৃতি ও জীবন
- সমাজ সাহিত্য রাষ্ট্র ইত্যাদি।
উপন্যাস
- 'রাঙা প্রভাত' (১৩৬৪) ,
- 'প্রদীপ ও পতঙ্গ' (১৩৪৭),
- 'চৌচির' (১৯৩৪)।
Related Questions
- শহীদুল জহির বাংলা সাহিত্যে পরাবাস্তবতা ও জাদু বাস্তবতার প্রথম সফল আর্টিস্ট।
- শহীদুল জহির (১৯৫৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর) পুরান ঢাকার নারিন্দার ৩৬ ভূতের গলিতে (ভজ হরি সাহা স্ট্রিট) জন্মগ্রহণ করেন।
- তার প্রকৃত নাম মোহাম্মদ শহীদুল হক।
- তিনি অমর কিছু সাহিত্যকর্ম রেখে গেছেন।
- জয়েসের যেমন ছিল ডাবলিন, শহীদুল জহিরের ঠিক তেমনিই নারিন্দা ভুতের গলি।
- তার অন্যতম উপন্যাসগুলো হলো (জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা-১৯৮৮), (সে রাতে পূর্ণিমা ছিল-১৯৯৫), (মুখের দিকে দেখি-২০০৬) ইত্যাদি।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য গল্পগুলো হল (ভালোবাসা -১৯৭৪), (পারাপার- ১৯৮৫), (আগারগাঁও কলোনিতে কেন নয়নতারা নেই- ১৯৯১), (ডোলু নদীর বাতাস- ২০০৩) ইত্যাদি।
- তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।
- তিনি ওয়াশিংটন ডিসির আমেরিকান ইউনিভার্সিটি ও বারমিংহাম ইউনিভার্সিটিতেও পড়ালেখা করেন।
- তিনি ১৯৮১ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে সহকারী সচিব পদে যোগ দেন।
- ২০০৮ এ তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে কাজ করে গেছেন।
- তিনি ২০০৮ সালের ২৩ মার্চ ল্যাবএইড কার্ডিয়াক হসপিটালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান, তাকে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হয়।
'পৃথক পালঙ্ক' স্বল্পায়ু অথচ অত্যন্ত প্রতিভাবান কবি আবুল হাসানের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। এটি ১৯৭৫ সালে প্রকাশিত হয়। তাঁর রচিত অন্য দুটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হলো 'রাজা যায় রাজা আসে' এবং 'যে তুমি হরণ করো'।
আল মাহমুদ: আল মাহমুদ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলো হলো 'সোনালী কাবিন', 'লোক লোকান্তর', 'কালের কলস' ইত্যাদি।
রফিক আজাদ: রফিক আজাদ জনপ্রিয় একজন কবি ও মুক্তিযোদ্ধা। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে 'চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া', 'অসম্ভবের পায়ে', 'সীমাবদ্ধ জলে, সীমিত সবুজে' ইত্যাদি।
আবুল হোসেন: আবুল হোসেন বাংলা কবিতায় আধুনিকতার অন্যতম পথিকৃৎ কবি। তাঁর কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে 'নববসন্ত', 'বিরস সংলাপ' উল্লেখযোগ্য।
নাট্যকার সেলিম আল দীন দ্বৈতাদ্বৈতবাদী শিল্পতত্ত্ব, ফিউশন তত্ত্ব’র প্রবক্তা এবং নিউ এথনিক থিয়েটারের উদ্ভাবনকারী ছিলেন।
সেলিম আল দীন (১৯৪৯-২০০৮) বাংলা ভাষার আধুনিককাল পর্বের অন্যতম নাট্যকার।
সেলিম আল দীনের প্রকৃত নাম মঈনউদ্দিন আহমদ, তাঁকে নাট্যাচার্য বলা হয়।
তিনি তাঁর নাটকে 'দ্বৈতাদ্বৈতবাদ' শিল্পতত্ত্ব অনুসরণ করতেন।
পাশ্চাত্য শিল্পের সব বিভাজনকে বাঙালির সহস্র বছরের নন্দনতত্ত্বের আলোকে অস্বীকার করে এক নবতত্ত্ব শিল্পরীতি প্রবর্তন করেন সেলিম আল দীন। যার নাম দেন 'দ্বৈতাদ্বৈত বাদী শিল্পতত্ত্ব'।
দ্বৈতাদ্বৈতবাদী রীতিতে লেখা তার নাটকগুলোতে নিচুতলার মানুষের সামাজিক নৃতাত্ত্বিক পটে তাদের বহুস্তরিক বাস্তবতা উঠে আসে।
