Animal Liberation' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
পিটার অ্যালবার্ট ডেভিড সিঙ্গার (জন্ম 6 জুলাই 1946) একজন বিখ্যাত অস্ট্রেলিয়ান নৈতিক ও রাজনৈতিক দার্শনিক। তিনি জৈব-নৈতিকতা নিয়ে কাজ করার জন্য বিশ্বব্যাপী খ্যাতি অর্জন করেছেন এবং আধুনিক প্রাণী অধিকার আন্দোলনের একজন প্রবর্তক হিসেবে বিবেচিত হন।
- সিঙ্গার প্রাণী অধিকার ধারণার একজন প্রবল সমর্থক। তিনি যুক্তি দেন যে সমস্ত সংবেদনশীল প্রাণীরই কষ্ট এড়ানোর এবং সুখ অনুভব করার নৈতিক অধিকার রয়েছে। তার বিখ্যাত বই "Animal Liberation" প্রাণী অধিকার আন্দোলনের একটি মূল পাঠ্য হয়ে উঠেছে।
সিঙ্গারের কিছু উল্লেখযোগ্য লেখা:
- Animal Liberation (1975): প্রাণী অধিকার আন্দোলনের একটি মূল পাঠ্য।
- The Ethics of What We Eat (1981): মাংস খাওয়ার নীতিশাস্ত্র নিয়ে একটি আলোচনা।
- Practical Ethics (1979): নীতিশাস্ত্রের নীতিগুলিকে বাস্তব জীবনের পরিস্থিতিতে প্রয়োগ করার উপর একটি পাঠ্যপুস্তক।
- One Day You Will Eat Vegan (2021): উদ্ভিজ্জ খাবার গ্রহণের নৈতিক ও পরিবেশগত যুক্তি নিয়ে একটি বই।
Related Questions
বার্ট্রান্ড রাসেল একজন ব্রিটিশ দার্শনিক, গণিতবিদ এবং সাহিত্যিক। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থসমূহের মধ্যে রয়েছে- 'Political Ideals', 'Proposed Roads to Freedom', ' Power: A New Social Analysis', 'Human Society in Ethics and Politics', ' My Philosophical Development' প্রভৃতি। বাট্রান্ড রাসেল এর ভাষায়, 'দর্শন হচ্ছে ধর্ম ও বিজ্ঞানের মধ্যবর্তী এক অনধিকৃত প্রদেশ।'
বার্ট্রান্ড রাসেল একজন ব্রিটিশ দার্শনিক, গণিতবিদ এবং সাহিত্যিক। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থসমূহের মধ্যে রয়েছে- 'Political Ideals', 'Proposed Roads to Freedom', ' Power: A New Social Analysis', 'Human Society in Ethics and Politics', ' My Philosophical Development' প্রভৃতি। বাট্রান্ড রাসেল এর ভাষায়, 'দর্শন হচ্ছে ধর্ম ও বিজ্ঞানের মধ্যবর্তী এক অনধিকৃত প্রদেশ।'
বাংলাদেশে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল প্রণয়ন করা হয় ২০১২ সালে।
- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নেতৃত্বে একটি কমিটি এই কৌশলটি প্রণয়ন করে।
- কৌশলটিতে রাষ্ট্রীয় কর্মচারীদের পেশাগত আদর্শ, মূল্যবোধ, আচরণ ও কর্তব্যবোধ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণের কথা বলা হয়েছে।
- জর্জ উইলহেলম ফ্রেডরিখ হেগেল (১৭৭০-১৮৩১) ছিলেন একজন জার্মান দার্শনিক যিনি আধুনিক কালের পূর্ণতাবাদের একজন প্রধান চিন্তাবিদ হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। তার নীতিদর্শন ভাববাদ এর উপর ভিত্তি করে স্থাপিত হয়েছিল, যেখানে তিনি যুক্তি দিয়েছিলেন যে বাস্তবতার মূল ভিত্তি হল চেতনা।
- "মানুষ হও এবং মরে বাঁচ" ("Be a person, Die to live") উক্তিটি তার "আত্মার ঘটনাবলী" (Phenomenology of Spirit) (1807) নামক বই থেকে উদ্ধৃত।
এই উক্তিটি দ্বারা হেগেল বোঝাতে চেয়েছিলেন-
- "মানুষ হও" - হেগেলের মতে, মানুষ শুধুমাত্র জীবন্ত প্রাণী নয়, বরং সচেতন এবং আত্ম-সচেতন প্রাণী।
- "মরে বাঁচ" - হেগেল এখানে "মৃত্যু" শব্দটি শারীরিক মৃত্যুকে বোঝায় না, বরং আমাদের স্বার্থপর, সীমাবদ্ধ দৃষ্টিভঙ্গি" ছেড়ে বেরিয়ে আসাকে বোঝায়
'সুশাসন চারটি স্তম্ভের ওপর নির্ভরশীল'। এই অভিমত বিশ্বব্যাংক প্রকাশ করে। ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক প্রকাশ করে যে, গর্ডন্যান্স বা সুশাসন চারটি প্রধান স্তম্ভের উপর প্রতিষ্ঠিত। এগুলো হলোঃ দায়িত্বশীলতা, স্বচ্ছতা, আইনি কাঠামো এবং অংশগ্রহণ।
সুশাসনের মূলনীতি হলো স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা।
- স্বচ্ছতা বলতে বোঝায় রাষ্ট্রের সকল কার্যকলাপ জনগণের জন্য উন্মুক্ত ও স্বচ্ছ হওয়া। স্বচ্ছতার মাধ্যমে নাগরিকরা রাষ্ট্রের কার্যকলাপ সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানতে পারে এবং রাষ্ট্রের কার্যকলাপের উপর নজর রাখতে পারে।
- জবাবদিহিতা বলতে বোঝায় রাষ্ট্রের সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তাদের কার্যকলাপের জন্য জনগণের কাছে দায়ী হওয়া।
অন্যদিকে,
- সুশাসনের অন্তর্নিহিত শক্তি- নৈতিকতা।
- সুশাসনের মূল চাবিকাঠি - জবাবদিহিতা।
- সুশাসনের মূল ভিত্তি - আইনের শাসন।
জব সলুশন