ধাতব কার্বোনেটের সাথে এসিডের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন হয়-
এসিডের সাথে ধাতব কার্বনেটের বিক্রিয়ায় লবণ, পানি ও কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়। যেমন: সোডিয়াম কার্বনেট (Na2CO3) লঘু নাইট্রিক এসিড (HNO3) এর সাথে বিক্রিয়া করে সোডিয়াম নাইট্রেট (NaNO3) লবণ, পানি (H2O) ও কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2) গ্যাস উৎপন্ন করে।
বিক্রিয়া: Na2CO3 + 2HNO3→2NaNO3+H2O+CO2
Related Questions
কোনো জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দেওয়া সংক্রান্ত নীতিমালা তৈরি, ব্যাখ্যা ও প্রয়োগকে জীবের বৈজ্ঞানিক নামকরণ বলা হয়।
- দ্বিপদ নামকরণ: কোনো জীবের গণ (Genus) নামের শেষে একটি প্রজাতিক (Species) পদ যুক্ত করে দু'টি পদের (শব্দের) মাধ্যমে ICN বা ICZN এর নীতিমালা অনুসারে একটি নির্দিষ্ট প্রজাতির জন্যে একটি নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক নাম প্রদান করাকে বলা হয় দ্বিপদ নামকরণ।
- সুইডিশ বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস ১৭৫৩ সালে সর্বপ্রথম Plantarum বইতে বর্ণিত সকল উদ্ভিদ প্রজাতির জন্যে দ্বিপদ নাম প্রদান করেন।
- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক সর্বপ্রথম কোয়ান্টাম-তত্ত্ব প্রদান করেন।
- এই তত্ত্ব অনুসারে আলোকশক্তি কোনো উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের আকারে না বেরিয়ে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তিগুচ্ছ বা প্যাকেট আকারে বের হয়।
- প্রত্যেক রঙের আলোর জন্য এই প্যাকেটের শক্তির একটা সর্বনিম্ন মান আছে।
- এ সর্ব নিম্নমানের শক্তিসম্পন্ন কণিকাকে কোয়ান্টাম (Quantum) বা ফোটন (Photon) বলে।
E = ফোটনের শক্তি,
f = আলোর কম্পাঙ্ক,
A = তরঙ্গদৈর্ঘ্য,
হলে,
E = hf = hc / λ [f = c/λ h = প্ল্যাঙ্কের ধ্রুবক]
ভিটামিন কে এর প্রভাবে রক্ত তঞ্চন প্রক্রিয়ায় দেহের ক্ষতস্থানের রক্ত জমাট বাঁধে ও দেহ থেকে অবাঞ্ছিত রক্তপাত বন্ধ হয়। ভিটামিন সি এর অভাবে স্কার্ভি, ভিটামিন বি এর অভাবে বেরিবেরি এবং ভিটামিন ডি এর অভাবে রিকেটস রোগ হয়।
আলোর প্রাথমিক রং তিনটি। যথাঃ লাল, নীল ও সবুজ।
জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ মূলত ইনফ্রারেড (অবলোহিত) বিকিরণ ব্যবহার করে, যা আমাদের দৃশ্যমান আলোর সীমার বাইরে, অর্থাৎ মহাজাগতিক ইতিহাসের প্রথম দিকের নক্ষত্র ও গ্যালাক্সি দেখতে সাহায্য করে, কারণ মহাবিশ্বের প্রসারণের কারণে সেই আলো ইনফ্রারেড বর্ণালীতে স্থানান্তরিত (redshifted) হয়ে গেছে। এটি দৃশ্যমান বর্ণালীর লাল প্রান্ত এবং মধ্য-ইনফ্রারেড তরঙ্গদৈর্ঘ্য সনাক্ত করতে পারে, যা মহাকাশের ধুলোর মেঘ ভেদ করে দেখতে এবং ঠান্ডা বস্তু পর্যবেক্ষণে সক্ষম।
প্রকৃতিতে মৌলিক বল চারটি।
এগুলো হলো- ১. মহাকর্ষ বল
২. তড়িৎ চৌম্বকীয় বল
৩. সবল নিউক্লিয় বল
৪. দুর্বল নিউক্লিয় বল
জব সলুশন