বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে?

ক) জয়নুল আবেদীন
খ) কামরুল হাসান
গ) হামিদুর রহমান
ঘ) হাসেম খান
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার নকশা তৈরি করেন কামরুল হাসান ।

মানচিএ খচিত প্রথম জাতীয় পতাকার নকশা তৈরি করেন শিব নারায়ন দাস । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জহরুল হক হলের ( তৎকালীন ইকবাল হল ) ১১৮ নম্বর কক্ষে বসে জাতীয় পতাকার ডিজাইন করেন । পরবর্তীতে বর্তমান জাতীয় পতাকার (মানচিএবিহীন ) ডিজাইন করেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত চিএশিল্পী কামরুল হাসান (১৯২১ - ১৯৮৮ খ্রি:) ।

Related Questions

ক) অ্যামোনিয়া
খ) টিএসপি
গ) ইউরিয়া
ঘ) সুপারফসফেট
Note :

জিয়া সার কারখানার বর্তমান নাম ‘আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লি.’।
- কারখানাটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জে অবস্থিত।
- এ সার কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়।
- এছাড়া অন্য যেসব কারখানায় ইউরিয়া উৎপাদিত হয়, তা হলো- চট্টগ্রাম ইউরিয়া, ঘোড়াশাল, পলাশ, যমুনা, কর্ণফুলী ও শাহজালাল সার কারখানা।
- উল্লেখ্য, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় যমুনা সার কারখানা জামালপুরের তারাকান্দিতে অবস্থিত।

ক) কর্তৃকারকে সপ্তমী
খ) কর্মকারকে সপ্তমী
গ) অপাদান কারকে তৃতীয়া
ঘ) অধিকরণ কারকে সপ্তমী
Note :

ক্রিয়া সম্পাদনের কাল এবং আধারকে (সময় এবং স্থানকে) অধিকরণ কারক বলে।
- ক্রিয়াকে 'কোথায়/ কখন/ কী বিষয়ে' দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই অধিকরণ কারক।
- অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি অর্থাৎ এ, য়, তে ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়।
- ''আকাশে তো আমি রাখি নাই মোর উড়িবার ইতিহাস'' এই বাক্যে ''আকাশে'' শব্দ দ্বারা স্থানকে বুঝায় এবং এতে সপ্তমী বিভক্তি (এ) আছে। তাই এটিই অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ।

ক) বিশেষণ
খ) অব্যয়
গ) সর্বনাম
ঘ) ক্রিয়া
Note :

বিশেষণ হলো যা বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের দোষ, গুণ ইত্যাদি প্রকাশ করে। যেমন - ভালো , ছোট, বড়, পাঁচটি ইত্যাদি। অব্যয় হলো যে পদের কোনো পরিবর্তন নেই। যেমন - এবং, কিংবা ,কিন্তু অথবা ইত্যাদি। সর্বনাম হলো যা বিশেষ্যের পরিবর্তে বসে। যেমন - আমি , তুমি, সে, তাকে আমার ইত্যাদি। ক্রিয়া হলো যে পদ দ্বারা কার্য সম্পন্ন হয় । যেমন - করা, খাওয়া, যাওয়া ইত্যাদি। সুতরাং উপরিউক্ত বাক্যে 'তুমি' ও 'কী' উভয়ই সর্বনাম।

ক) অব্যয় ও শব্দাংশ
খ) নূতন শব্দ গঠনে
গ) উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যায় থাকে পেছনে
ঘ) ভিন্ন অর্থ প্রকাশে
Note :

যেসব অব্যয় শব্দ বা ধাতুর পূর্বে বসে মূল শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটায় ও নতুন শব্দ গঠন করে তাকে উপসর্গ । অন্যদিকে যেসব বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি ধাতু বা শব্দের পরে বসে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে প্রত্যয় বলে। যেমন - কাঁদ্ + অন = কাঁদন এখানে 'অন' প্রত্যয়'। সুতরাং উপরিউক্ত প্রশ্নে (গ) - ই যথার্থ উত্তর।

ক) সমক্ষ
খ) পরোক্ষ
গ) প্রত্যক্ষ
ঘ) নিরপেক্ষ
Note :

- ‘অক্ষির সমীপে’ এর সংক্ষেপণ হলো সমক্ষ।

- অন্যদিকে,
- ‘অক্ষির সম্মুখে’ হলো প্রত্যক্ষ,
- ‘অক্ষির অগোচরে’ হলো পরোক্ষ এবং
- ‘পক্ষপাতহীন বা মুখাপেক্ষী নয় এমন’ হলো নিরপেক্ষ।

ক) কষ্ট
খ) উপনিষৎ
গ) কল্যাণীয়েষু
ঘ) আষাঢ়
Note :

আষাঢ় শব্দটিতে নিত্য মূর্ধন্য-ষ বিদ্যমান। বাংলা ব্যাকরণের ষ-ত্ব বিধানের নিয়ম অনুযায়ী, কিছু তৎসম শব্দে কোনো কারণ ছাড়াই স্বভাবতই বা নিত্য মূর্ধন্য-ষ (\(\)) ব্যবহৃত হয়

জব সলুশন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- অফিস সহায়ক 28-08-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- কম্পিউটার অপারেটর 28-08-2026

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন