যে বর্ণ বা বর্ণ সমষ্টি ধাতু বা শব্দের পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে বলে ---
যে বর্ণ বা বর্ণ সমষ্টি ধাতু বা শব্দের পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে প্রত্যয় বলে।
Related Questions
নীরস এর সন্ধি বিচ্ছেদ = নিঃ + রস
পূর্বপদ এর শেষে র - জাত বিসর্গ যুক্ত ই - ধ্বনি বা উ - ধ্বনি এবং পরপদের গোড়ায় র থাকলে সন্ধিতে বিসর্গ লোপ পায় এবং ই বা ঈ - ধ্বনি দীর্ঘতা পেয়ে ঈ বা ঊ - ধ্বনি হয়।
-কুঁড়ে স্বভাব বাগধারার দবারা বোঝায় - আঠারো মাসে বছর বা দীর্ঘসূত্রতা, উদাহরণ সরুপ- আমার মামা সব কাজে দেরি করেন, সবাই বলেন তার নাকি আঠার মাসে বছর। -অল্পবিদ্যা ভয়ঙ্করী দ্বারা বোঝায় - অহেতুক গর্ব , -অকাল কুষ্মাণ্ড শব্দ দ্বারা বুঝায় - অপদার্থ ।
পর্বত এর সমার্থক শব্দ - পাহাড়, অচল, গিরি, শৈল, ভূধর, অদ্রি, মহীধর।
শিলা শব্দের সমার্থক শব্দ - পাথর, প্রস্তর, পাষাণ, উপল, মনি।
'প্রসন্ন' শব্দের বিপরীতার্থক বা বিপরীত শব্দ হলো,বিষণ্ন অর্থ: ম্লান, অনুজ্জ্বল, বিষাদগ্রস্ত, মনমরা বা বিমর্ষ।
কর্মধারয় সমাসে পরপদ বা উত্তরপদের অর্থ প্রধান থাকে। অর্থাৎ, এই সমাসে পূর্ব পদের চেয়ে পরের পদটি বেশি প্রাধান্য পায়। উদাহরণস্বরূপ—'নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম', এখানে 'পদ্ম' (পরপদ) শব্দটি প্রধান
যে যে পদে সমাস হয় তাদের প্রত্যেকটির নাম সমস্যমান পদ।
সমাস এর পরিভাষা পাঁচটি। সমস্যমান পদ, ব্যাসবাক্য, সমস্তপদ, পূর্বপদ, পরপদ। সমাস যুক্তপ্রদেশ প্রথম অংশকে পূর্বপদ বলে। সমাস যুক্ত পদের পরবর্তী অংশকে পরপদ বলে। সমাসবদ্ধ বা সমাস নিষ্পন্ন পদটির নাম সমস্ত পদ। সমস্ত পদ কে ভাঙলে যে বাক্য পাওয়া যায় তাকে বলা হয় ব্যাসবাক্য।
জব সলুশন