১৯৭৪ সালে জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন।
দীর্ঘদিন বাংলা বিভাগে শিক্ষকতা করার পর ১৯৮৬ সালে তিনি নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগে যোগদান এবং উক্ত বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
শিক্ষকতার পাশাপাশি এ দেশের নাট্যশিল্পকে বিশ্বনাট্য ধারার সঙ্গে সমপংক্তিতে সমাসীন করার লক্ষ্যে ১৯৮১-৮২ সালে তিনি এবং নাট্য-নির্দেশক নাসির উদ্দিন ইউসুফ সারাদেশব্যাপী গড়ে তোলেন বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার।
শামসুর রাহমানের একটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো "অদ্ভুত আঁধার এক"। তিনি মূলত তাঁর কবিতার জন্য পরিচিত হলেও, গদ্য সাহিত্যেও তাঁর অবদান রয়েছে এবং এই উপন্যাসটি তাঁর একটি গুরুত্বপূর্ণ সৃষ্টি।
অপশন ক) পতঙ্গ পিঞ্জর: "পতঙ্গ পিঞ্জর" হলো শওকত ওসমান রচিত একটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস ।
অপশন খ) ‘প্রেম একটি লাল গােলাপ’ উপন্যাসের লেখক রশিদ করিম
অপশন গ) রৌদ্র করোটিতে: "রৌদ্র করোটিতে" শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
"ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ" গানটির রচয়িতা হলেন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। এই গানটি তাঁর রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং পরিচিত ঈদ related গান, যা প্রতি বছর ঈদ উৎসবে পরিবেশিত হয়।
অপশন খ) গোলাম মোস্তফা: গোলাম মোস্তফা একজন খ্যাতিমান কবি এবং ইসলাম ধর্ম বিষয়ক লেখক ছিলেন। তাঁর বিখ্যাত রচনা "গোলাম মোস্তফা সমগ্র", "বিলাল" ইত্যাদি।
অপশন গ) জসীম উদ্দীন: পল্লীকবি জসীম উদ্দীন তাঁর "নকশী কাঁথার মাঠ", "সোজন বাদিয়ার ঘাট" প্রভৃতি গ্রাম্য জীবনের চিত্র ফুটিয়ে তোলা কবিতার জন্য বিখ্যাত। তিনি ইসলামি গানও লিখেছেন।
অপশন ঘ) আব্বাস উদ্দীন আহমদ: আব্বাস উদ্দীন আহমদ ছিলেন একজন প্রখ্যাত লোকসংগীত শিল্পী এবং সুরকার। তিনি অনেক গান গেয়েছেন ও সুরারোপ করেছেন।
"নাম রেখেছি কোমল গান্ধার" কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন বিষ্ণু দে। তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত আধুনিক বাংলা কবি, যিনি তাঁর তীক্ষ্ণ বুদ্ধিমত্তা, রাজনৈতিক চেতনা এবং শিল্প-সংস্কৃতি বিষয়ক গভীর অনুধ্যানের জন্য পরিচিত। এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
অপশন ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের একজন অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রতিভা। তাঁর অসংখ্য বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ রয়েছে, যেমন "গীতাঞ্জলি", "সোনার তরী", "চিত্রা" ইত্যাদি।
অপশন গ) অমিয় চক্রবর্তী: অমিয় চক্রবর্তীও একজন আধুনিক বাংলা কবি এবং বুদ্ধিজীবী ছিলেন। তাঁর "অরুপ নয়ন", "মাটির ডাক" ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ।
অপশন ঘ) প্রেমেন্দ্র মিত্র: প্রেমেন্দ্র মিত্র ছিলেন একজন বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার এবং কবি। তাঁর "ফেরীওয়ালা", "কালস্রোত" ইত্যাদি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
জব সলুশন